M.A.A. NAFISH PEEZON. Blogger দ্বারা পরিচালিত.
টিউটোরিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টিউটোরিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

AutoCAD 2008 টিউটোরিয়াল [৪র্থ-পর্ব] :: মেনু পরিচিতি নিয়ে আলোচনা

     
আসসালামুয়ালাইকুম।কেমন আছেন সবাই।আশা করি আল্লাহ্‌র রহমতে সবাই ভালই আছেন। আজ অনেক দিন পর টিউন করতে বসলাম।গত পর্বে আমরা অটোক্যাড ২০০৮ এর কাজ শুরু করার জন্যে পেইজ সেটআপ নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। এবারের পর্বে আমরা অটোক্যাড ২০০৮ এর কাজ শুরু করার জন্যে কোন একটি প্রোগ্রাম নিয়ে ভাল ভাবে কাজ করতে এবং পূর্ণজ্ঞান অর্জনের জন্য সেই প্রোগ্রামের মেনু সম্পর্কে ধারণা রাখা অত্যন্ত জরুরি। মেনু সম্পর্কে ধারণা না থাকলে কোন কাজ বা কমান্ডের প্রয়োগ দ্রুত করা যায় না। এই আসরে আপনাদের সামনে অটোক্যাডের মেনু গুলো নিয়ে আলোচনা করবো। চলুন শুরু করা যাক, অটোক্যাড এটা কাজ শুরুর প্রাথমিক ধাপ।
ফাইল মেনু
অটোক্যাডের প্রথম মেনু হচ্ছে ফাইল মেনু। মেনু বার হতে File নামের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে একটি ক্লিক করলে অথবা কীবোর্ড থেকে Alt + F কী দ্বয় একত্রে চাপলে ফাইল মেনুটি ওপেন হবে এবং এর বিভিন্ন অপশন দেখা যাবে। নিচে ফাইল মেনুর বিভিন্ন অপশন এর ছবি দেখানো হলো-

এবার আলোচনা করবো ফাইল মেনুর বিভিন্ন অপশন নিয়ে।
New : এই অপশনটি সিলেক্ট করার মাধ্যমে নতুন একটি ড্রইং ফাইল বা ডকুমেন্টস তৈরি করা য়ায়। এর একটি কীবোর্ড শর্টকাট কমান্ড আছে । কমান্ডটি হলো Ctrl + N । কীবোর্ড থেকে Ctrl এবং N কীদ্বয় একত্রে চাপলে এই অপারেশনটি সম্পন্ন করা যায়।
Open : এই অপশনটি সিলেক্ট করে পূর্বে সেভ করা কোন ফাইল ওপেন করা যায়। কীবোর্ড থেকে Ctrl + O কী দুইটি এক সাথে চেপেও এই কমান্ডটি প্রয়োগ করা যায়। এই কমান্ডটি প্রয়োগ করলে নিচের ছবির মতো Select File নামে একটি উইন্ডো আসবে।

Look in বক্সে ডিরেক্টরী এবং ফাইল সিলেক্ট করে Open বাটনে ক্লিক করলে ফাইলটি স্ক্রিনে দেখা যাবে।
Close : বর্তমানে ওপেন করা কোন ফাইল বন্ধ করার জন্য এই অপশনটি ব্যবহার করা হয়। এই অপশনটি সিলেক্ট করার পূর্বে উক্ত ফাইলটি যদি সেভ করা না হয়ে থাকে তবে ফাইলটি সেভ করা হবে কিনা এমন একটি সতর্কমূলক মেসেজ প্রদর্শিত হবে।যদি সেভ করতে চান তবে Yes বাটনে ক্লিক করুন। আর সেভ করে বের হয়ে যেতে চাইলে No বাটনে ক্লিক করুন। Cancel বাটনে ক্লিক করার মাধ্যমে কমান্ডটি বাতিল করতে পারবেন।
Partial Load : এই অপশনটি সিলেক্ট করে আংশিক ওপেন করা কোন ড্রইং ফাইলে Additional Geometry Load করা যায়।
Save: এই অপশনটি সিলেক্ট করে নতুন কোন ফাইল সংরক্ষন বা সেভ করা হয়। কীবোর্ড থেকে Ctrl এবং S কীদ্বয় একত্রে চেপে এই কমান্ডটি প্রয়োগ করা যায়। পুরাতন কোন ফাইল এডিট বা মডিফাই করার পর সেভ করার জন্য এই অপশনটি ব্যবহার করা হয়।

Save As : এই অপশনটি ব্যবহার করে নতুন কোন ফাইল সংরক্ষন করা যায় এবং পূর্বের তৈরি করা কোন ফাইল এর ডিরেক্টরী ও নাম পরিবর্তন করা যায়। Ctrl + Shift + S কী তিনটি একসাথে চেপে এই কমান্ডটি কার্যকর করা যায়।
Export : এই অপশনটির মাধ্যমে অটোক্যাডের কোন ফাইল বা অবজেক্টকে অন্য কোন প্রোগ্রামের জন্য ব্যবহার উপযোগী ফরম্যাট এ রূপান্তর করা যায়। এখানে যে সকল ফরম্যাটে এক্সপোট করা যায় এগুলো হলো – Metafile (*.wmf), ACIS (*.sat), Lithography (*.stl), Encapsulated (*.eps) DXX Extarct (*.dxx) Bitmap (*.bmp), 3D Studio (*.3ds), Block (*dwg).
এই কমান্ড প্রয়োগ করলে নিচের ছবির মতো একটি উইন্ডো আসবে।

