M.A.A. NAFISH PEEZON. Blogger দ্বারা পরিচালিত.
জোকস সমূহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জোকস সমূহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

জোকস ১৩৬। বাম্পার ফলন

গার্লস কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে দুই বন্ধু-
১ম বন্ধুঃ মামা,মনে হয় মিল্ক ফ্যক্টরিতে বাম্পার ফলন হইছে।
২য় বন্ধুঃ হ মামা, ঠিক কইছস!
পাশ থেকে দুটো মেয়ে কথাটা শুনলো,
শোনার পর ছেলে দুটোকে উদ্দেশ্য করে একজন আর একজনকে বললে-
"চলতো দেখি, কলা মনে হয় সব পচে গেছে!" ...!...!...!

জোকস ১৩৫। ক্রিকেট লাইফ ও বিয়ের লাইফ

ক্রিকেট লাইফ এর মত যদি আশরাফুলের বিয়ের লাইফ হয় তবে কেমন হবে :
:
১.অভিষেক রাতেই একটা অসাধারন সেন্চুরি । বউ দারুন খুশি , ওই একম্যাচের কথা মনে করে বউ কাটিয়ে দিবে ১বছর ।
:
২.বউয়ের কাছে সমালোচনার ঝড় উঠবে , বউয়ের বাপ আসবে , আশরাফুল শচীনের কাছ থেকে টিপস নেয়ার মত করে শাহরিয়ার নাফিসের কাছ থেকে টিপস নিয়ে আবার বউয়ের পিচে ১৫৮ রানের আর একটা ইনিংস খেলবে ।বউ তো মহাখুশি ।
... :
৩.ঐটা দিয়ে আশরাফুল আরো এক বছর কাটিয়ে দিবে , বউ তার টেস্ট স্টাটাস কেড়ে নিতে চাইবে ,দু চার দিন দল থেকে মানে বিছানা থেকে আলাদা করে রাখবে , আশরাফুল কাকুলির নেট প্রাকটিসে ১২২ ও ২৬৫ রানের দুটো ইনিংস খেলে বিছানায় ফিরে ১০১ ডাবনে ১০০রানের একটা ইনিংস খেলে বউয়ের বেডের ইতিহাসে নাম লেখাবে । ঐ দিন অবশ্য আফতাব তাকে একটু সাহায্য করবে ।
:
৪.সখের বশে ফর্মের ধারাবাহিকতা রাখতে ১২৯ ও ১৩৫ রানের দুটো ইনিংস খেলবে ।
:
৫.আশরাফুল সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত হয়ে যাবে তার বউয়ের কাছে স্কুপ শর্ট খেলে , যা আফতাব ও ভালো পাড়বে , মাগার মিসবাহ মারতে গিয়ে আউট হয়ে যাবে ।

জোকস ১৩৪। Common কিছু ফালতু স্ট্যাটাস নিয়া বিশ্লেষণ....

