M.A.A. NAFISH PEEZON. Blogger দ্বারা পরিচালিত.
মোবাইল টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মোবাইল টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

GrameenPhone এর কাস্টমার ম্যানেজার !!!

এখন  নিজেই হয়ে যান GrameenPhone এর কাস্টমার ম্যানেজার । আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম GrameenPhone এর প্রায় সব কটি গোপন কোড । এখন আর খুব সহজে আপনাকে আর GrameenPhone এর কাস্টমার কেয়ার এ যেতে হবে না । 

Account : *566#

Nijer no : *2#

Bonuous : (1) *566 *8#    (2) *566*9#    (3) *577*3#

MB dekhte : *566*10#

Rin nite : *1010*1#

Riner tk : *566*28#

Pakage jante : P send  4444

Pakage change : S-D-A-B send 4444 
                         1sec palse :  SP send 4444

Miss call Alert :  START MCA  send 6222

Miss Alert off :  STOP MCA send 6222

Call block : *21*1266#
           off : ##002#

Super FnF :  SF number send 2888

Super fnf change : SFC old no new no send  2888

Old FnF jante : *111*2*1* 1#

Net pakage : *111*6*1 #

Gp pakage change to list : *111*4#

Off sim ar offer jante :  Check send  9999
আরকম আরও টিপস এর জন্য আমাদের সাথেই থাকুন ।
ধন্যবাদ !!!

আপনার সিম্বিয়ান ফোন হ্যাক করে সিম্বিয়ানের আসল মজা উপভোগ করুন।

মুলতত্বঃ অনেক সময় দেখা যায়যে, সিমবিয়ান ফোনে সফটয়ার ইন্সটল করার সময় Certificate Expired, Unable to isntall জাতীয় বিভিন্ন লেখা আসে ফলে ঐ সফটয়ার ইন্সটল করা যায় না। এই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় একটাই- তা হল সিমবিয়ান ফোনটি হ্যাক করা।
যন্ত্রপাতিঃ
১. Norton Symbian Hack
২. RomPatcherPlus_3.1
৩. X-Plore
৪. Isntallserver.exe
কাজের ধারাঃ
১. প্রথমে নিচের লিঙ্ক থেকে জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে Extract করে নিন।এবার Extract করা পুরো ফোল্ডারটি আপনার ফোনের মেমরি কাড© এ নিয়ে নিন।
অথবা

২. Norton Symbian Hack  ইন্সটল করুন। এটি ওপেন করে Antivirus>Quarantine list এ যান। এখানে ৩ টি ফাইল পাবেন (কোন কোন ক্ষেত্রে কম হতে পারে)।এবার Option থেকে Restore All করুন।Exit দিয়ে বের হয়ে আসুন। এবার Norton Symbian Hack অ্যাপ্লিকেশন টি ফোন থেকে রিমুভ/ডিলেট করে দিন। ফোন Restart চাইলে Restart দিন ( Restart না চাইলেও Restart দিন ।

৩. এবার X-Plore ‍সফটওয়ার টি ইন্সটল করুন।

৪. এবার RomPatcherPlus_3.1 ইন্সটল করুন।

৫. RomPatcher+ ওপেন করুন। Option থেকে All Patches> Apply All দিন।

৬. এবার আপনার ফোনের ভার্সন অনুযায়ী C:/sys>bin ফোল্ডারে  Isntallserver.exe ফাইলটি কপি পেস্ট করে দিতে হবে।তার জন্যে X-Plore ওপেন করে 0(জিরো) চাপুন। এখান Show Hidden File এবং Show System file/folders এ টিক (Ö) দিন। এবার খেয়াল করে দেখেন যে, আমি আপনাদের যে Isntallserver নাম এর ফোল্ডার দিয়েছি তাতে চার ধরনের Isntallserver.exe ফাইল রয়েছে। আপনার মোবাইলে কোনটি সাপোর্ট করবে তা বের করার জন্যে www.google.com এ একটু খুজতে হবে।  www.google.com আপনার ফোনের নাম এবং সাথে লিখবেন Full specification ( যেমন: Nokia 6120c full specification ) তাহলে দেখবেন অনেকগুলো ওয়েব সাইটের ঠিকানা আসবে সেখান থেকে যেকোন একটিতে ঢুকে দেখবেন যে, আপনার ফোনের সম্পুর্ন বিবরন আসবে। এখান থেকে OS কি তা দেখবেন। যেমন, আমার Nokia 6120c এর OS: Symbian OS v9.2 S60 অর্থাৎ আমার দরকার Symbian v9.2 ফোল্ডারে যে Isntallserver.exe আছে সেটি। তাহলে আপনার ফোনের ভার্সন অনুযায়ী Isntallserver.exe ফাইলটি X-Plore এর দ্বারা C:/sys>bin ফোল্ডারে নিয়ে নিন। ভার্সন অনুযায়ী Isntallserver.exe ফাইল না নিলে দেখবেন যে, আপনার কোন ইন্সটল করা ‍সফটওয়ার রিমুভ করা যাচ্ছে না। তাই নিশ্চিত হয়ে নিন কোনটি আপনার প্রয়োজন।
৭. কপি-পেস্ট হয়ে গেলে ফোন টি বন্ধ করে আবার চালু করুন। ব্যাস আপনার ফোনটি হ্যাক হয়ে গেল।

ফলাফলঃ আপনার ফোনটি হ্যাক হল কিনা টেস্ট করার জন্যে আমার দেয়া অপেরামিনিটি ইন্সটল করুন। যদি ইন্সটল হয় তবে আপনি এবং আমি দুজনেই সফল।

মজাঃ এতো কষ্ট করে আপনার ফোন হ্যাক করলেন আর হ্যাক করার মজা নিবেন না তাতো হতে পারেনা! আরেকটু কষ্ট করে আপনার ফোনের Setting>Phone Setting>Connection>Accesspoint এ যান।এবার Option থেকে New access point এ যান এবং নিচের মত করে প্রত্যেকটি জায়গায় ঠিকমত লেখেন।
1. Connection name: Free
2. Accesspoint Name: GP INTERNET PROXY 2
3. Apn: gpinternet (যাদের মোবাইলে Apn অপসন নাই তাদের এটা দরকার নাই)

4.এবার Option থেকে Advance Setting এ যান এবং Proxy Server: 82.145.210.16
5.Port: 80 লিখে Back চেপে চেপে বের হয়ে আসুন।
এখন আমার দেয়া অপেরামিনি ওপেন করুন এবং Menu>Setting>Advance>Connection>Free সিলেক্ট করে Back চেপে বের হয়ে আসুন আর এই অপেরা মিনি দিয়ে ইচ্ছামত ব্রাউজ/ডাউনলোড করুন।

মন্তব্যঃ কোন ‍সমস্যা হলে কমেন্ট করুন।কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

SMS করুন পুরোপুরি ফ্রি, যে-কোনো দেশে যত খুশি তত!

বন্ধুরা কী খবর সবার? ভালো নিশ্চয়! ঈদ কেমন হলো? আশা করি ভালোই। এই টিউনটি ঈদের আগে করতে পারলে নিশ্চয়ই ভালো হতো। কারণ ঈদের সময় অনেকেই প্রচুর SMS করেছেন। আর সেসব SMS যদি বিনামূল্যে করা যেতো তাহলে কত ভালোই না হতো! কিন্তু এই ঈদই তো শেষ ঈদ নয়। সামনেই রয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আর মাত্র মাস দুয়েক বাকি। তখনই কাজে লাগবে এই লিঙ্কটি। সংগ্রহে রাখুন। শেয়ার করুন বন্ধুদের সঙ্গে। অবশ্য এতোদিনে হয়তো আপানাদের অনেকেই এই সাইটের খোঁজ পেয়েছেন। আমিও বেশকিছু দিন আগেই পেয়েছিলাম। কিন্তু সময়াভাবে শেয়ার করা হয়নি। থাক বন্ধুরা আর কথা বাড়িয়ে লাভ নেই। সরাসরি চলে যান এই লিঙ্কে। এই লিঙ্কে (http://www.allmedialink.com/free-sms/) গেলে এমন একটি পেজ আসবে। স্ক্রিনশট দিলাম।
এরপর লেখা দেখবেন ‘please click here for details’। এখানে ক্লিক করলেই আপনি চলে যাবেন মূল পেজে। ব্যস কাজ শেষ! যে পেজটি আসবে সেটিরও স্ক্রিনশট দিলাম। তাহলে আর দেরি কেন? শুরু হয়ে যাক এখনই। মনে রাখবেন আপনি সর্বোচ্চ ১৩০ ক্যারেক্টার পর্যন্ত লিখতে পারবেন। এর বেশি লিখলে এসএমএসটি কিন্তু যাবে না!
টিউনার পেজ কয়েকদিন ধরে ডিস্টার্ব করছে কেন বুঝতে পারছি না। আমি কোনো লেখা লিখে পারছি না। ফন্ট কালার সাদা দেখাচ্ছে। লিঙ্কও যুক্ত করতে পারছি না। এই লেখাটা অন্য জায়গায় লিখে এখোনে পেস্ট করলাম। আপানার কিছু জানেন কী?