এখান থেকে প্রয়োজনীয় ফাইল টাইপ সিলেক্ট করুন এবং নির্দিষ্ট ডিরেক্টরী সিলেক্ট করে Save বাটনে ক্লিক করুন।
Page Setup ঃ কোন ফাইল বা ফাইলের অংশ বিশেষ প্রিন্ট করার পূর্বে Page Setup করে নিতে হয়। Page Setup ডায়ালগ বক্সে Plot Device ও Layout Settings নামক দুইটি ট্যাব থাকে। Plot Device ট্যাব থেকে প্রিন্টার বা প্লটার সিলেক্ট করা হয়। Layout Settings ট্যাবে কাগজের আকার, একক, ড্রইং অরিয়েন্টেশন, প্লট স্কেল, প্লট অফসেট ইত্যাদি নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়।
Plotter Manager: এই অপশনের মাধ্যমে প্লটার যুক্ত করা যায় এবং কনফিগার করা হয়।
Plot Preview: কোন ড্রইং প্রিন্ট করলে কেমন হবে তা প্রিন্ট করার পূর্বেই দেখা হয় এ অপশনের মাধ্যমে।
Drawing Utilities: কোন ড্রইং এর ত্রুটি নির্ণয়ের জন্য এই অপশনটি ব্যবহৃত হয়। নষ্ট কোন ফাইল রিকভার করার জন্য এবং ড্রইং এর বিভিন্ন লেয়ার ও লেয়ার স্টাইল রিমুভ করার ক্ষেত্রেও এই অপশনটি প্রয়োগ করা হয়।
Drawing Properties : ওপেন করা কোন ড্রইং এর Properties সেট করে এবং প্রদর্শন করে এই অপশনটি । এই অপশনটি সিলেক্ট করলে নিচের ছবির মতো একটি উইন্ডো আসবে।

এখানে General, Summary, Statistics, Custom নামে চারটি ট্যাব রয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের তথ্য পাওয়া যায়।
Exit : এই অপশনের মাধ্যমে অটোক্যাড প্রোগ্রাম থেকে বের হওয়া যায়।
অটোক্যাডে কাজ করা বেশ সহজ। শুধু কমান্ডগুলো জেনে বারবার চর্চা করলেই হলো। আশাকরি শীঘ্রই নতুন টপিকস নিয়ে আবার ফিরে আসবো। সে পর্যন্ত ভালো থাকবেন। আর আমার জন্য দোয়া করবেন। ধারাবাহিক পোষ্টগুলো থেকে আশাকরি আগ্রহীরা অটোক্যাড সম্পর্কে মোটামুটি কাজ করার ধারণা পাবেন। ভালো লাগলে কমেন্ট জানাতে ভুলবেন না, আজ এতটুকুই।

AutoCAD 2008 টিউটোরিয়াল [৩য়-পর্ব] :: ড্রইং পেইজ সেটআপ নিয়ে আলোচনা

আসসালামুয়ালাইকুম।কেমন আছেন সবাই।আশা করি আল্লাহ্‌র রহমতে সবাই ভালই আছেন। আজ অনেক দিন পর টিউন করতে বসলাম।গত পর্বে আমরা ড্রইং স্ক্রীন পরিচিতি এবং টুলবার নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। এবারের পর্বে আমরা অটোক্যাড ২০০৮ এর কাজ শুরু করার জন্যে পেইজ সেটআপ শিখবো। চলুন শুরু করা যাক। অটোক্যাড এটা কাজ শুরুর প্রাথমিক ধাপ।
১।প্রথমে আমরা Menu Bar থেকে Format>Units এ ক্লিক করুন। নিচের মত একটি ডায়ালগ বক্স দেখা যাবে।
২। Units এ ক্লিক করার পর নিচের একটি ডায়ালগ বক্স দেখা যাবে।
৩। চলুন শুরু করা যাক Units সেটআপ: আমরা নিচের ডায়ালগ বক্স অনুসরণ করবো: প্রথমে আমরা ডায়ালগ বক্স থেকে Length Type > Architecture এ সিলেক্ট করুন, এর পর Precision > 0'-0" সিলেক্ট করুন, Insertion Scale > Inches সিলেক্ট করা থাকলে তা পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। ওকে ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন।
৪।Drawing Limits সেটআপ: আমরা নিচের ডায়ালগ বক্স অনুসরণ করবো: প্রথমে আমরা Format > Drawing Limits ক্লিক এর পর Scan এর মাউস দিয়ে ক্লিক করুন, Enter চাপুন, Shift+@ এক সাথে চাপুন এর পর 5000' লেখার পর Tap চাপুন এর পর আবার 5000' দিয়ে Enter চাপুন ব্যাস হয়ে গেলো Drawing Limits সেটআপ।আমি এখানে উদাহরণ হিসেবে এখানে 5000' দিয়ে দৈর্ঘ ও প্রস্থ 5000' ইঞ্চি বোঝানো হয়েছে। আপনি ইচ্ছা করলে যে কোন পরিমাণ নিতে পারেন।
৫।কিবোর্ডে F7 চাপুন স্ক্রিন জুড়ে গ্রিড দেখা গেলে বুঝবেন আপনার পেইজ সেটআপ ঠিক হয়েছে।
৬। এবার View থেকে Zoom এ গিযে All ক্লিক করুন। এতে আপনি আপনার ড্রয়িং ছোটবড় করে দেখতে পারবেন।
অটোক্যাডে কাজ করা বেশ সহজ। শুধু কমান্ডগুলো জেনে বারবার চর্চা করলেই হলো। আশাকরি শীঘ্রই নতুন টপিকস নিয়ে আবার ফিরে আসবো। সে পর্যন্ত ভালো থাকবেন। আর আমার জন্য দোয়া করবেন। ধারাবাহিক পোষ্টগুলো থেকে আশাকরি আগ্রহীরা অটোক্যাড সম্পর্কে মোটামুটি কাজ করার ধারণা পাবেন। ভালো লাগলে কমেন্ট জানাতে ভুলবেন না, আজ এতটুকুই।

