M.A.A. NAFISH PEEZON. Blogger দ্বারা পরিচালিত.
ফ্রিল্যান্সিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফ্রিল্যান্সিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে আয় সেরা ৩টি উপায়!!


সবাইকে আমার সালাম! আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজ আমি আপনার সাথে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো , তাহল অনলাইন আয়। এখানে আমি ৩টি সেরা উপায় নিয়ে আলোচনা করবো, কিন্তু আর অনলাইনে আয় সম্পর্কে কিছু কথা বলে রাখি আগে ।
এসময় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে সবচেয়ে আলোচিত একটা বিষয়। এদানিং বেশি ভাফ সাইট বা ব্লগে দেখি অনেক ধরনের লেখা। কেউ কেউ বলে সাইন আপ করলে ১০০০$ (জিম্বাবুয়ের ডলার হলে তা না হয় হত ;) ) !! হা হা হা! এগুলো বড়ই হাস্য কর ! একটা জিনিস মনে রাখবেন সৎ পথে আয় করতে অবশ্যই যোগ্যতার প্রয়োজন । ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য যেমন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে হয় তেমনি অনলাইনে থেকে আয় করতে চাইলে আপনাকে এই বিষয় পড়া লেখা করতে হবে।

কাদের জন্য অনলাইনে আয়

আপনি কি জানেন আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন কি না? আসলে অনলাইনে আয় করার জন্য কিছু যোগ্যতা অবশ্যই থাকতে হবে। কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে তা নিম্নে দেওয়া হল।
  • আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ জানতে হবে।
  • কম্পিউটার সম্পকে অনেক ভাল ভাবে জানতে হবে।
  • আপনাকে ওয়েব ল্যাগুয়েজ সম্পর্কে জানতে হবে যেমনঃ পিএইচপি ,  এইচটিএমএল , মাইএসকিউএল , সিএসএস , ফ্লাশ , জাভা স্ক্রিপ্ট দক্ষ হতে হবে। তাছাড়া গ্রাফিক ডিজাইন, এসইও , ওয়ার্ডপ্রেস ,,ফটোশপ , ফ্লাশ ,  আর্টিকেল লেখা , ডেটা এন্ট্রি , ইন্টারনেট মার্কেটিং সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে।
  • প্রচুর পরিমানে ধর্য্য থাকতে হবে, কারন এই সব কাজে সফলতা পেতে মাঝে মাঝে অনেক সময় লেগে যায়।
  • সাম্প্রতিক সময় ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলো সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে।
তবে আমি যেসব কথা বললাম তা বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য অন্য দেশ এর থেকে আর বড় ধনের যোগ্যতার প্রয়োজন হতে পারে।

সেরা ৩টি উপায়

সেরা তিনটি উপায় হল গুগল এডসেন্স, নিবন্ধ লিখে আয়, ফ্রিল্যান্সিং পেশা । আসলে আমার চোখে  এই ৩টি সেরা উপায় কেন? এটা প্রশ্ন হতে পারে তাই না? আসলে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এগুলোই সেরা উপায় , তার প্রধান কারন এদের পেমেন্ট সিস্টেম। আমাদের বাংলাদেশে এগুল প্রেমেন্ট সিস্টেম ভাল ভাবে কাজ করে। যেমন আপনি চেকে টাকা মাধ্যমে টাকা আনতে পারবেন। এই চেক যেকোন ব্যাংকে জমা দিলে আপনার একাউন্টে টাকা চলে যাবে। গুগল এডসেন্স চেকে টাকা পাঠিয়ে থাকে। গুগল এডসেন্স টাকা চেক এর মাধমে বাংলাদেশে টাকা আনার সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় মাধ্যম। এছাড়া আপনি পাইওনিয়ার ডেবিট কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন । ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করলে আপনি এটা ব্যবহার করতে পারেন ।