মাত্র ৭-৮ পয়সায় বন্ধুর মোবাইল এ message পাঠান !!!

বর্তমানে মোবাইল এ খরচ এত বেড়েছে যা বলার মত না । কাউকে msg পাঠাতে গেলে ৫০ পয়সা কেটে নেয় । কিন্তু এ খরচ আমরা চাইলেই কমাতে পারি । চলুন দেখি কিভাবে ৭-৮ পয়সায় বন্ধুর মোবাইল এ msg পাঠানো যায় ।
এর জন্য যা যা লাগবেঃ
১।  আপনার এবং আপনার বন্ধুর  facebook account । যা বর্তমানে প্রায় সবার আছে ।
২। আপনার এবং আপনার বন্ধুর মোবাইল এ ইন্টারনেট সুবিধা । ( browser হিসেবে default ছাড়া অন্য browser  থাকলে ভাল হয় )
৩। আপনার এবং আপনার বন্ধুর মোবাইল facebook mobile চালু থাকা ।
যা যা করতে হবেঃ
১। facebook mobile  চালু করার জন্য এই লিঙ্ক এ যান । add a phone click করুন ।  country তে বাংলাদেশ select করুন আর Mobile carrier হিসেবে আপনার
sim কোন company এর তা select করুন । next চাপুন ।
এবার আপনার মোবাইল থেকে F লিখে 32665 এ msg পাঠান । facebook msg এর মাধ্যমে আপনাকে একটি confirmation code পাঠাবে । এই code টি ২ নং ঘরে
লিখে next দিন । ব্যাস আপনার facebook mobile  চালু হয়ে গেল ।
এই কাজটি আপনার বন্ধুকেও করতে বলবেন ।
২। মোবাইল এ ইন্টারনেট active করুন । মোবাইল দিয়ে facebook এ ঢুকে যেই বন্ধুকে msg পাঠাতে চান তার msg page এ যান । page টি আপনার browser এ
save করে রাখুন । যাতে আমাদের বার বার এই page টী load করতে না হয় । opera mini তে page টি save করার জন্য  যান  menu==>tools==>save page ।
অন্য যেকোনো browser এই menu তে গেলে page save করার option পাবেন ।
শুধু msg এর msg পেতে যানঃ মোবাইল দিয়ে settings এ যান তারপর text messaging এ যান এবং আপনার মনের মত করে change করুন ।
এবার আমাদের test করার পালা । save করা যেকোনো একটি বন্ধুর page open করুন । msg box  এ আপনার বক্তব্য লিখুন আর send করুন । দেখুন সাথে সাথে
আপনার বন্ধুর নাম্বার এ msg চলে গেছে ।
একটি msg send করতে 3 KB net use হয় । যা payper use package এ মূল্য ৭-৮ পয়সা । আর যদি আপনার bundle package নেয়া থাকেই তাইলে তো আর কথাই নেই । ফ্রী ফ্রী msg পাঠাতে পারবেন যত খুশি তত।
আপনাদের  উপকারে লাগলে জানাবেন

ওয়েবডেভলপারদের জন্য অতি দরকারি দুটি মোবাইল সফটওয়্যার

কেমন আছেন সবাই । আশা করি ভালই আছেন ।
আজকে আমি আপনাদেরকে এমন ২ টি মোবাইল সফটওয়্যার সম্পর্কে জানাব যেগুলো ওয়েব ডেভেলপারদের জন্ন্য অতি দরকারি।
যেমন ধরুন আপনি এখন মো্বাইল এ আপনার ওয়েবসাইট টি ভিসিট করছেন, ভিসিট করতে গিয়ে সাইট এ কোন প্রব্লেম দেখলেন যেমন কোন ফাইলে প্রব্লেম দেখলেন । অথবা আপনাকে এখনি একটি ফাইল আপলো্ড করতে হবে, অথচ হাতের মোবাইল টা ছাড়া আর কোন পথ দেখছেন না।তখন আপনাকে এই সফটওয়্যার গুলো সাহায্য করবে ।
এতক্ষনে হয়ত অনেকেই বুঝে গেছেন যে আমি এফটিপি সফটওয়্যার এর কথা বলছি।হে আমি এফটিপি সফটওয়্যার কথা বলছি।যেহেতু আমাদের অতি পরিচিত সিপ্যানেল এ মোবাইল দিয়ে তেমন বড় ফাইল আপলো্ড করা যায় না তাই এই সফটওয়্যার গুলো কাজ করবে তাতে সন্দেহ নেই । আর যাদের পিসি নেই তাদের জন্ন্য বহু উপকারি এই সফটওয়্যারগুলো।কোন টিঊটরিয়াল দেওয়ার দরকার আছে বলে মনে হয় না কারন যাদের ওয়েবসাইট আছে তারা যানেন কিভাবে এফটিপি কনফিগার করতে হয় । নিচে শুধু স্ক্রিনশটসহ সফটওয়্যার এর ডাওনলো্ড এর লিঙ্ক দিলাম।
SicFtp[for symbian]
Sic ftp সফটওয়্যারটি সিম্বিয়ান অপারেটিং সিষ্টেম এর জন্য । ব্যাবহার খুব সহজ ।
ফাইল আপলোড,এডিট,কপি,পেস্ট,নতুন ডিরেক্টরি তৈরি মোটামোটি সব কাজ ই করা যায়।

Tune by Gmshovo
Download Link
MobyXplorer[for java]
এটি জাভা অপারেটিং সিষ্টেম এর জন্য । সিম্বিয়ান অপারেটিং সিষ্টেম এ ও চলে। Sic ftp সফটওয়্যারটি থেকে এটিকে অনেক অ্যাডভান্স মনে হয়েছে আমার কাছে।
ফাইল আপলোড,এডিট,কপি,পেস্ট,নতুন ডিরেক্টরি তৈরি,ফাইল এনক্রিপ্ট করা প্রায় সব ধরনের কাজ ই করা যায়।


Download Link
ভাল লাগলে কম্মেন্ট করবেন ।

Java Supported মোবাইল এর জন্য অসাধারণ একটি সফটওয়্যার

এই পোস্টটা জাভা মোবাইল ব্যাবহারকারি দের জন্য। অনেক কাজের একটা সফট BlueFTP ব্লু এফ টি পি।
কি কি করতে পারবেন:
১/ ব্লুথুট দিয়ে ফাইল আদান প্রদান করতে পারবেন ।
২/ আপনার বন্ধুর মেমরি কার্ড এর সব ফাইল দেখতে পারবেন আপনার হ্যান্ডসেট এ না এনে
৩/থিম এডিট কর্তে পারবেন ও আপনার ইচ্ছা মতো ওয়ালপেপার স্কীনসেভার এড করতে পারবেন
৪/ জাভা সফ্টোয়ার এডিট করতে পারবেন
৫/যিপ ফাইলে কে আন যিপ বা রার ফাইল কে আনরার করতে পারবেন।
৬/ যে কোনো টেক্স্ট ফাইল পড়তে পারবেন।
৭/ আপনার যে কোনো ফোল্ডার বা ফাইল লুকিয়ে রাখতে পারবেন

জাভা হ্যান্ডসেট এর জন্য এন্টিভাইরাস নাই আপনি চাইলে খুব সহজেই এটা দিয়া ভাইরাস ডিলেট দিতে পারবেন ফাইল ম্যানাজার এ প্রবেশ করুন্ ভাল করে দেখুন অটো রান .exe thumbs ba recycle খুজে পান কিনা যদি পান মেনু থেকে item attributes select করুন Read Flag And Write flag থেকে টিক চিন্হ তুলে দিন এবার মেনু তে ক্লিক করে ডিলেট এ করুন্ এটা শুধু জাভা ফোনের জন্ন্য
ডাউনলোড লিংক-
http://joybd.com/gallery/show-47457-BlueFTP.html 
ধন্যবাদ ।