AutoCAD 2008 টিউটোরিয়াল [২য়-পর্ব] :: ড্রইং স্ক্রীন পরিচিতি এবং টুলবার নিয়ে আলোচনা

    ইন্টারফেস বা ড্রইং স্ক্রীন পরিচিতি এবং টুলবার নিয়ে আলোচনা:

    আসসালামুয়ালাইকুম।কেমন আছেন সবাই।আশা করি আল্লাহ্‌র রহমতে সবাই ভালই আছেন। আজ অনেক দিন পর টিউন করতে বসলাম। আসলে অফিসের কাজের জন্য আপনাদের সাথে সময় দিতে পারি না। অটো ক্যাড সফটওয়্যারটি রান করলে কম্পিউটারের মনিটরের পর্দায় যে উইন্ডোটি চলে আসে সেটিই অটো ক্যাড এর ইন্টারফেস। নিচে Auto CAD 2008 এর ইন্টারফেস দেখানো হলো এবং

    অটোক্যাড ড্রইং স্ক্রীন অংশ সমূহের বর্ণনা নিম্নে দেওয়া হলোঃ


    অটো ক্যাড ড্রইং স্ক্রীনে যে অংশ গুলো পাওয়া যায় এগুলো হলোঃ
    • 1.Title Bar
    • 2. Menu Bar
    • 3. Standard Tool Bar
    • 4. Layer Bar
    • 5. Properties Bar
    • 6. Draw Tool Bar
    • 7. Dimension Tool Bar
    • 8. Modify Tool Bar
    • 9. UCS Icon
    • 10. Status Bar
    • 11. Command Window etc.