আর মনে মনে অনেকে বলে একটা লিখে আর একটা।
১.মন ভালো নেই ...
মনে মনেঃ মন ভালো নেই তো এখানে ডং মারাইতে আইস কেন এখানে লিকলে কি মন ভাল হয়া যাইব নাটকবাজ জত সব...
লিখেঃআহারে কেন কি হয়সে, কোন সমস্যা, আমাকে বলা যায়...???
২.কাল পরীক্ষা কিছু পড়ি নাই :/
মনে মনেঃ কিছু না পড়লে ফেসবুকে স্ট্যাটাস মাইরাতে আইস কেন ।
লিখেঃ আরে তোমার পরা লাগে নাকি তুমি তো গ্রেট না পড়লে ও চলবো।
৩.খুব লোডশেডিং হচ্ছে :|
মনে মনেঃ মোবাইল দিয়া হইলেও এটা সবাইকে জানানো কি খুব দরকার? তোর কি মনে হয় যাদের জানাইলী তারা তোর বাসায় জেনারেটর এর ব্যাবস্থা করে দিবে? না মোবাইল'এ কারেন্ট পাঠাইয়া দিবো।
লিখাঃ আর বইলোনা সব খানে এক দসা। সরকার যে কি করতাসে কিছু এ বুজিনা।
৪.মোবাইল এ এক টাকাও নাই......কি যে করি...? Miss u Jaan.
এই স্ট্যাটাস দেওয়ার ২টা কারণ হইতে পারে।
একঃ বুঝাইলো তারও GF/BF আসে।
দুইঃ ফ্রেন্ড লিস্ট এর কারো যদি দয়া হয়, আর চামে যদি মোবাইল এ ফ্লেক্সি পাইয়া যায় ।
মনে মনেঃ
BF নিলজ্জ ফেসবুক এ আবার স্ট্যাটাস.
GF আমার সাতে তো কথা বলে নাই তাইলে টাকা গেল কই।
বন্দুরা(ফকিরনী বা ফইড়া) তোর মোবাইল এ জীবনে ও টাকা থাকব না, একটা কল ও দিমু না টাকার ছিন্তা তো করিস এ না।
লিখাঃ
BFOFFLINE….:P
GF OFFLINE….:P
বন্দুরাউফফ সারা দিন কত কথা বলেরে ।। ওই তোর মোবাইল টাকা দিয়া দিমু নাকি, ওহো আমি যেখানে আসি ওখানে তো ফ্লেক্সি এ নাই।
৫. ঘুম আসে না কেন আমার :-|
মনে মনেঃ-এখন আমাদের কি করতে হবে? আন্নেরে ঘুম পাড়ানি গান হুনাইতে হবে....? মাইনসে ঘুমানের টাইম পাইনা, হে আইসে আজাইরা থাকলে যা হয় আর কি...
লিখাঃ কোন কিছু নিয়া কি টেঁনস আস নাকি, নাকি শরীল খারাপ কি হয়সে, কল দিব...? পিঃ
৬.কি স্ট্যাটাস দিবো? :|
মনে মনেঃ- দিয়াই তহ দিলি!! আর বুঝাইয়া দিলি তোর স্ট্যাটাস কি!! মানে বুঝাইতে চাইলাম নিজে থেকে কিছু লিখার মত যোগ্যতাও তোর নাই ।
লিখাঃ কি আর লিখবা তুমি কিছু লিখলে এ তো LIKE আরCOMMENTS
এর ডুম পরবে।

জোকস ১৩৩। স্যার আমি লাইট

 কচি এবং সোহেল দুই বন্ধু একই অফিসে চাকরি করে।
কচি : দোস্ত, কত দিন ধরে ছুটি পাই না। কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে উঠেছি। কিন্তু বস তো কিছুতেই ছুটি দেবেন না।
সোহেল: হুমম্। আমিও হাঁপিয়ে উঠেছি। কিন্তু আমি বসের কাছ থেকে ছুটি নিতে পারব, দেখবি?
বলেই সোহেল টেবিলের ওপর উঠে দাঁড়াল এবং ছাদ থেকে বেরিয়ে আসা একটা রড ধরে ঝুলতে শুরু করল। কিছুক্ষণ পর বস এলেন।
বস: এ কী সোহেল! তুমি ঝুলে আছ কেন..?
সোহেল খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বললঃ ‘স্যার আমি লাইট, তাই ঝুলে আছি।’
বস ভ্রূ কুঁচকে তাকালেন। কিছুক্ষণ ভেবে বললেন, ‘অতিরিক্ত কাজের চাপে তোমার মাথা নষ্ট হয়ে গেসে তুমি বরং এক সপ্তাহের ছুটিতে যাও।
সোহেল কচির দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে রুম থেকে বিদায় নিল।
কচি চেয়ে চেয়ে দেখল। সোহেল বেরিয়ে যেতেই সেও সোহেলয়ের পিছু নিল।
বস: সে কী! ছুটি তো ওকে দিয়েছি..! তুমি কোথায় যাচ্ছ..?
কচি : কী আশ্চর্য! লাইট ছাড়া কাজ করব কী করে..?