কিভাবে wap বা মোবাইলের জন্য ওয়েবসাইট তৈরী করবেন…

মোবাইল ওয়েবসাইটগুলো বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয় মোবাইল ফোনের মত ডিভাইসে দেখানোর জন্য। আপনি সম্পূর্ন নতুন ওয়েবসাইট বানাতে পারেন আবার আপনার যে নিজস্ব ওয়েবসাইটটি আছে সেটিকে মোবাইল ওয়েবে দেখানোর ব্যবস্হা করতে পারেন। এজন্য কিছু মোবাইল ওয়েবসাইট বিল্ডার আছে যেগুলো আপনাকে এই কাজে সাহায্য করবে। নীচে সংক্ষেপে এগুলো আলোচনা করা হল:
১. মোবিসাইটগ্লোরি: এটা ওয়েব নির্ভর একটা মোবাইল ওয়েবসাইট বিল্ডার যা একজন নতুন ইউজারকেও দ্রুত ও সহজেই একটা ফুলফিচার্ড ওয়েবসাইট বানাতে সাহায্য করবে। মোবিসাইটগ্লোরির মাধ্যমে ইউজাররা কোনরকম টেকনিক্যাল নলেজ ছাড়াই, ওয়েবসাইট তৈরীর কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়া মোবাইল ওয়েবসাইট বানাতে পারবে। সবচেয়ে বড় কথা হল এ জন্য তাকে কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড বা ইন্স্টল করতে হবেনা। মোবিসাইটগ্লোরি ইউজারদের পেপাল, গুগল চেকআউট ও বেঙ্গোর মাধ্যমে মোবাইল কমার্সের সুযোগ দেয়। এটি ইউজারদের তাদের সাইটের ট্রাফিক পর্যবেক্ষণের সুযোগ দেয় গুগল এডসেন্সের সহায়তায়।
২. ওয়্যারনোড: এটা একটা মোবাইল ওয়েবসাইট বানানোর টুলস। ওয়্যারনোডের সাহায্যে ইউজার যে কোন ওয়েবসাইটকে ৫ মিনিটের মধ্যেই মোবাইল ভার্সনে পরিনত করতে পারে। ইউজারকে শুধু আরএসএস ফিড নির্বাচন করে প্লাগিনের মতো ইউজ করে নাম পরিবর্তন করে পাবলিস করে দিতে হবে। এটা ব্যবহার করে আপনি অনেকগুলো পেজের সাইট তৈরী করতে পারবেন, ছবি সেট করতে পারবেন, গুগল থেকে সার্চ দিয়ে ছবি নিয়েও সাইটে লাগাতে পারবেন, টেবিল অফ কন্টেন্ট ও সাধারণ টাইপের উইডগেট সেট করতে পারবেন আপনার সাইটে।
৩. মাস্টারিং গ্রেইলস: এটা আধুনিক ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক যা জাভা টেকনোলজির সাথে যুক্ত। মাস্টারিং গ্রেইলস দিয়েও মোবাইল ওয়েবসাইট তৈরী করা সম্ভব।
৪. টিউটোরিয়াল: এটা আপনাকে বলে দিবে কিভাবে ৫ মিনিটের মধ্যেই মোবাইল ওয়েবসাইট বানাবেন বা আপনার ওয়েবসাইট, ব্লগ বা ফোরামটিকে ডব্লিউএপি সাইটে রূপান্তরিত করবেন।
৫. ওয়াপেল কেনভাস টিএম জেস্ট: এটা একটা মোবাইল ওয়েবসাইট বানানোর টুল যা ৩১শে মার্চ ২০০৮ এ উন্মোক্ত করা হয় সবার জন্য। ওয়াপেল কেনভাস টিএম জেস্ট ব্যবসায়ী, মোবাইল কমার্স, মোবাইল স্টোর, খবর, তথ্য আদান প্রদান এবং মোবাইল এডভার্টইজমেন্টের জন্য উপযোগী।
এবার আপনি পছন্দসই যে কোন একটির সাহায্যে আপনার মোবাইল ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবেন খুব সহজেই। undefined

আনলিমিটেড কল রেকর্ড করুন বিপ ছাড়াই ! :D

সময় অসময় কখন কি হতে চলেছে তা কেউ বলতে পারে না। বর্তমান জিনিসটা কখন যে অতীত হয়ে যাচ্ছে তা টেরই পাওয়া যায় না। কখনো কখনো অতীতের কোন বিশেষ জিনিস কোন কারণে সংগ্রহে না থাকলে আফসোস হয়।
আজকের এই postundefined আমি আপনাদের অতীত ফিরে পাওয়ার কোন পদ্ধতি কৌশল বর্ণনা করব না। তবে বর্তমান সময়ে আপনার প্রতিদিনের কল রেকর্ডগুলি সংরক্ষণ করার জন্য একটি দারুন এপ্লিকেশন এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেব।
এপ্লিকেশনটির নাম Total Recall। আমার মতে এটি একটি শ্রেষ্ট কল রেকর্ডার।
undefined

সুবিধাসমূহঃ

  • রেকর্ডের সময় বিপ হয় না
  • কল এলে সয়ংক্রিয়ভাবে রেকডিং শুরু করতে পারে (ম্যানুয়ালীও করতে পারবেন)
  • আনলিমিটেড রেকর্ডিং করতে পারে (যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার মেমেরীর জায়গা ফুরাবে না)
  • অপশন থেকে কল রেকর্ড শেসে সয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ডটি MMS কিংবা E-mail এ পাঠাতে পারে (ম্যানুয়ালীও পাঠাতে পারবেন)।
  • কল রেকর্ডিং ছাড়াও আপনি এপ্লিকেশনটির সাহায্যে ভয়েস রেকর্ড করতে পারবেন
  • তাড়াতাড়ি কোন কিছু রেকর্ড করার জন্য সর্টকার্ট বাটন তৈরী করতে পারবেন
  • এপ্লিকেশনটিকে পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখতে পারবেন যাতে অন্যরা রেকর্ডগুলা না শুনতে পারে
  • সারাজীবন ফ্রিতে এপ্লিকেশনটি আপডেট করতে পারবেন ইত্যাদি আরও অনেক কিছু

উপযোগিতাঃ

সিমবিয়ান

  • 3rd Edition
  • 5th Edition
  • S^3 Edition
  • S^4 (Anna, Nokia Belle)

ডাউনলোডঃ

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

এই কল রেকর্ডারটিতে সাধারণত বিপ হয় না। তবে তারপরও যদি কারও ফোনে রেকর্ডের সময় বিপ করে তাহলে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুনঃ
  • প্রথমে এখানে ক্লিক করে “Record Tone OFF” নামকটি প্যাচটি ডাউনলোড করে নিন
  • ডাউনলোড শেষে আপনার মেমোরী কার্ডে Patches নামক একটি ফোল্ডার তৈরী করুন প্যাচটি সেই ফোল্ডারে কপি করুন।
  • আপনার ফোনের এপ্রিকেশন থেকে ROMPatcher+ () এপ্লিকেশনটি চালু করুন
  • Record Tone OFF নামক Patch টি এপ্লাই করুন এবং অপশন থেকে অটোতে নিয়ে নিন।

  • এখন যেকোন কল রেকর্ডার দিয়ে রেকর্ড করলেও আর কখনো বিপ করবে না।

facebook এ photo album তৈরি করুন আপনার মোবাইল দিয়ে

আমরা সবাই জানি যে facebook এ মোবাইল দিয়ে photo album তৈরি করা যায় না। pc লাগে। কিন্তু আমি আজ আপনাকে বলবো কিভাবে খুব সহজে আপনি fb তে আপনার ছবির album তৈরি করতে পারবেন তাও আবার মোবাইল দিয়ে।
চলুন তবে শুরু করি

1
০১
2
০২
3
০৩

১. প্রথমে এই ওয়েব সাইটে টি তে যান।

২. site টি তে গেলে তা autometically আপনার fb account detect করবে। অথবা আপনাকে log in করতে বলবে। (এই site নিয়ে আপনার চিন্তার কিছু নাই। এটা পুরাই fb app)
৩. এখানে আপনাকে প্রথমে আপনার basic information এর জন্য এবং আরো অনেক কিছু তে permission চাবে। আপনি সব গুলোতে accept এবং proceed করবেন।
৪. সব কিছু করা হলে আপনার একটি profile আসবে। সেখান থেকে manage album এ click করুন। click করলে দেখবেন যে আপনার fb তে যে photo album গুলা আগে থেকেই আছে ওগুলা দেখাচ্ছে।
০৬
                                                  
০৭
                                                 
৫. এখন create এ click করুন। তারপর আপনার পছন্দ মতো album name এবং album caption দিন।
০৮
৬. Album তৈরি হলে এখন media upload এ click করুন। আপনি photo এবং video upload করতে পারবেন।
০৯
৭. এখন নিচের চিত্রের মতো page আসবে। ওয়খান থেকে আপনার তৈরিক্রিত বা পছন্দের album টি select করে আপনার photo upload করুন।
১০
site টির আরো কিছু সুবিধা হলো…
১. facebook এর notification দেখতে পারবেন।
২. Friend list এবং আরো অনেক কিছু দেখতে পারবেন।
৩. fb তে status post করতে পারবেন।
বুঝতে না পাড়লে comment করুন।
ধন্যবাদ।

জেনে নিন আপনার মোবাইল এর কোয়ালিটি ( নকিয়া )


বাজারে নকিয়ার সেটই সবচেয়ে জনপ্রিয়, আর এই জনপ্রিয়তাকে পুজি করে এক শ্রেনীর অসাধু আমদানীকারক নিম্নমানের নকিয়া সেট এনে আপনাকে প্রতারিত করছে। আসুন দেখি কিভাবে আপনার সেট এর কোয়ালিটি ভাল মন্দ যাচাই করবেন।
*#06# চাপুন। এতে করে আপনার মোবাইল এর ১৫ ডিজিট এর আই এম ই নম্বার পাবেন।
নোট: আই. এম. ই = ইন্টারন্যাশনাশ মোবাইল ইকুইপমেন্ট।
এখন উক্ত সিরিয়াল নম্বার হতে সাত ( ৭ ) এবং আট ( ৮) নং ডিজিট এর মান হতে আপনার সেট এর মান/ কোয়ালিটি জানতে পারবেন।
IME NO123456789101112131415
XXXXXX??XXXXXXX