    উপরে উল্লেখিত অটোক্যাড ড্রইং স্ক্রীন অংশ সমূহের বর্ণনা নিম্নে দেওয়া হলোঃ

    • 1. Title Bar: অটোক্যাড গ্রাফিক্স উইন্ডোর উপরের নীল রং বারটিকে বলা হয় টাইটেল বার। এই বারটিতে ড্রইং ফাইলের নাম প্রদর্শিত হয়। টাইটেল বারের সর্ব বামে অটোক্যাড লোগো থাকে।
    • 2. Menu Bar: টাইটেল বারের নিচের বারটিকে বলা হয় Menu Bar| Menu Bar এ ড্রপ ডাউন Menu রয়েছে। যেমনঃ File, Edit, Insert, Format, Tools, Draw, Dimension, Modify, Window, Help & Express Menu etc.
    • 3. Standard Tool Bar: Menu Bar এর নিচের বারটিকে বলা হয় Standard Tool Bar । Standard Tool Bar এ আইকন আকারে সাধারণ প্রয়োজনীয় কমান্ড বাটন রয়েছে। Standard Tool Bar এ কোন আইকনে ক্লিক করে উক্ত কমান্ড কার্যকরী করা হয়।
    • 4. Layer Bar: Standard Tool Bar টির ঠিক নিচের বারটি হলো Layer Bar এই টুলবার এ কয়েকটি ড্রপডাউন লিস্ট আছে। বিভিন্ন লেয়ার এই টুলবার থেকে কন্ট্রোল করা যায়।
    • 5. Properties Bar: Standard Tool Bar টির ঠিক নিচের বারটি হলো Layer Bar & Properties Bar এই টুলবার এ কয়েকটি ড্রপডাউন লিস্ট আছে। বিভিন্ন লেয়ার এই টুলবার থেকে কন্ট্রোল করা যায়।
    • 6. Draw Tool Bar & Dimension Tool Bar Auto CAD এ ড্রইং করার জন্য অতি প্রয়োজনীয় কমান্ড সমূহ Draw টুল বারে দেওয়া থাকে। Draw টুলবারটি গ্রাফিক্স উইন্ডোর বাম পাশে থাকে। এই টুলবারের টুল গুলো আইকন আকারে থাকে।
    • 8. Modify Tool Bar Auto CAD এ ড্রইং করার জন্য অতি প্রয়োজনীয় কমান্ড সমূহ Modify টুল বারে দেওয়া থাকে। Modify টুলবারটি গ্রাফিক্স উইন্ডোর ডান পাশে থাকে। এই টুলবারের টুল গুলো আইকন আকারে থাকে।
    • 9. UCS Icon: User Co-Ordinate system এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো UCS. এই আইকনটি ড্রইং এডিটরের নিচে বাম কর্ণারে প্রদর্শিত হয়। ডিফল্ট অবস্থায় দ্বি-মাত্রিক বা টু-ডি টপভিউ UCS Icon থাকে।
      10. Status Bart কমান্ড উইন্ডোর নিচের বারটি হচ্ছে Status Bar বার। Status Bar এ আইকনের অবস্থান জানা যায়। আইকনের Status Bar এ Snap, Grid, Ortho, Polar, Osnap, Otrack, LWT, Model ইত্যাদি বাটন থাকে। যেকোন বাটনে ক্লিক করার মাধ্যমে এই কমান্ড গুলো কার্যকারিতা on/off করা যায়।
    • 11. Command Window: ড্রইং স্ক্রিনের নিচের দিকে থাকে কমান্ড উইন্ডো। কমান্ড উইন্ডোতে কোন কমান্ড লিখে কীবোর্ড হতে এন্টার কী প্রেস করার মাধ্যমে কমান্ডকে কার্যকরী করা হয়। অটোক্যাডে ব্যবহৃত কমান্ড সমূহের কিছু সংক্ষিপ্ত রূপ আছে। যেমনঃ লাইন কমান্ডকে অ্যাকটিভ করার জন্য আমরা
    এই অপশন গুলো হলো অটোক্যাডে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অপশন। আগামীতে আরও কিছু অপশনের বর্ণনা আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। সে পর্যন্ত ভাল থাকবেন। ভুল হইলে ক্ষুমা দৃষিতে দেখবেন, আর বেশি বেশি কমান লিখবেন ধন্যবাদ সবাইকে।

    AutoCAD 2008 টিউটোরিয়াল [১ম-পর্ব] :: পরিচিতি


    এ টিউটোরিয়াল দ্বারা Auto CAD এ যারা একেবারেই নতুন, তারা যেন উপকৃত হতে পারে। সে কারনেই শুরুর দিকে যতদূর সম্ভব জটিল আলোচনা পরিহার করে সহজ ভাবে বিভিন্ন কমান্ড নিয়ে আলোচনা করব। এজন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিব।পরবর্তীতে Auto CAD কিছুটা আয়ত্তে আসলে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া কমান্ডগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা দিব। আর কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনা শুরু করা যাক -Auto CAD Open করলে নিচের Window দেখা যাবে।

    আজ আর সামনে এগুব না। আপনাদের মূল্যবান মতামত এর অপেক্ষায় থাকলাম। সবাইকে ধন্যবাদ।

    Download করে ফেলুন সম্পূর্ণ ওয়েব সাইট !!!!

    আসসালামু আলাইকুম । সবাই কেমন আছেন ? আশা করি ভাল । এটা আমার প্রথম টিউন । আজকের টিউন টা করব ২ টা সফট নিয়ে । এই দুইটা সফট অনেক নাদুস-নুদুস টাইপ তবুও অনেক শক্তিশালী । আমরা সবাই নেট ব্যবহার করি কিন্তু নেট এর গতি অনেকের ই গাধার গতির মত । তাই বেশির ভাগ সময় ই একটা পেজ লোড হতে অনেক সময় লাগে । তাছাড়া অনেকেই অনলাইনে Tips-tricks পরেন যে সাইট গুলো তেমন আপডেট করা হয় না কিন্তু পেজ অনেক । তাই শুধু শুধু বিভিন্ন পেজ একদিনে দেখা অনেক ঝামেলার ব্যাপার । তখন হয়ত অনেকেই আমার মত ভাবতে পারেন ” আহারে যদি সাইট টা পিসি তে সেভ করে রাখতে পারতাম !!!!” অনেক খুঁজাখুঁজি করার পর অনেক সফট পেলাম যেগুলো একটি সাইট কে সম্পূর্ণ সেভ করে রাখে পিসির হার্ড ড্রাইভ এ । কিন্তু বেশীর ভাগ সফট ই টাকা খরচ করে কিনতে হয় । কিন্ত আজকের দুইটি সফট এর ফুল ভার্সন ডাউনলোড করতে পারবেন সম্পূর্ণ ফ্রিতে । এমন কি আপনি সম্পূর্ণ ব্লগ ও সেভ করে রাখতে পারবেন। আসুন দেখি সফট দুটি কি কি ।
    ১।HTTrack (3.4 mb)
    সফট টি ডাউনলোড করে ইনস্টল করার পর Launch করে নিচের মত Interface পাবেন । এটি একটি freeware । এখানে Next এ ক্লিক করুন ।