জোকস ১৩২। কপালটাই খারাপ

বিমর্ষ এক ভদ্রলোক একটি রেস্টুরেন্টে গিয়ে বসলেন; এক গ্লাস লাচ্ছি দিতে বললেন ওয়েটারকে।
মনে হছে অন্য দিনের চেয়ে তাড়াতাড়িই চলে এল লাচ্ছির গ্লাস ।
খাবার আগে ভাবলেন, রেস্টুরেন্টের জানালা দিয়ে একবার বাইরের দুনিয়াটাকে দেখি।
টেবিলে ফিরে এসে দেখলেন তাঁর লাচ্ছির গ্লাস অন্য একজনের হাতে।
তিনি বেশ আয়েশ করে তাঁর সেই গ্লাস থেকে লাচ্ছি খাচ্ছেন। এই দৃশ্য দেখে তিনি চেয়ারে বসে কাঁদতে শুরু করলেন।
সামনের লোকটি বিব্রত হয়ে বললেন, ‘প্লিজ, কাঁদবেন না, এক গ্লাস লাচ্ছিই তো; আমি আপনাকে দুই গ্লাস লাচ্ছি কিনে দিচ্ছি। শুনে তিনি বললেন, ‘আমি সে জন্য কাঁদছি না।
তাহলে..? জানতে চাইলেন ওই লোকটি।
তিনি বলতে শুরু করলেন, ‘ঘুম থেকে উঠেই বউয়ের সঙ্গে বিরাট ঝগড়া হলো; বাসে মানিব্যাগ ছিনতাই হলো;
অফিসে গিয়ে শুনলাম চাকরি চলে গেছে; বাসায় ফিরে দেখি বউ বাপের বাড়ি চলে গেছে•••
এত কিছুর পর ত্যক্তবিরক্ত হয়ে রেস্টুরেন্টে এসে বিষ খাব বলে লাচ্ছির সঙ্গে বিষ মিশিয়েছি•••
সেটাও আপনি খেয়ে ফেললেন! আমার তো কপালটাই খারাপ!!...পিঃ

জোকস ১৩১। সব কিছু নিয়ে গেছে

এক লোক তার স্ত্রী কে ধোকা দিয়ে পাশের বাড়ির এক মেয়ের সাথে "sex" করত।

একদিন হঠাৎ কেউ একজন ঐ মেয়েটির বাড়ি চলে আসলো যখন তারা রতিক্রিয়ায় মগ্ন।

বেল বাজার সাথে সাথেই লোকটা কাপড় ছাড়াই দ্রুত তার বাড়ি চলে আসলো,

তার স্ত্রীঃ এই তুমি কাপড় ছাড়া কথা থেকে এসে হাজির হলা...?

স্বামীঃ আর বলো না, রাস্তায় আমাকে ডাকাতেরা ধরে ।

স্ত্রী খুব ভদ্র ভাবে উত্তর দিলোঃ যতসব দুষ্টু ডাকাত্, তোমার সব কিছু নিয়ে যেয়ে তোমার

"penis" এ কনডম পরায় দিয়ে গেছে।.....পিঃ

জোকস ১৩০। ফ্লাটের দরজা খোলা

বদনা মিয়ার নাক চোখ ফুলা দেখে তার বন্ধু সামসু তাকে জিজ্ঞেস করলঃ কিরে দোস্ত তরে মারছে কে??

বদনা মিয়াঃ পাসের ফ্লাটের পলি আন্টি।

সামসুঃ কেন??

বদনা মিয়াঃ আর বলিস না, সেদিন সিড়ি দিয়ে নামার সময় দেখি পলি আন্টির ফ্লাটের দরজা খোলা, কৌতুহল বশত রুম এ গিয়ে দেখি পলি আন্টি শুধু ব্রা পরে শুয়ে আছে।
আন্টির "Boobs" দেইখা তো আমার মাথা নস্ট, দোস্ত বুঝলি নিজেরে আর সামলাইতে পারলাম না। "Boobs" টিপ তে শুরু করলাম, পাচ মিনিট টিপার পর দেখলাম পলি আন্টি চোখ খুইলা আমার দিকে তাকাইল, আমি তো ভয়ে দৌড় দিলাম।

সামসুঃ ওওও বুঝছি, তুই "Boobs" ধরছস তাই তরে ঘুসি মারছে??

বদনা মিয়াঃ আরে না, সে ঘুসি মাইরা কইল, আমার সেদিন সেক্স উঠায়া চইলা আইলি ক্যা??

জোকস ১২৯। আবেদনপত্র

ছোট্ট পাপ্পুর স্কুলে ছুটির জন্য আবেদনপত্র....:-

প্রিয় স্যার,
আমি কালকে খেলতে যাব, স্কুলে আসবো না...
.
আসবো না
.
আসবো না
.
আসবো না
.
যা খুশি তাই করেন...
.
তাও কিন্তু আমি আসবো না...!!!

আর মাকে কিছু বলবেন নাহ !!!