সাত এবং আট নং ডিজিট যদি 02 বা 20 হয় , এটা এর এসেম্বলিং আমিরাত ( যাকে আমরা ডুবাই বলে ডাকি) এবং এর কোয়ালিটি খুবই খারাপ। [ অধিকাংশ সেটই ডুবাই/ আমিরাতের এসেম্বলিং করা, যা আমার চায়না হিসাবে জানি]
সাত এবং আট নং ডিজিট যদি 08 বা 80 হয় ,মানে হল এর ম্যানুফেকচারিং দেশ র্জামানী এবং এর কোয়ালিটি মোটামুটি মানের।
সাত এবং আট নং ডিজিট যদি 01 বা 10 হয় ,মানে হল এর ম্যানুফেকচারিং দেশ ফিন্সল্যান্ড এবং এটি খুবই ভাল কোয়ালিটির।
সাত এবং আট নং ডিজিট যদি 00 হয় ,মানে হল এটা অরজিনাল ফ্যাক্টরী হতে উতপাদিত (বানান ঠিক নাই) আর এটাই হলো সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ভাল কোয়ালিটির সেট।
সাত এবং আট নং ডিজিট যদি 13 হয় , মানে হল এর ম্যানুফেকচারিং দেশ আজারবাইযান এবং এর কোয়ালিটি খুবই খবুই নাজুক এবং এটা ব্যবহারে স্বাস্থগত সমস্যার সৃষ্ট হতে পারে।

আপনার মোবাইল দিয়ে আপনার কম্পিউটারকে সম্পুর্ণভাবে কন্ট্রোল করুন

মোবাইল দিয়ে অনেকেই নিজের কম্পিউটার কন্ট্রোল করেছেন । আমি নিজেও করেছি । কিন্তু Telexy Networks এর SymRDP প্রোগ্রামটি রিমোট ডেস্কটপকে নতুনভাবে পরিচয় করে দিয়েছে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর কাছে ।



আপনারা যারা মোবাইলে সিমবিয়ান অপারেটিং এর ৫ম ভার্সন ব্যবহার করেন তারা তাদের মোবাইল ফোন দিয়ে নিজের কম্পিউটার অথবা অফিসের কম্পিউটারকে সম্পূর্ণভাবে ব্যবহার করতে পারবেন । SymRDP প্রোগ্রামটি টাচ স্ক্রীন সাপোর্ট করে, তাই আপনার মোবাইলে টাচ করে মাউস মুভ করা থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ কিবোর্ড ও ব্যবহার করতে পারবেন । এবং আপনারা মোবাইল দিয়ে কম্পিউটারের গেমও খেলতে পারবেন ।
যেসব মোবাইল ফোন সাপোর্ট করবে সেগুলো হলো …
  • Nokia 5230
  • Nokia 5235 Comes With Music
  • Nokia 5530 XpressMusic
  • Nokia 5800 Navigation Edition
  • Nokia 5800 XpressMusic
  • Nokia N97
  • Nokia N97 mini
  • Nokia X6
  • Samsung i8910 HD
  • Series 60 5th edition
  • Sony Ericsson Satio (Idou)
  • Sony Ericsson Vivaz
সুতরাং যারা সিমবিয়ান অপারেটিং এর ৫ম ভার্সনসহ মোবাইল ব্যবহার করেন তারা আজই ভিজিট করুন Telexy Networks SymRDP এর ওয়েবসাইট এবং ডাউনলোড করে উপভোগ করুন রিমোট ডেস্কটপের মজা ।

আসুন মোবাইল নাম্বার দিয়ে বিশ্বের যেকোন মানুষের অবস্থান জেনে নেই !!!!

শুনেই মনে হয় মাথা খারাপ হয়ে গেল, তাই না ? একদিন আমার ইচ্ছা হলো ইন্টারনেটের মহাসমুদ্রে এমন কিছু পাওয়া যাই কিনা যেখানে মানুষের মোবাইল নাম্বার জানা থাকলে সেটা ব্যবহার করে মানুষটির অবস্থান জানা যায় কিনা । যেই চিন্তা সেই কাজ । শুরু করে দিলাম সার্চিং । এক পর্যায়ে পেয়ে গেলাম একটা সাইট যেখানে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে এই সার্ভিস পাওয়া যায় । আমি প্রথমে নিজের নাম্বার দিয়ে সার্চ করলাম । এবং সার্চ করে যে রেজাল্ট পেলাম তা এক কথায় অসাধারণ ..
undefined
আপনি যদি এই সার্ভিস ফ্রি পেতে চান তাহলে এখুনি ভিজিট করুন মোবাইল ফোন ট্রাকিং এর সাইট । ভিজিট করার জন্য এখানে ক্লিক করুন
আশা করি আপনারা মজা পাবেন ।