    তারপর নিচের উইন্ডো আসলে আপনার ইচ্ছা মত Project Name আর Project Catagory দিন তারপর Next এ ক্লিক করুন ।

    এবারে নিচের উইন্ডো আসলে Add URL… এ ক্লিক করলে Insert URL বক্স এ আপনার কাঙ্ক্ষিত URL দিয়ে ওকে করে দিন ।

    ব্যাস আপনার ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে ডিফল্ট ফোল্ডার এ আপনি চাইলে আপনার পছন্দের ফোল্ডার এও সেভ করতে পারবেন ।

    ২।Teleport Pro 1.62
    এটি একটি অফিসিয়াল সফট মানে টাকা খরচ করে কিনতে হয় । কিন্তু আমার ভাগ্য ভাল ফ্রিতে পেয়ে গেছি । ডাউনলোড করার পর ইনস্টল করে ওপেন করলে নিচের মত interface আসবে

    এখানে Project এ ক্লিক করে New Starting Address এ ক্লিক করতে হবে।

    তারপর Starting Address Propertise এ URL আর Title দিয়ে ওকে করুন।

    তারপর কোথায় সেভ করবেন দেখিয়ে দিয়ে Save এ ক্লিক করুন ।

    একটা সমস্যা বেশির ভাগ সময় ই আমার বন্ধুরা আমাকে জিজ্ঞেস করে যে বেশির ভাগ সময় ই সাইট রেগুলার আপডেট হয় তখন কি করা যায় কিভাবে সাইট টা আপডেট করবে । এজন্য নিচের পদ্ধতি অবলম্বন করুন ।
    ১ ।HTTrack -
    নেক্সট নেক্সট ক্লিক করার পর যখন নিচের উইন্ডোটি আসবে সেখানে নিচের ছবির মত অংশের ড্রপ ডাউন মেনু থেকে Update existing download সিলেক্ট করে Add-URL এ ক্লিক করে লিঙ্ক দিয়ে দিন ।

    ২। Teleport
    সফট টি ওপেন করার পর বামদিকে সেভ করা সাইট দেখা যাবে সেখানে যেটি Update কবেন তাতে রাইট ক্লিক করে Update now এ ক্লিক করেন । ব্যাস কাজ শেষ ।

    আশা করি টিউনটা আপনাদের কাজে আসবে। পড়ার জন্য ধন্যবাদ । আর আমার জন্য দোয়া করবেন ।  :D

    কোন সফটওয়ার ছাড়াই আপনার ফোল্ডারটিতে Password দিন।

    সকলকে শুভ সন্ধ্যা ।আজ আমি আপনার দেখাব কিভাবে আপনি আপনার ফোল্ডার রে কোন সফটওয়্যার ছাড়া পাসওয়ার্ড দিবেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
    ১।প্রথমে নিম্নে দেওয়া টেক্সট ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন ।
    secret text

    ২।এরপর টেক্সট ফাইলটি ওপেন করুন
    ৩। ওপেন করার পর যেখানে যেখানে theotonius নামটি লেখা আছে সেখানে আপনার নিজস্ব ফোল্ডার এর নাম দিন।


    ৪।এরপর আপনার নিজস্ব পাসওয়ার্ড সেট করবেন যেভাবে!! type your password এর জায়গায় আপনার পছন্দের  পাসওয়ার্ডটি টাইপ করুন।


    ৫। এবার ফাইল টিকে আপনার পছন্দের নাম দিয়ে নামের শেষে .bat দিয়ে এবং All file এ সিলেক্ট করুন।আমি এখানে বুঝানোর জন্য দিয়েছি “secret.bat”

    ৬।এবার তৈরি ক্রিত ফাইল টি ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন দেখবেন একটি ফোল্ডার তৈরি হয়েছে সেখানে আপনার ডকুমেন্ট রেখে দিয়ে আবার  .bat ফাইল টির ডাবল ক্লিক করুন দেখবেন যে লেখা উঠেছে “Are you sure to lock this folder”y/n
    যদি ফোল্ডার টিকে লক করতে চান তবে “Y” চাপুন। দেখবেন যে আপনার তৈরি ক্রিত ফোল্ডার টি হাইড হয়ে গেছে।
    ৭।পুনরায় ফোল্ডার টির লক খুলতে  .bat file টির উপর ডাবল ক্লিক করুন এরপর আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড টি টাইপ করুন দেখবেন ফোল্ডার টি ওপেন হয়েছে।
    ধন্যবাদ সবাইকে ভাল থাকবেন।
    আমার পোষ্টটি ভাল লাগলে কমেন্ট করুন। ভুল হলে ক্ষমা করবেন কারন এটি আমার প্রথম পোষ্ট