ধন্যবাদ , (আমি কিন্তু আসবোই না)

জোকস ১২৮। ৫ পাইলাম কিভাবে?

স্যার : ওই বাঁদর , পরীক্ষায় ৫ নাম্বার পাওয়ার পরও হাসছিস কিভাবে ?
ছা্ত্র : স্যার ওই জন্যইতো হাসছি, আমি এই ৫ পাইলাম কিভাবে?

জোকস ১২৭। একজন পারফেক্ট বয়ফ্রেন্ডের নমুনা!!

এক মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে মার্কেটে শপিং করতে গিয়েছে।। তাড়াহুড়ায় মেয়েটি টাকা নিয়ে বের হতে ভুলে গেছে।। তাই, কেনাকাটা শুরু করার আগে বললঃ
"জান, আমি তো টাকা আনতে ভুলে গেছি।। তুমি কি আমার শপিং এর টাকাটা দিবে আজকে?? আমি পরে তোমাকে একদিন শপিং করে দিবো!!"
ছেলেটি সাথে সাথে পকেট থেকে কিছু টাকা বের করে দিয়ে বললঃ
"জান, অযথা টাকা নষ্ট করে কি লাভ বলো!? এরচেয়ে এই ২০টা টাকা দিয়ে রিকশা করে বাড়ি চলে যাও, তারপর টাকা নিয়ে ফেরত আসো!! আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছি!!"

জোকস ১২৬। ছেলেদের কাছে মেয়েরা

মেয়েঃতুমি আমার শখের ফুলদানী ভেঙ্গে ফেলছ :'( :@ !!!!
ছেলেঃএটা হঠাৎ করে হয়ে গেছে আমি তো ইচ্ছা করে করি নাই!!
মেয়েঃআমি বিশ্বাস করতে পারছিনা এটা তুমি করতে পারলে :(
ছেলেঃ আমি খুব দুঃখিত!!!
এখন দেখা যাক যখন মেয়ে কিছু ভুল করে...
ছেলেঃতুমি আমার পোষা কুকুর টাকে হারিয়ে ফেলছ!!!
মেয়েঃআমি কি এটা ইচ্ছা করে করছি??!!!
ছেলেঃআমি বুঝলাম না এত অসাবধান কিভাবে হলে!!
মেয়েঃআমার এমনিতে খারাপ লাগছে আর তুমি আমাকে আবার ধমক দিচ্ছ!!! :'( :'(
ছেলেঃ স্যরি!!!!!!!!!!!

জোকস ১২৫। তাকে ধর্ষন বলে

ভার্সিটিতে সমাজ ক্লাস চলছে.....
শিক্ষক বলছেন:
আজ আমরা ধর্ষন বিষয়ে পড়ব। আচ্ছা রাজন
বলতো ধর্ষন কাকে বলে? রাজন: কর্তার ইচ্ছায়
কর্তীর অনিচ্ছায় পরষ্পরে ঘর্ষনের ফলে যে বর্ষণের
সৃষ্টি হয় তাকে ধর্ষন বলে ।

জোকস ১২৪। ওষুধটা কিনে নিন

রোগী : ডাক্তার সাহেব আমি খুব চুলকানির সমস্যায় ভুগছি। দয়া করে আমাকে একটা ওষুধ দিন।
ডাক্তার : দোকান থেকে এই ওষুধটা কিনে নিন।
রোগী : এতে কি চুলকানি সেরে যাবে?
ডাক্তার : আমি আপনার নখ বড় করার ওষুধ দিয়েছি। যাতে আপনি ভালোভাবে চুলকাতে পারেন।;P

জোকস ১২৩। বিরক্ত করবেন না

মাহিদ সাহেব হোটেলে বসে ভাত খাচ্ছেন।
ওয়েটার: একি! স্যার, আপনি শুধু শুধু ভাত খাচ্ছেন! আপনাকে তরকারি এনে দেব?
মাহিদ সাহেব: আহ্! জানেন না, আমি গণিতের শিক্ষক? আমি এখানে বসে অঙ্ক করছি, বিরক্ত করবেন না।
ওয়েটার: কী অঙ্ক, স্যার?
মাহিদ সাহেব: ধরি, ভাতের সঙ্গে ডাল রয়েছে!