যে দশটি জিনিস আপনি ফেসবুকে কখনই করবেন না


১. বিব্রতকর ছবিতে কখনই কোনও বন্ধুকে ট্যাগ করবেন না
বিব্রতকর অবস্থায় আমরা জীবনে কে না পড়ি? সবাইকেই কম বেশি পড়তে হয়। একটা সময় ছিল, যখন আপনা বিব্রতকর অবস্থায় পড়লেও তেমন কোন মানুষ জানতে পারতো না। একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে। কোনও একটা পার্টিতে গিয়েছেন। হয়তো আপনার একজন বন্ধু কখনই ড্রিংক করেন না; কিন্তু সেদিন কিভাবে যেন একটা গ্লাস হাতে তুলে নিলেন। আর যায় কোথায়! আপনি ছবি তুললন। তারপর আপলোড করে দিলেন ফেসবুকে। তারপর বন্ধুটিকে করলেন ট্যাগ। ব্যস। সেটা তখন দেখতে পেলো তার পরিবার, অফিসের বস এবং আরো অনেকেই। কোনও বন্ধুকে এভাবে বিব্রত করবেন না। এমন করতে থাকলে, ধীরে ধীরে আপনি একা হয়ে যাবেন। এবং এক পর্যায়ে আপনাকেও এমন কিছুর মুখোমুখি হতে হবে।
২. মানুষকে মাত্রারিক্ত গেম/কুইজ/গ্রুপ রিকোয়েষ্ট পাঠাবেন না
ফেসবুকে অন্যদেরকে আপনার পছন্দের গেম কিংবা কুইজ অথবা কোনও গ্রুপে যোগ দেয়ার জন্য অনুরোধ পাঠানো খুবই সাধারন একটি বিষয়। তবে, এটা মাত্রারিক্ত করবেন না। কাউকে বারবার এসব অনুরোধ পাঠানো, আর বাস্তবে তার মুখের উপর গিয়ে ঘ্যানর ঘ্যানর করার মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই। এটা খুবই বিরক্তিকর একটি কাজ। নিজেকে সেই বিরক্তকর পরিস্থিতে ফেলা কি ঠিক হবে?
৩. আপনার প্রোফাইলের ছবিটি আপনার নতুন জন্মনেয়া শিশুর ছবি দিয়ে রিপ্লেস করবেন না
আমরা প্রায়শই নিজের সদ্য জন্ম নেয়া শিশুর ছবি দিয়ে দেই নিজেদের প্রোফাইল ছবিতে। কিছু কিছু মা-বাবা আছেন যারা হয়তো গোটা পৃথিবীর ৭০০ কোটি মানুষকে জানাতে চান, তারা একটি বাচ্চা জন্ম দিয়ে কতই না বুদ্ধিমানের মতো কাজ করেছেন।
মার্ক জুকারবার্গ এই ফেসবুক তৈরী করার আগে এই ধরনের মা-বাবাদের হাতে দুটো অপশন খোলা ছিল – ক). হাজারো মানুষের ইমেল ইনবক্স তারা ছবি পাঠিয়ে ভরে রাখতো; নয়তো খ). বিভিন্ন মানুষকে টেলিফোন করে বুঝানোর চেষ্টা করতো তাদের নবজাতকটি কেন আইনষ্টাইনের মতোই এই গ্রহের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এখন তাদের জীবনে যোগ হয়েছে তৃতীয় মাধ্যম – ফেসবুক। আপনি আপনার প্রোফাইল পিকচারটিতে আপনার নবজাতকের ছবি বসিয়ে দিয়ে সবাইকে এটাই জানিয়ে দিলেন যে, আপনি একজন বয়স্ক মানুষ। স্কুল জীবন থেকে আপনার অনেকগুলো বছর পেড়িয়ে গেছে। মানুষ ভাবতে শুরু করে, আপনি বুড়িয়ে গেছেন। আর পাশাপাশি, যাদের বাচ্চা নেই আপনি তাদের ইমোশনকে আঘাত করছেন। তাই, এটা করা থেকে বিরত থাকুন।
৪. প্রতিনিয়ত দুঃখের স্ট্যাটাস দিবেন না
কিছু কিছু মানুষ আছে, তাদের কাছে প্রতিটা দিনই যেন একটি খারাপ দিন – অন্তত তাদের স্ট্যাটাস পড়লে তাই মনে হবে। সেসকল স্ট্যাটাসের অনেকগুলোই হয়তো খুব মন খারাপ কিংবা হতাশা থেকে লেখা হয়েছে। কিন্তু আপনি নিশ্চিত থাকুন যে, আপনার এই স্ট্যাটাস কেউ না কেউ আবার ব্রডকাস্ট করছে। এবং সেই হতাশা অন্যদের মাঝেও ছড়িয়ে দিচ্ছে।
আপনি যদি এমন হতাশার মূলটা হোন, তাহলে সেটা করা থেকে বিরত থাকুন। এক্ষেত্রে নীচের সূত্রটি মনে রাখবেন – যদি আপনার প্রিয় কোনও মানুষ মারা যায়, কিংবা আপনার চাকুরীটি চলে যায়, তখন আপনি অবশ্যই বন্ধুদের কাছে সমবেদনা চাইবেন। কিন্তু আপনি আপনার একটি নখ ভেঙ্গ ফেললেন, কিংবা বাস মিস করলেন, কিংবা পায়ে হালকা ব্যাথা পেলেন – এই কষ্টগুলো নিজের ভেতর বহন করতে শিখুন। এই সব কষ্ট সবার সাথে শেয়ার করবেন না।
৫. অফিসের বসকে কিংবা সহকর্মী/বন্ধুদেরকে হেয় করে কোনও মন্তব্য বা স্ট্যাটাস দিবেন না
অফিসের বসকে হেয় করে কথা বলা সব সময়ই খুব ঝুকিপূর্ণ। ফেসবুকে আমরা অনেকেই তাড়াহুড়ো করে ইমোশনাল হয়ে মন্তব্য বা স্ট্যাটাস লিখে ফেলি। কিন্তু সেই মন্তব্য বা স্ট্যাটাসের কারণে আপনাকে সেই অফিস থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে বাসায় চলে আসা লাগতে পারে; এবং সেটা অন্যান্য সহকর্মীদের সামনে দিয়েই।
আপনার যখন একটি কাজে ব্যস্ত থাকার কথা, তখন আপনি সেই কাজটিকে সমালোচনা করে মন্তব্য বা স্ট্যাটাস দেয়াটা খুবই খারাপ একটি বিষয়। ধরুন, আপনার একটি রিপোর্ট তৈরী করার কথা যা আপনার মন মতো নয়; এবং আপনি স্ট্যাটাস দিলেন, “ধ্যুৎ, রিপোর্ট লেখা একটা শয়তানের কাজ!” – ব্যাস। আপনার বসের চোখে সেটা পড়বেই। আর তখুনি যদি সেটা চোখে না পড়ে, আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন, দু-তিন দিনের ভেতরই কেউ না কেউ তাকে সেটা জানিয়ে দিবেনই। তখন আপনার ওখানে কাজ করাটাই অসম্ভব হয়ে উঠবে।
৬. আপনার ছেলেমেয়ে, ভাগ্না/ভাগ্নি, ভাতিজা/ভাতিজী ইত্যাদি কাউকে ফ্রেন্ড অনুরোধ পাঠাবেন না
খুবই অবাক হচ্ছেন, তাই না? একটু ভেবে দেখুন – ফেসবুক কিভাবে শুরু হয়েছিল? ফেসবুক শুরু হয়েছিল হার্ভার্ডের ছাত্রছাত্রীদের নিজেদের ভেতর ছবি শেয়ার করার জন্য। তারপর সেটা ছড়িয়ে গেলো আমেরিকার অন্যান্য কলেজে, তারপর পৃথিবীর অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে, স্কুলে এবং যাদের বয়স ১৩-এর উপরে তাদের সবার ভেতর। তার অনেক পরে এসে আপনার মামা, চাচা কিংবা মা এটা বুঝতে পেরেছে এবং যুক্ত হয়েছে।
যখন কিশোরদের কোনও বিষয় মা/বাবারা পছন্দ করতে শুরু করেন, সাধারনত ধরে নিতে হয় যে, ওই ট্রেন্ডটার ওখানেই মৃত্যু হলো। তবে ফেসবুক এখনো সেই অবস্থায় পৌছুয়নি। এখনও এটি বুড়ো এবং যুবা – সবাই পছন্দ করছে। এবং কিছু কিছু অতি সচেতন মা/বাবা তাদের সন্তানরা ফেসবুকে কী করছে সেটা দেখার জন্য তাদেরকে বন্ধু হিসেবে যোগ করেন। আর বিপদটা সেখানেই। আপনি নিজে কি চাইবেন আপনার বন্ধুদের সাথে যাবতীয় আলাপ আপনার মা/বাবা শুনে ফেলুক? কিংবা আপনি বন্ধুদের নিয়ে কোথাও একটু বৈচিত্র করতে গিয়েছেন, সেই ছবি আপনার মা/বাবা দেখুক? যদি সেটা না চান, তাহলে ধরে নিন, আপনার ছেলেমেয়েরা কিংবা ভাগ্নে/ভাগ্নিরাও সেটা চায় না।
৭. পুরনো প্রেমিক/প্রেমিকার পিছু নেবেন না
সম্পর্ক গড়ে, সম্পর্ক ভাঙ্গে – এটাই মানুষের ধর্ম। কোনও সম্পর্কই সারাটা জীবন এক রকম থাকে না – সেটা কখনও আপনার দিক থেকে, কখনও অপর দিক থেকে। যে কোনও কারণেই হোক, আপনার হয়তো সম্পর্কটি আর টিকলো না – অনেক কষ্টে আপনি নিজেকে এমন একটা জায়গায় আনলেন যেন, আপনি আবার নতুন করে ভালোবাসার জন্য প্রস্তুত।
আপনি নতুন সম্পর্কে জড়ালেন। তার সাথে নতুন স্মৃতি তৈরী হচ্ছে। পুরনো সব কিছু ফেসবুকের পাতা থেকে মুছে ফেলেছেন। এমনকি, পুরনো প্রেমিক/প্রেমিকাকে “আনফ্রেন্ড”-ও করে ফেলেছেন। নতুন সম্পর্ক নিয়ে আপনি ডুবে আছেন।
কিন্তু হঠাৎ কী মনে হলো, আপনি দেখতে চাইলেন আপনার পুরনো মানুষটি কেমন আছে! আর তখুনি ঘটবে যত বিপত্তি। কখনও সিনেমা দেখতে গিয়ে, কিংবা শপিং মলে গিয়ে পুরনো মানুষের সাথে হুট করে দেখা হয়ে গেলে আপনি যেমন কিছুটা সময়ের জন্যও পুরনো সময়ে হারিয়ে যাবেন, ফেসবুকেও তাই। এবং সেটা আরো বেশি মাত্রায়, কারণ ফেসবুকে খুব সহজেই আপনি আপনার পুরনো মানুষকে খুঁজে পাবেন, সে কোথায় গেলো, কার সাথে মিশছে, কোথায় ডিনার করতে যাচ্ছে, কার সাথে লং ড্রাইভে যাচ্ছে – ইত্যাদি সব কিছুই আপনাকে তাড়া করে বেড়াবে। ভুলেও ফেসবুকে পুরনো সম্পর্কের পিছু নেবেন না। আপনার জীবন পুড়ে ছাড়খার হবে।
৮. বুঝতে অসুবিধা হয় এমন স্ট্যাটাস লিখবেন না
আমরা প্রায়শই দেখি, মানুস স্ট্যাটাস লিখেছ হরেক রকমের সিম্বল দিয়ে, হাসির চিহ্ন, এক্স, এক্স ইত্যাদি – যা বুঝতে সেটা পড়তে হয় কয়েক বার। এমন দুর্বোধ্য স্ট্যাটাস দিয়ে নিজেকে সবার সামনে ছোট না করে, পরিস্কার ভাষায় স্ট্যাটাস দিন।
৯. হুট করেই রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস “সিঙ্গেল” করার মাধ্যমে কাউকে ডাম্প করবেন না
সম্পর্ক ভাঙ্গতেই পারে। তবে একটি সাধারন সম্পর্ক ভেঙ্গে দুটো মানুষের ভেতর যে পরিমান কথা এবং ইমোশন যুক্ত থাকে, হুট করে ফেসবুকে “সিঙ্গেল” লিখে দিলেই সেটা শেষ হয়ে যায় না। এটা খুবই ছোটমানুষী। নিজেকে সবার সামনে ছোটমানুষ হিসেব তুলে ধরার প্রয়োজন নেই।
সম্পর্ক ভাঙ্গার ঘোষনা দেয়ার জায়গা ফেসবুক যেন না হয়। একটি সম্পর্ক ভেঙ্গে গেলে কিছুটা সময় নিয়ে, ধীরে সুস্থ্যে আপনার স্ট্যাটাস আপডেট করুন। কিন্তু ফেসবুকে এসে সম্পর্ক ভাংবেন না।
১০. একদম অপরিচিত কাউকে বন্ধু বানাবেন না
আপনি নিশ্চই একটি খাবারের দোকানে গিয়ে কাউকে দেখে তাকে জিজ্ঞেস করবেন না, আমি কি তোমার বন্ধু হতে পারি? আপনার কাউকে ভালো লাগলে হয়তো, তার সাথে সৌজন্য কা বলবেন, তাকে চেনার চেষ্টা করবেন, তারপর হয়তো কখনও সেটা বন্ধুত্বে রূপ নিতে পারে। কিন্তু এই কাজটি আমরা হরহামেশাই ফেসবুকে করে থাকি। একদম অজনা মানুষকে আমরা বন্ধু হিসেবে যোগ করে ফেলি।
ফেসবুকে এমন লক্ষ লক্ষ মানুষ আছেন যারা অপরিচিত মানুষকে বন্ধু রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে থাকেন। এবং তারা মনে করেন, এটা ঠিক একটি কাজ। তাদের ধারনা ভুল। এটা মোটেও ঠিক কোন কাজ নয়। কোনও অপরিচিত কারো সাথে যদি বন্ধুত্ব করতে হয়, তাহলে তাকে রিকোয়েষ্ট পাঠানোর সাথে কারনটিও ব্যাখ্যা করুন।
আশা করছি আপনারা এগুলো মেনে চলবেন; এবং নিজেকে সুন্দরভাবে কোটি কোটি মানুষের সামনে তুলে ধরবেন।