    প্রয়োজনীয় সাইট এর লিঙ্ক

    আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম বিশাল এক ডিরেক্টরি, অর্থাৎ এক সাথে অনেক প্রয়োজনীয় সাইট এর লিঙ্কঃ
    পেচাল না পাইরা লিঙ্ক গুলা দিয়া দিলাম :p

    অনলাইন সংবাদপত্রঃ

    বাংলা অনলাইন রেডিওসমূহঃ

    শিক্ষাসেবাসমূহ:

    জরুরী স্বাস্থ্য/রোগ বিষয়ক সাইট:

    মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাইট:

    দেশী চাকরীর (বিজ্ঞাপন) সাইট

    বাংলাবই ডাউনলোড

    Download Audio-Video/Movie/Drama

    জরুরী প্রতিষ্ঠান/ওয়েবসাইট/ঠিকানা/লিঙ্কসমূহ

    শেয়ার বাজার

    বাংলা টিভিচ্যানেল সাইট


    বাংলাফন্ট/কনভার্রটার//টুলবার ও ইমেইল-ফ্যাক্স

    বাংলাদেশ সংবিধান

    মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ ও ২০০৭ এর সকল ভার্সনের সব জেনুইন সিরিয়াল কী নিন



    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

    মাইক্রোসফট কর্পোরেশান তাদের যে সব পণ্যের মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়েছে, তার মধ্যে একটি হল মাইক্রোসফট অফিস। মাইক্রোসফট অফিস মাইক্রোসফটের অন্যান্য প্রোডাক্টের মতোই প্রেমিয়াম। যা আপনাকে কিনে ব্যবহার করতে হয়। যদিও আপনি তাদের সাইট থেকে ট্রায়াল ভার্সন ডাউনলোড করে কয়েকদিন ব্যবহার করতে পারবেন। যাই হোক, মূল কথা হচ্ছে আপনি মাইক্রোসফট অফিস ব্যবহার করতে হলে প্রেমিয়াম ভার্সন ডাউনলোড করতে হবে অথবা জেনুইন সিরিয়াল কী ব্যবহার করতে হবে।

    না, আর সমস্যা নেই। আপনি ট্রায়াল ভার্সনটি ডাউনলোড করে বসে আছেন? চিন্তা শেষ। এবার ফুল ভার্সন করে নিন আ্পনার মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ বা অফিস ২০০৭ এর ভার্সনটি। যে কোন ভার্সনই চান না কেন, ইনশাআল্লাহ সিরিয়াল কীটি পাবেন।

    সকল সিরিয়াল কী পাবেন এখানেঃ

    সিরিয়াল কীঃ http://tinypaste.com/c27c1466

    উপরের লিংকে গেলেই আপনি সকল সিরিয়াল কীগুলো পেয়ে যাবেন। তাহলে নিয়ে যান পছন্দের ও দরকারি সিরিয়াল কীটি।

    কিভাবে wap বা মোবাইলের জন্য ওয়েবসাইট তৈরী করবেন…

    মোবাইল ওয়েবসাইটগুলো বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয় মোবাইল ফোনের মত ডিভাইসে দেখানোর জন্য। আপনি সম্পূর্ন নতুন ওয়েবসাইট বানাতে পারেন আবার আপনার যে নিজস্ব ওয়েবসাইটটি আছে সেটিকে মোবাইল ওয়েবে দেখানোর ব্যবস্হা করতে পারেন। এজন্য কিছু মোবাইল ওয়েবসাইট বিল্ডার আছে যেগুলো আপনাকে এই কাজে সাহায্য করবে। নীচে সংক্ষেপে এগুলো আলোচনা করা হল:
    ১. মোবিসাইটগ্লোরি: এটা ওয়েব নির্ভর একটা মোবাইল ওয়েবসাইট বিল্ডার যা একজন নতুন ইউজারকেও দ্রুত ও সহজেই একটা ফুলফিচার্ড ওয়েবসাইট বানাতে সাহায্য করবে। মোবিসাইটগ্লোরির মাধ্যমে ইউজাররা কোনরকম টেকনিক্যাল নলেজ ছাড়াই, ওয়েবসাইট তৈরীর কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়া মোবাইল ওয়েবসাইট বানাতে পারবে। সবচেয়ে বড় কথা হল এ জন্য তাকে কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড বা ইন্স্টল করতে হবেনা। মোবিসাইটগ্লোরি ইউজারদের পেপাল, গুগল চেকআউট ও বেঙ্গোর মাধ্যমে মোবাইল কমার্সের সুযোগ দেয়। এটি ইউজারদের তাদের সাইটের ট্রাফিক পর্যবেক্ষণের সুযোগ দেয় গুগল এডসেন্সের সহায়তায়।
    ২. ওয়্যারনোড: এটা একটা মোবাইল ওয়েবসাইট বানানোর টুলস। ওয়্যারনোডের সাহায্যে ইউজার যে কোন ওয়েবসাইটকে ৫ মিনিটের মধ্যেই মোবাইল ভার্সনে পরিনত করতে পারে। ইউজারকে শুধু আরএসএস ফিড নির্বাচন করে প্লাগিনের মতো ইউজ করে নাম পরিবর্তন করে পাবলিস করে দিতে হবে। এটা ব্যবহার করে আপনি অনেকগুলো পেজের সাইট তৈরী করতে পারবেন, ছবি সেট করতে পারবেন, গুগল থেকে সার্চ দিয়ে ছবি নিয়েও সাইটে লাগাতে পারবেন, টেবিল অফ কন্টেন্ট ও সাধারণ টাইপের উইডগেট সেট করতে পারবেন আপনার সাইটে।
    ৩. মাস্টারিং গ্রেইলস: এটা আধুনিক ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক যা জাভা টেকনোলজির সাথে যুক্ত। মাস্টারিং গ্রেইলস দিয়েও মোবাইল ওয়েবসাইট তৈরী করা সম্ভব।
    ৪. টিউটোরিয়াল: এটা আপনাকে বলে দিবে কিভাবে ৫ মিনিটের মধ্যেই মোবাইল ওয়েবসাইট বানাবেন বা আপনার ওয়েবসাইট, ব্লগ বা ফোরামটিকে ডব্লিউএপি সাইটে রূপান্তরিত করবেন।
    ৫. ওয়াপেল কেনভাস টিএম জেস্ট: এটা একটা মোবাইল ওয়েবসাইট বানানোর টুল যা ৩১শে মার্চ ২০০৮ এ উন্মোক্ত করা হয় সবার জন্য। ওয়াপেল কেনভাস টিএম জেস্ট ব্যবসায়ী, মোবাইল কমার্স, মোবাইল স্টোর, খবর, তথ্য আদান প্রদান এবং মোবাইল এডভার্টইজমেন্টের জন্য উপযোগী।
    এবার আপনি পছন্দসই যে কোন একটির সাহায্যে আপনার মোবাইল ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবেন খুব সহজেই। undefined