জোকস ১২২। মজার মজার ভুল

¤নাপিত ভুল করলেঃ
> নতুন স্টাইল
¤রাজনীতিবিদ ভুল করলেঃ
> নতুন আইন
¤বিজ্ঞানী ভুল করলে
> নতুন উদ্ভাবন
¤দর্জি ভুল করলে
> নতুন ফ্যাশন
¤শিক্ষক ভুল করলে
> নতুন থিওরি
¤আর ছাত্ররা ভুল করলে
> এইটা আসলেই ভুল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ।

জোকস ১২১। গোপন জিনিস দেখাব

ছাত্রীঃ স্যার দরজা জানালা বন্ধ করে দিন!
স্যারঃ কেন?
ছাত্রীঃ আপনাকে একটা গোপন জিনিস দেখাব!!!
স্যারঃ সত্যি??? (অবাক হয়ে)
ছাত্রীঃ হ্যাঁ, আগে সবকিছু বন্ধ করে দিন
যাতে আলো না আশে!!
স্যারঃ তারপর?? আর?
ছাত্রীঃ আমার কাছে আসেন
স্যারঃ ওহ !! তারপর? আর কি করবো বলো?
.
.
.
.
.
.
ছাত্রীঃ স্যার এবার দেখেন। আমার ঘড়িতে লাইট
জ্বলে ! !

জোকস ১২০। তুমি কাকে বেশী ভালবাসো?

বাবা: তুমি কাকে বেশী ভালবাসো? আমাকে নাকি তোমার মা কে?

ছেলে: আব্বু , তোমাদের দুজনকেই আমি অনেক বেশী ভালোবাসি।

বাবা: যদি আমি আমেরিকা আর তোমার মা প্যারিস যেতে চায়, তুমি কোথায় যাবে?
ছেলে: অবশ্যই প্যারিস, কারন জায়গাটা খুব সুন্দর!

বাবা: আচ্ছা, যদি আমি প্যারিস আর আম্মু আমেরিকা যায় , তখন কোথায় যাবে?
ছেলে: আমেরিকা!

বাবা: তারমানে তুমি মা কে ছেড়ে থাকতে পারবে না, তাইতো?

ছেলে: তা নয় । কারন একটু আগেই তো আমি প্যারিস গেলাম!

জোকস ১১৯। ফেসবুক পরিচয়

এখনও দেখা হয়নি।

প্রেমিকাঃ হ্যালো, কি করো?

প্রেমিকঃ জানু শেভ করতেছি !

... প্রেমিকাঃ আমি তোমাকে যখনই ফোন করি তুমি বলো- 'জানু শেভ করতেছি', দিনে তুমি কয় বার শেভ কর?

প্রেমিকঃ এইতো ৩০-৪০ বার।

প্রেমিকাঃ পাগল নাকি?

প্রেমিকঃ আমি পাগল না, আমি নাপিত !!

জোকস ১১৮। দুই রাজা

এক দেশে দুই রাজা ছিল। দুই জনই খুন হলেন।
এরপর থেকে এক রাজার বউ এবং আরেক রাজার মেয়ে ভাগ করে দেশ চালাতে থাকলেন।
দেশটির গোলা ভরা ছিল দুর্নীতি ...!! গোয়াল ভরা ছিল মন্ত্রী ..!! বাঘের রাজ্য রাজ্য হায়েনার মতো ধূর্ত কামলা..!!
এবং দেশটির অধিকাংশ প্রজা ছিল বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ...!! আর বাকীরা বাকপ্রতিবন্ধী.. ..!!!

জোকস ১১৭। জানালাটা খুলে দিয়ে যান

মকবুল হোটেল ম্যানেজারের সঙ্গে ফোনে কথা বলছে—
মকবুল: দয়া করে তাড়াতাড়ি ৫০৬ নম্বর কক্ষে চলে আসুন।
হোটেল ম্যানেজার: কেন, সমস্যা কী?
মকবুল: আমার স্ত্রী জানালা দিয়ে লাফ মেরে আত্মহত্যা করতে চাচ্ছে।
হোটেল ম্যানেজার: আপনি স্বামী হয়ে কিছু করছেন না। আর আমি হোটেল ম্যানেজার হয়ে কী করতে পারি, বলুন?
মকবুল: আরে ভাই, এখন কথা বলার সময় নয়। তাড়াতাড়ি চলে আসুন। কারণ, আমার স্ত্রী কিছুতেই জানালা খুলতে পারছে না। জানালাটা খুলে দিয়ে যান।

Facebook Twitter RSS