এবার হ্যাক করুন যে কোন ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড

যারা হ্যাকিং কখনো করেন নি তাদের জন্য প্রাথমিক টুল হচ্ছে কি - লগার ।
এখন বলি কি এই কি-লগার । কি - লগার হচ্ছে এমন একটি টুল যার মাধ্যমে আপনি
নির্দিষ্ট একটি কম্পিউটারে কি - বোর্ড দ্বারা কি টাইপ করা হচ্ছে সব কিছু একটি ফাইলে
রেকর্ড করে রাখতে পারেন । উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি সেই কম্পিউটারের ইউজারটি
ইয়াহু মেইলে লগইন করছে । এখন সে কি বোর্ডে তার আইডি এবং পাসওয়ার্ড টি টাইপ করল
সাথে সাথে কি - লগার টি কি টাইপ করা হয়েছে সব কিছু রেকর্ড করে ফেলবে । সাধারণত পাসওয়ার্ড
ফিল্ডে কিছু টাইপ করলে তা স্টার চিন্হ আকারে দেখায় কি কিন্তু কি - লগারের মাধ্যমে সেই স্টার চিন্হর পেছনে
কি লুকিয়ে আছে তা আপনি জানতে পারবেন । ভয়ঙ্কর তাইনা । এসব কি লগারের প্রস্তুত কারক যারা তারা এগুলোকে
তৈরী করেন অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের প্রতি নজরদারী করবার নামে । এটি সত্য বটে । এটির মাধ্যমে আপনার
সন্তান নেটে বসে কি করছে , কি ছবি দেখছে , কি সাইট ভিজিট করছে , কি ছবি দেখছে , কার সাথে চ্যাটিং এ পিরিত
করছে সব জানতে পারবেন । অথচ আপনের সন্তান কিছুই জানবেনা । এই উদ্দেশ্য নিয়ে এটি তৈরী হওয়া সত্বেও
এটি কে হ্যাকিং এর জন্যই বেশীর ভাগ ব্যবহার করা হয় ।
ধাপ-১ কী-লগার সেটাপ করা
প্রথমেই আমরা আমাদের কম্পিউটারে আর্ডামেক্স কী-লগার সফটওয়্যারটি ইন্সটল করব। এটি ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন।
http://www.mediafire.com/?e48q6beqx8wubj9
ডাউনলোডের পর ইন্সটল করে নিন। এর ইন্সটল প্রক্রিয়া অন্য সকল সফটওয়্যারের মতই। যখন আপনি ইন্সটল করা শেষ করবেন তখন লক্ষ্য করবেন আপনার সিস্টেম ট্রে-তে একটি নোটপ্যাড আইকনের মত কি যেন দেখা যাচ্ছে। আসলে এটিই আর্ডাম্যাক্স কী-লগার। চিন্হটিতে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে Enter Registration Key তে ক্লিক করুন।
এবার আপনি আর্ডামেক্সের যে প্যাকেজটি ডাউনলোড করেছেন সেখানে দেখুন সিরিয়াল কী দেয়া আছে। নাম ও রেজিষ্ট্রেশন কী বসিয়ে ওকে করুন। ব্যাস হয়ে গেল কী-লগার সেটাপ।
ধাপ-২ কী-লগার ইঞ্জিন তৈরী করা
এখন আমার কী-লগার ইঞ্জিন তৈরী করব যেটা এমএসএন বা বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে শিকারের নিকট পাঠিয়ে দেব। এবার আপনি সিস্টেম ট্রেতে সেই নোটপ্যাড চিন্হিত স্থানে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে দেখুন লিখা রয়েছে Remote Installation.
সেখানে ক্লিক করুন। এবার নেক্সট চাপুন। Appearance দেখতে পাবেন। এবার Additional Components এর অন্তগর্ত Log viewer এর টিক চিন্হ উঠিয়ে দিয়ে নেক্সট চাপুন।
এখন যে পর্দাটি দেখতে পাবেন সেখানের সবগুলো টিক চিন্হ দেয়া আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। কারন এটা গুরুত্বপূর্ন।
এবার নেক্সট এ চেপে Enable এ ক্লিক করুন। যেকোন পাসওয়ার্ড দিন। তারপর দেখুন সবগুলো টিক চিন্হ দেয়া আছে কিনা? এবার নেক্সট চাপুন। আপডেট করতে চাইলে টিক চিন্হ দিন না হলে উঠিয়ে আবার নেক্সট চাপুন।
এখন আপনি অপশনে চলে এসেছেন। এটা সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করে। যদি আপনি কী-লগার টিকে হিডেন রাখতে চান অর্থাৎ কেউ জানবে না যে আপনি হ্যাকিং করছেন তাহলে Start in Hidden Mode এ টিক চিন্হ দিয়ে নেক্সট চাপুন।
মনে রাখবেন যখনই আপনি নতুন কী-লগার ইঞ্জিন তৈরী করতে যাবেন তখনই কী-বোর্ড থেকে (কন্ট্রোল+সিফ্ট+অল্টার+H) চাপতে হবে।
যাই হোক আপনি এখন রয়েছেন কন্ট্রোলে। এখানে অনেকগুলো কাজ রয়েছে। নিচের চিত্র লক্ষ্য করুন।
Send Log Every ৩০ মিনিট নির্বাচন করুন।
Delivery Method এ FTP তে টিক দিন।
Send only if log size exceeds এর টিক উঠিয়ে দিন।
এবার নেক্সট চাপুন। এবার আপনি রয়েছেন FTP তে, তাই না?
তাহলে এখন আমাদের http://drivehq.com/ তে একটি একাউন্ট খুলতে হবে।
এবার wwwhome এ ক্লিক করুন। তারপর সেখানে Logs নামে একটি ফোল্ডার তৈরী করুন। এখানেই আপনি কাউকে কী-লগ করলে সেই তথ্য এসে জমা হবে।
এবার আপনার কী-লগার সেটিংসে যেখানে FTP Host লেখা রয়েছে সেখানে লিখুন http://ftp.drivehq.com/
Remote Folder এ লিখুন Logs
এবার যেখানে Username ও Password দেখায় সেখানে আপনার DriveHQ এর ইউজার ও পাসওয়ার্ড বসিয়ে দিন। এবার নেক্সট চাপুন।
কখনও আপনি আপনার DriveHQ এর ইউজার ও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করবেন না বা Logs ফোল্ডারটি ডিলিট করবেন না। এ কথাটি মনে রাখবেন।
এবার যে পর্দাটি আপনার সামনে আসবে দেখুন সেকানে সবগুলো ঘরে টিক দেয়া আছে কিনা। না থাকলে টিক দিয়ে নেক্সট চাপুন। এবার দেখতে পাবেন Screen Shots সেটিংস। এটা নিচের চিত্রের মত করে নেক্সট চাপুন। ইচ্ছে করলে আপনি সময়ের কম-বেশি করতে পারেন।
এবার আপনার সামনে ডেস্টিনেশান পাথ আসবে। অর্থাৎ কোথায় রাখবেন ইঞ্জিনটি। আমি আপনাকে My Documents এ রাখতে বলব। আপনি অন্য যেকোন স্থানে রাখতে পারেন। এবার Open the folder…… টিক চিন্হ উঠিয়ে দিন। এটা আপনার নিজেকে নিজের লগ থেকে মুক্তি দেবে। নিচের আইকন পরিবর্তন করতে পারেন। নেক্সট চাপুন। সবশেষে Finish চাপুন।
ধাপ-৩ কী-লগারকে অন্য ফাইলের সাথে বেধে দেয়া
প্রথমে এখান থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
এরপর আপনি সফটওয়্যারটি ডেস্কটপে এক্সট্রাক্ট করে Easy Binder এ ক্লিক করুন।
সফটওয়্যারটি খোলার পর লক্ষ্য করুন এর নিচের দিকে বাম দিকে একটি + চিন্হিত সবুজ বাটন রয়েছে। সেখানে ক্লিক করুন। এবার সেখান থেকে আপনার My Documents এ থাকা কী-লগার ইঞ্জিনটি এ্যাড করুন। ঠিক একইভাবে আপনি আরেকটি ফাইল এ্যাড করুন হতে পারে সেটি কোন পিকচার।
এখন আপনার প্রয়োজন হবে একটি আইকন ফাইল তৈরী করা। আইকন ফাইল তৈরী করার জন্য এই পোষ্টটি দেখুন। আপনি নিশ্চয়ই এতক্ষনে আইকন ফাইল তৈরী করে ফেলেছেন।
এবার Binder এর Settings এ যান এবং দেখুন সেখানে লিখা রয়েছে Select an Icon আপনার আইকনটির পাথ দেখিযে দিন।
সবশেষে Bind Files এ ক্লিক করুন। ব্যাস হয়ে গেল।
ধাপ-৪ HTML এর মাধ্যমে প্রচার করা
এবার আপনি এটাকে কোন ওয়েবসাইটে আপলোড করুন। এর রুট নাম পরিবর্তন করে দিন। যেমন : index.html , download.html, image.html ইত্যাদি। এবার এটাকে রিনেম করে আপনার শিকারের কাছে পাঠিয়ে দিন। যথন কেউ ওই ওয়েবসাইট ব্রাউজ করবে তখনই সে আপনার তৈরী ট্রোজান দ্বারা আক্রান্ত হবে।