    খুব সহজেই ছবি এডিট করুণ প্রফেশনালদের মতো!!

    আজকে এমন একটা ছোট কিন্তু কাজের সফটওয়্যার দিব যেটা দিয়ে বাচ্চারাও নিজের ছবি এডিট করতে পারবে। ভাবছেন ফটোশপের মতো হবে না? আরে ভাই জানেনতো ছোট মরিচের ঝাল বেশি। ঠিক তেমনি এটাও এমন কাজের যে আপনি যদি এটা দিয়ে ছবি এডিট করেন তারপরেও কেউ বুঝতে পারবে না এটা অন্য সফটওয়্যারের কাজ। না জানা থাকলে সবাই চোখ বন্ধ করে বলে দিবে এটা ফটোশপ ব্যতীত সম্ভব নয়। আর সব চেয়ে মজার এবং আনন্দের কথা হলো এটা দিয়ে এত তাড়াতাড়ি কাজ করা যায় যে নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে।
    এতক্ষণ যে সফটওয়্যারের গুণগান গাইলাম তার নাম হলো PhotoInstrument। মাত্র ৩ মেগাবাইটের এই সফটওয়্যারটি আমি নিশ্চয়তা দিতে পারি আমাদের মতো সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ফটোশপের বিকল্প।
    যা যা করতে পারবেন PhotoInstrument দিয়ে:
    1. ছবির অনাকাঙ্ক্ষিত অংশ যেমন ব্রণ, মেছতা, ছুলি, মোটাজনিত দাগ, চোখের নিচের কাল দাগ নিমিষেই মুছে দিতে পারবেন কোন ক্রিম বা সাবান ছাড়াই। ;)
    2. লাল চোখকে কাল মানে রেড আই সমস্যা দূর করা যাবে খুব সহজেই।
    3. ছবির অপ্রয়োজনীয় অংশ গায়েব করে দিতে পারবেন।
    4. মোটা স্বাস্থ্য চিকন করতে পারবেন। :P
    5. ঘোলা ত্বক পরিষ্কার করতে পারবেন।
    6. বিউটি পার্লারে না গিয়েই ছবিতে মেক আপ করতে পারবেন।B-)
    এছাড়া আরো কত কি!
    এবার চলুন হাতে কলমে প্রমাণ দেখি।
    ছবির অনাকাঙ্ক্ষিত অংশ যেমন ব্রণ,মেছতা,ছুলি,মোটাজনিত দাগ, চোখের নিচের কাল দাগ নিমিষেই মুছে দিতে পারবেন কোন ক্রিম বা সাবান ছাড়াই।
    আগে
    pic
    পরে
    p
    ছবির অপ্রয়োজনীয় অংশ গায়েব করে দিতে পারবেন।
    আগে
    p
    কাজ চলছে….
    p
    পরে
    p
    মোটা স্বাস্থ্য চিকন করতে পারবেন।
    আগে
    magicalsnap201011121218.png
    পরে
    magicalsnap201011121220.png
    বিউটি পার্লারে না গিয়েই ছবিতে মেক আপ করতে পারবেন।
    g
    o
    ভাবছেন ব্যবহার করা কঠিন? মোটেও না। সাথে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেওয়া আছে। চোখ বন্ধ করে ছবি এডিট করতে পারবেন।
    g
    ডাউনলোড লিঙ্ক:
    PhotoInstrument
    ফুল ভার্শন করতে সিরিয়াল কী ডাউনলোড করুন এখানে। (সিরিয়াল কী দিয়ে ব্যবহার করতে হলে নেট ডিসকানেক্ট করে ব্যবহার করতে হবে অন্যথায় নিচের ক্র্যাক দিয়ে ব্যবহার করা যাবে)
    এখান থেকে ক্র্যাক ফাইলটি ডাউনলোড করুন। তারপর ফাইলটি Extract করুন।এখন ক্র্যাক ফাইলটি ইন্সটল করা ফোল্ডার অর্থাৎ C:\Program Files\PhotoInstrument এখানে কপি পেস্ট করুন। ব্যস হয়ে গেল।
    আশা করি আপনাদের কাজে আসবে।
    ধন্যবাদ সবাইকে।