ফেসবুকে চ্যাটে নিজের বা বন্ধুর প্রোফাইল পিকচার অথবা নতুন ইমোটিকন ব্যবহার করে চমকে দিন

নিজের বা বন্ধুর প্রোফাইল পিক ইমোটিকন হিসেবে ব্যবহারের জন্য আপনাকে আপনার প্রোফাইল এর নাম্বার অথবা নামের প্রথম অংশ বা প্রোফাইল লিংক এর শেষের নামটি জানতে হবে।যেমন, আমার ফেসবুকের লিংক হচ্ছে এটি এখানে গেলে শেষে projukti.in.bd আছে।যাদের এটি নেই তারা প্রোফাইল নাম্বার খেয়াল করুন।

এবার শুধু ওই লেখাগুলো আগে পিছনে দুটি করে ৩য় বন্ধনী [[projukti.in.bd]] বা [[profile number]] লিখে এন্টার দিলেই হবে।দেখবেন প্রোফাইল পিকচার ছোট হয়ে ইমোটিকনের মত দেখাচ্ছে।এটি ফ্যানপেজ বা গ্রুপের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে, যেমন, [[projukti.in.bd]] লিখলে প্রযুক্তি ইন বিডি ফ্যানপেজের প্রোফাইলে যেই পিকচার আছে,সেটি দেখাবে।একইভাবে [[google]] লিখলে গুগলের পেজের প্রোফাইল ইমেজ দেখাবে।
:arrow: আপনি যদি এর মতো কাষ্টম ইমোটিকন বানাতে চান তাহলে প্রথমে আপনাকে ওই নামে একটি একাউন্ট বা ফ্যানপেজ খুলতে হবে এরপর ইমোটিকনগুলোর বড় পিক্সেলের ছবি প্রোফাইল পিকচার হিসেবে সেট করতে হবে যাবে ইমোটিকন হিসেবে ব্যবহারের সময় সুন্দরভাবে আসে।এবার ওই পেইজের নাম বা প্রোফাইল নাম্বার বন্ধনীর মধ্যে রেখে এন্টার চাপলেই অপর প্রান্তের জন দেখতে পাবেন।
:arrow: এটা শুধুমাত্র চ্যাটে কাজ করবে কমেন্টে বা স্ট্যাটাসে কাজ করবে না।

GOOGLE TRANSLITERATION দিয়ে বাংলা লিখুন !এবার বাংলা লিখবে সবাই

প্রথমেই বলি এই বিষয় নিয়ে টিউন পূর্বে হযেছে কিনা জানিনা, হযে থাকলেও যারা জানেন না ,তাদের জন্য করছি!
পূর্বে একসময় বিজয় কিবোর্ড ,software দিয়ে বাংলা লেখা জনপ্রিয়তা পেয়েছিল , কিন্তু কিছু মানুষের বিজয় দেখলে জর আসতো,লেখা তো দুরে থাক !পরবর্তিতে অভ্র আসার পর অনেকেই হাপ ছেড়ে বাচলো , বাংলা লেখা আরো সহজ হলো এবং এখনো সেটাই চলছে ……. তবুও অভ্র দেখে পেট খারাপ হইসে এমন মানুষ কম না !! আসলে আমরা সবসময়ে সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি পছন্দ করি, আমার মনে হয় google transliteration চেয়ে সহজ আপনি পাবেন না !! আমি বিতর্কে যেতে চাইনা….তাই মূল টিউন এ চলে গেলাম
আসলে মূল টিউন বলে কিছু নাই জিনিসটা অনেক সোজা , প্রথমে এই site এ যান
http://www.google.com/transliterate/
উপরের বাম দিকের কোনায় ভাষা change করে bengali select করুন………কাজ শেষ ….
এইবার বাংলা লিখুন ……কেমনে ?
আরে ভাই যেমনে facebook এ লিখেন ! প্রেম কে লিখেন ‘prem ‘ , বন্ধু কে লিখেন ‘bondhu’ একই ভাবে ….প্রত্যেক টা শব্দ লিখে space button দাবান দেখবেন বাংলা চলে এসেছে ! যদি আপনার কাঙ্খিত শব্দ না আসে তাহলে back space button চাপেন /ওই শব্দ টা মার্ক করে mouse এর লেফট button চাপেন , দেখবেন অনেকগুলো শব্দ এসেছে সেখান থাকে select করুন ,তবুও না আসলে উপরের insert unicode characters এ যান …সেখান থেকে বর্ণ সিলেক্ট করে লিখুন ৷
ধরুন ,আমি টিউন শব্দ টা বাংলায় লিখব তাহলে -আমি লিখলাম “tune ” কিন্তু আসলো “তুনে “……হে হে কি করবেন ?! আরে ভাই সহজ হিসাব …… ‘tiun’ লিখুন দেখবেন “টিউন” চলে আসছে ….
যাই হোক আশা করি এবার আপনিও পারবেন বাংলা লিখতে আর , যদি না পারেন সমস্যা নাই কেননা কোথায় আছে -পারলে ভালো না পারলে আরো ভাল !….. (দুঃখিত….একটু মজা করলাম )মানে আস্তে অস্তে পারবেন . এতে হয়ত কিছু সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে তবু আমার মিনে হয় আপনি মজা পাবে এই পদ্ধতিতে লিখে৷
আরো ভিন্ন ধর্মী কিছু পেতে চাইলে সাথেই থাকুন। সবাই ভালো থাকবেন এই প্রত্যাশায়…..খোদা হাফেজ ৷
ও আমি তো একটা কথা বলতে ভুলে গেসি . এই ছবি টি দেখুন

download করার পর নিচে টাস্কবারে দেকুন ওখানে (EN) ল্হেকা আছেই . ওখানে ক্লিক করুন . ওখানে (EN) আর (BA) আচে (BA) দিলে বাংলা হবে আর (EN) দিলে ইংলিশ হবে . খোদাহাফেজ.

মোবাইল দিয়ে ইউটিউবের ওয়েবসাইট থেকেই HD video ডাউনলোড করুন

মোবাইল ব্যাবহারকারীরা সাধারনত YOUTUBE থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যাবহার করে থাকে।কিন্তু ওই সব ওয়েবসাইটের মধ্যে যে ভিডিও পাওয়া যায় তা অতটা ভালো কোয়ালিটির হয় না।

তাই আজকে আপনাদেরকে ইউটিউব থেকে হাই কোয়ালিটির ভিডিও ডাউনলোড করার দুইটি পদ্ধতি বলবো।
১ম পদ্ধতি:
এই পদ্ধতিতে সরাসরি ইউটিউবের ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি ভিডিও ডাউনলোড করা যাবে।এর জন্য আপনাকে অপেরা মিনি ব্যাবহার করতে হবে।১মে অপেরা মিনি থেকে ইউটিউবের ওয়েবসাইট http://www.youtube.com এ যান।এবার যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান সেটি ইউটিউব থেকে খুজে বের করে ওপেন করুন।এবার পেজের একেবারে নিচের দিকে যান।ওই খান থেকে DESKTOP VIEW ওপেন করেন।
undefined
undefined

এবার নিচের জাভা স্ক্রিপ্ট কোডটি কপি করে input address এ দিয়ে কানেক্ট করুন।

javascript:d=document;s=d.createElement("script");s.src="http://mohdfauzi84.bplaced.net/get.js";d.body.appendChild(s);void(0);

এবার দেখুন LIKE এবং SHARE অপশনের পাশে DOWNLOAD নামে নতুন একটা অপশন যোগ হয়েছে।
undefined