    এবার ইয়াহুকে হ্যাক করে ইচ্ছামত আইডি তৈরি করুন সহজেই (প্রতিটি মাত্র ৫ সেকেন্ডে)

    hack yahoo password t1 এবার ইয়াহুকে হ্যাক করে ইচ্ছামত আইডি তৈরি করুন সহজেই (প্রতিটি মাত্র ৫ সেকেন্ডে)
    ইয়াহু নি:সন্দেহে একটি ভাল ইমেইল সেবা দাতা প্রতিষ্ঠান। যদিও আমি পার্সনালি ইয়াহুর বিরুদ্ধে। কিন্তু অনেকের মতে বিশেষ করে যারা ইয়াহু মেসেঞ্জার ব্যবহার করে তাদের কাছে ইয়াহুর গুনগান অনেক শুনতে পাওয়া যায়। অনেকেই অনেক কাজে বিভিন্ন ইয়াহু আইডি ব্যবহার করে থাকে। কেনইবা নয়, এ সেবাটি যে ফ্রিতে। তবে আইডি তৈরি করা একটা খুবই বোরিং কাজ। তাই আপনাদের জন্য আজ এমন একটি হ্যাকিং সফটওয়্যার দিচ্ছি যেটির মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই (সাধারণত প্রতিটি আইডি তৈরি হতে সময় নেয় ৫ সেকেন্ড!!!) ইয়াহু আইডি তৈরি করতে পারবেন, তাও আবার যত খুশি তত। এজন্য নিচের লিঙ্ক হতে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
    তারপর ফাইলটি আনজিপ করে Register.bat ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করে রেজিষ্টার করে নিন। IR ID maker.exe নামক সফটওয়্যারটি রান করে প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে দিন। এবার কোনায় থাকা Start বাটনে ক্লিক করে ক্যাপচা এন্ট্রি করে Create বাটনে ক্লিক করলেই আপনার ইয়াহু আইডি তৈরি হয়ে যাবে এবং Created Bots নামক বক্সে দেখা যাবে। চাইলে আপনি Random Bot ও Random Information এ টিক চিহ্ন দিয়ে এলোমেলো তথ্য ব্যবহার করে ইয়াহু আইডি তৈরি করতে পারবেন। যতবার ক্যাপচা এন্ট্রি করে Create বাটনে ক্লিক করবেন ততগুলো ইয়াহু আইডি তৈরি হবে। ভয় নেই আপনার তৈরিকৃত ইয়াহু আইডিগুলো পাসওয়ার্ড সহকারে মূল ফোল্ডারের Created Bots নামক ফাইলের মধ্যে পাবেন।
    operation :
    • Decide which type of name you would like to cerate. The choices are Random, Sequential, None or Dictionary.
      1. Random – This creates a username from completely random characters.The character set is lower, upper, and numbers. An option is given for the minimum and maximum length for the username.
      2. Sequential – This method takes a base username and then adds an incremented number to the end of it. The Sequential Start is the number that will initially be added to the end of the chosen username. The Sequential Increment is how much the number will be increased between names.
      3. None – Only the username typed will be created.
      4. Dictionary – This is a method that I created myself. It polls a website and asks for two random dictionary words. It then mixes them with random numbers and a few other variables. I use this when signing up for third party websites that notice sequential names. This is the least reliable method and produces many more name collisions.
    • Decide if you want random passwords. The default is random and can be found at the bottom of the Name Options.
    • Decide if you want random user information. The default is random and can be found at the bottom of the Sign-Up Information.
    • Select your server. The default is India but you can also choose the UK or US server. You will only get 10-20 names per server.
    • Decide if you want to have a batch creation. The default is yes. This tells YCC Bot Maker to go ahead and process the next name automatically.
    • Click Process and wait for the CAPTCHA to appear.
    • Type the CAPTCHA into the Submit field and then click Submit.
    • Wait for the next name if batch processing is enabled.
    • Repeat steps 6 through 8. If you get Protocol Error then you have hit the limit for the server. Select another server and continue.
    ব্যবহার করে দেখুন কি মজার ও কাজের সফটওয়্যার এটি।

    Facebook Twitter RSS