এবার DOWNLOAD এ ক্লিক করে শুরু করে দিন ডাউনলোড।এই পদ্ধতিতে আপনি নিম্নোক্ত ফরমেটের ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।
FLV 240p
MP4 360p
FLV 360p
FLV 480p
WebM 360p
WebM 480p
২য় পদ্ধতি:
এই পদ্ধতিতে ভিডিও ডাউনলোড করতে আগে যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান তার এড্রেসটি কপি করুন।
আমি একটা ভিডিও নিলাম।ভিডিওটার লিংক http://youtube.com/watch?gl=US&hl=en&client=mv-google&v=dtt5x546YGk
এবার ভিডিওটি ডাউনলোড করতে http:// এর পর ss যোগ করুন।
http://ssyoutube.com/watch?gl=US&hl=en&client=mv-google&v=dtt5x546YGk
এরপর যে পেজ আসবে সেখানে আবারো ভিডিওটির মেইন লিংক http://youtube.com/watch?gl=US&hl=en&client=mv-google&v=dtt5x546YGk দিন।
undefined

ব্যাস কাজ শেষ।এবারে নিচের ফরমেটে আপনি যে কোন ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।
FLV 240p
FLV 360p
FLV 480p
MP4 360p
WebM 360p
WebM 480p
3GP 240p
ধন্যবাদ সবাইকে।ভাল থাকবেন।

জাভা মোবাইল থেকেই নিন স্ক্রিনশট

আমরা অনেকেই কম মূল্যে পাওয়া যায় বলে জাভা সমর্থিত মোবাইল ব্যাবহার করে থাকি।আর সেই জাভা সমর্থিত সেটে আমরা যারা নেট ব্রাউজ করি তারা অপেরা মিনি ব্যাবহার করে থাকি।আজ আমি আপনাদেরকে দেখাব কিভাবে অপেরা মিনি দিয়ে স্ক্রিনশট নিতে হয়।
***এই স্ক্রিনশট নিতে আমাদেরকে অপেরা মিনি এর অন্য একটি ভার্সন যা 'অপেরা মোড' নামে পরিচিত সেটা ব্যাবহার করতে হবে।***
স্ক্রিনশট নেওয়ার জন্য নিচের তিনটি ধাপ অনুসরণ করুন।
১ম ধাপ:
প্রথমে আপনি অপেরা মোড ডাউনলোড করুন।আর অপেরা মোড ডাউনলোড করতে নিচের লিঙ্কে যান।
এখানে ক্লিক করুন
২য় ধাপ:
এবার এই সফটওয়ারটি ওপেন করুন।এখন MENU>TOOLS>SETTINGS>GENERAL এ যান।এখন Path for saving screenshot এ আপনি কোন ফোল্ডারে স্ক্রিনশট সেভ করতে চান তা সেভ করে নিন।
৩য় ধাপ:
এবার আপনি MENU>TOOLS>SETTINGS>navigations এ যান।এখান থেকে SHORTCUT MENU তে যান।৪৪ নম্বরে SCREENSHOT দেখতে পাবেন।এবার SHORTCUT KEY সিলেক্ট করে দিন।উদাহরনস্বরূপ * এবং 9 চাপলেই স্ক্রিনশট সেভ হবে।এবার সেভ করুন।
এখন শুরু করুন SCREENSHOT নেয়া যত পারেন।
আপনি যদি কোথাও না বুঝেন তাহলে স্ক্রিনশটগুলো দেখে নিন।
SCREENSHOT 01


SCREENSHOT 02


SCREENSHOT 03


SCREENSHOT 04

SCREENSHOT 05

মোবাইল নাম্বার হ্যাকিং

আজকে আমরা শিখব মোবাইল নাম্বারের মেসেজ হ্যাকিং।মানে হচ্ছে আপনি ইন্টারনেট থেকেই যে কারো কাছেই ভিকটিমের মোবাইল নাম্বার থেকে মেসেজ পাঠাতে পারবেন।
একটা উদাহরন দেই তাহলে আরো ভালো বুঝবেন।ধরুন,রহীম,করিম আর রাজু তিন বন্ধু।একটা ট্রিকসের মাধ্যমে রহীম খুব সহজেই করিমের মোবাইল ছাড়া রাজু কে করিমের নাম্বার থেকে মেসেজ পাঠাতে পারবে যেখানে রাজুর কাছে প্রেরিত ঐ মেসেজে সেন্ডার হিসেবে করিমের নাম্বার যাবে।কিন্তু করিম তো মেসেজ রাজুকে পাঠায় নি!!পাঠিয়েছে তো রহীম।
চলুন দেখে নেই রহীম কিভাবে করিমের কাছ থেকে করিমের মোবাইলের নিয়ন্ত্রন নিয়েছে।
কাজটা করার জন্য আপনার একটি জাভা সাপোর্টেড মোবাইলের দরকার হবে।আমরা কাজটা করবো BINU MESSENGER দিয়ে।
undefined

BINU এর সাথে সবাই কম বেশী পরিচিত।এটা একটা মোবাইল সফটওয়ার।এটা দিয়ে আপনি সাপ্তাহে ১০ টি ফ্রি মেসেজ পাঠাতে পারবেন।প্রত্যেক জিনিসের একটা ভাল আর একটা খারাপ ব্যাবহার থাকে।আমরা যদি শুধু ভাল ব্যাবহারটাই শিখি আর যদি খারাপ ব্যাবহার সম্পর্কে না জানি তাহলে আমরা কিভাবে সতর্ক হব এর খারাপ ব্যাবহার থেকে!!
হ্যা আমি আজকে বিনু এর খারাপ ব্যাবহার দেখাব।১ম আপনি এইখান থেকে আপনার মোবাইলের জন্য বিনু ডাউনলোড করে নিন।এবার আপনি new account খুলার জন্য sign up করুন।সাইন আপ করার জন্য মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন এর প্রয়োজন হয়।আর BINU নিউ একাউন্ট ভেরিফাই করার জন্য মোবাইলে একটা ভেরিফিকেশন কোডসহ একটা মেসেজ পাঠায়।আপনি যাকে ভিক্টিম বানাতে চান তার নাম্বারে একটা নতুন আইডি খুলে তার কাছ থেকে কোন ভাবে ভেরিফিকেশন কোড টি নিতে পারলেই কাজ শেষ।ভেরিফিকেশন কোডটি যথাস্থানে বসিয়ে একাউন্ট এক্টিভ করুন।১০ টা মেসেজ ফ্রি পাবেন প্রতি সপ্তাহে সেন্ড করার জন্য।এবার আপনি ও পারবেন রহীমের মত করিমের(VICTIM) নাম্বার থেকে BINU mobile software দিয়ে যে কাউকেই মেসেজ সেন্ড করতে।
undefined

একই নিয়মে এয়ারটেলের ওয়েবসাইটে ভিক্টিমের এয়ারটেল নাম্বার থেকে একটি একাউন্ট খুলে যে কোন এয়ারটেল নাম্বারে আপনি মেসেজ সেন্ড করতে পারবেন সম্পূর্ণ ফ্রি।
এছাড়া MIG33 থেকে ও নাম্বার হ্যাক করা যায় কিন্তু mig33 থেকে মেসেজ পাঠালে মেসেজের একেবারে নিচে wap.mig33.com লিখা থাকে।
বাঁচার উপায়  
মোবাইল সবসময় নিজের কাছে রাখতে চেষ্টা করুন।কারন এই কাজটি করতে লাগবে ১ মিনিটের ও কম সময়।আর বুঝতেই পারছেন যদি একবার আপনার নাম্বার হ্যাক হয় তাহলে কি হাল হতে পারে আপনার!!মোবাইলে আসা কোন ধরনের কোড কখনো কাউকে বলবেন না।
টিউনারের কথা 
যদি ও এটা খারাপ ব্যাবহার তারপর ও আপনাদের কাছে অনুরোধ এর দ্বারা কারো ক্ষতি করবেন না।এটি নিয়ে টিউন করা হয়েছে মূলত আপনাদেরকে ব্যাপারটি জানানোর জন্য।কেননা আমি বিশ্বাস করি 'হ্যাকিং কারো ক্ষতির জন্য নয়।হ্যাকিং শিখুন নিজেকে রক্ষা করার জন্য।টিউন ভালো লাগলে মন্তব্য করতে ভুলবেন না।
আল্লাহ হাফেজ।সবাই ভালো থাকবেন।

ফ্রি এসএমএস করুন ওয়ারিদ নম্বরে

যারা ওয়ারিদ ব্যবহার করেন তাদের কাছে বিনামূল্যে এসএমএস করতে পারবেন ওয়ারিদের ওয়েবসাইট (www.waridtel.com.bd) থেকে। মূলত আপনি যেকোন ওয়ারিদ নম্বর দ্বারা এই সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করলে আপনার মোবাইলে একটি এ্যাকটিভেশন কোড আসবে যার দ্বারা রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন হবে।
এরপর থেকে আপনি লগইন করে WebToSMS থেকে যেকোন ওয়ারিদে ইচ্ছামত এসএমএস করতে পারেন।
আর এখান থেকে আপনার মোবাইলের এফএনএফ যোগ, ডিলিট করতে পারবেন বিনা খরচে (তবে এফএনএফ রিপ্লেস করলে ১০ টাকা চার্জ কাটা যাবে, তার চেয়ে এফএনএফ ডিলিট করে এ্যাড করা ভাল)। আর বিনাখরচে Recharge History দেখতে Account Information জানতে Address Book নম্বর যোগ করতে পারবেন।

Facebook Twitter RSS