গুগল এডসেন্স

গুগল এডসেন্স অনলাইনে টাকায় আয় অনেক বড় ও বিশ্বাস একটা পথ। এথেকে অনেকে অনেক পরিমানে টাকা আয় করতেছে। গুগল এডসেন্স কিভাবে কাজ করে তা জানা দরকার তাই না , আপনারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ওয়েব সাইট এ ভিজিট করেন , সে সময় দেখবেন বিভিন্ন পিকচার এ্যাড বা টেক্সলিঙ্ক এ্যাড থাকে এবং তার নিচে লেখা থাকে এ্যাড বাই গুগল । আপনি বা অন্য কোন ভিজিটর ঐ  পিকচার এ্যাড বা টেক্সলিঙ্ক এ্যাড ক্লিক করলে সাইট এর মালিক তার গুগল এডসেন্স একাউন্টে নিদির্ষ্ট পরিমান ডলার জমা হয়ে যায় । আপনার একাউন্ট এ এক এডসেন্স ১০০ ডলার জমা হলে আপনি টাকা আনতে পারবেন । আর এটা চেক আর মাধ্যমে আনতে পারবে এবং যে কোন ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারবেন। এডসেন্স প্রোগ্রাম গুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভাল মাধ্যম হচ্ছে গুগল এডসেন্স । এদের পেমেন্ট ব্যবস্থাও অনেক ভাল এদের নামে এখন পযন্ত কোন খারাপ রিপোর্ট বেড় হয় নি । আসলে এটা সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগল এর একটি প্রোগ্রাম । তাই খারাপ হয়ার কোন সুযোগ নেই ।
গুগল এডসেন্স আয় করতে হলে আপনা থাকতে হবে নিজের একটা ওয়েব সাইট/ব্লগ বা ব্লগ । এবং শুধু ওয়েব সাইট বা ব্লগ থাকলে যে সব হয়ে হয়ে গেল তা না , আপনার ওয়েব সাইট প্রচুর ভিজিটর থাকতে হবে । মিনিমাম প্রতিদিন ৭০০- ৮০০ ভিজিটর থেকে এর উপরে , তাছাড়া ভাল আয় করা সম্ভব না । এখন আপনার ওয়েব সাইট / ব্লগ যাই থাক আপনাকে প্রতিদিন মিনিমাম প্রতিদিন ৭০০- ৮০০ ভিজিটর রাখতে হবে । ওয়েব সাইট বা ব্লগ থাকুক না কে আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ ভাল হতে হবে , কারন বিডভারটাইজার ও গুগল এডসেন্স বাংলা সাইট এ সাপোর্ট করে না তাই আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট হবে সম্পুর্ন ইংলিশে । আপনাকে ওয়েব প্রোগ্রামিং [সিএসএস , পিএইচপি , এইচটিএমএল] সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে যাতে আপনি আপনার সাইট বা ব্লগ কে ভাল ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে পারেন । ব্লগে লেখার হাত ভাল হতে হবে । আপনার লেখার হাত যদি ভাল না হয় তবে আপনি অনলাইনে থেকে আয় করা সম্ভব হবে । ভাল মানের লেখা লিখতে হবে , এবং লেখা অবশ্যই ইউনিক হতে হবে , কোন জায়গা থেকে কপি পেস্ট করে কিছু করতে পারবেন না ।

নিবন্ধ লিখে আয়

কিছু ব্লগ বা সাইট আছে যাতে আপনি পোস্ট দিয়ে আয় করতে পারেন। আসলে এটা এমন যে আপনি যখন আপনি যখন কোন পোস্ট দিবেন ঐ সাইটে তখন এই সাইটের যা আয় হবে তার নিদিস্ট একটা অংশ আপনাকে দিবে। এর মধ্যে সব জনপ্রিয় ২টি সাইট হল https://payperpost.com http://www.loudlaunch.com। এদের পেমেন্ট সিস্টেম অনেক ভাল । তবে এগুলোতে পোস্ট দিতে হলে আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ জানতে হবে । পোস্ট কোয়ালিটি অনেক হাই হতে হবে। পোস্ট অবশ্যই ইউনিক হতে হবে। আর ভাল ভাবে জানতে সাইট দুটি ভাল ভাবে ঘাটেন। আর আমি পরে এগুলো নিয়ে আর আলোচনা করবো।

ফ্রিল্যান্সিং পেশা

আমাদের দেশে অনলাইন ভুবনের তরুণদের কাছে বহুল আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে অনলাইন আউটসোর্সিং ফ্রিল্যান্সিং । ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে পুরোপুরি বদলে দিতে সক্ষম হয়েছেন অনেকেই ৷পড়ালেখার পাশাপাশি বা পড়ালেখা শেষে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং করে যে কেউ গড়ে নিতে পারেন আপনার নিজের ভবিষ্যত্ ক্যারিয়ার ।
যদিও আমাদের দেশে এখনও এ বিষয়টি অনেক এগিয়ে । এরই মধ্যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং করে গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে এবং তারা ভারত , পাকিস্থান এবং বাংলাদেশ কে বেশি কাজ দিতে চায় কারন তারা কম মুল্য কাজ় গূলো করিয়ে নিতে পারে। তবে আমাদের চেয়ে ভারত এবং পাকিস্তান সেই সুযোগ টিকে খুবই ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে।

চাকুরীর বাইরে নিজের ইচ্ছামত কাজ করার স্বাধীনতা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। এখানে আপনি প্রতি মূহুর্তে নতুন নতুন কাজ পাবেন । বর্তমান DoNanza [ফ্রিল্যান্স কাজের একটি সার্চ ইঞ্জিন] এ সমীক্ষায় প্রথম বিশটি ফ্রিল্যান্স কাজ হল  পিএইচপি , এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অনুবাদ , এইচটিএমএল , গ্রাফিক ডিজাইন ,ওয়েব ডিজাইন , এসইও , ওয়ার্ডপ্রেস ,মাইএসকিউএল ,ফটোশপ , সিএসএস , ফ্লাশ , জাভাস্ক্রিপ্ট , আর্টিকেল লেখা , ডেটা এন্ট্রি , ইন্টারনেট মার্কেটিং , লোগো ডিজাইন , জুমলা , কপিরাইটিং , এজাক্স , ফেসবুক এপ্লিকেশন । আর বিস্তারিত দেখুন এখানে
ইন্টারনেটে অনেকগুলো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যারা ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিস দেয় যাদেরকে বলা হয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস দের মধ্যে , GetaFreelancer , Odesk ,‌ Scriptlance ,Getacoder , Rentacoder জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট । এগুলো থেকে যেকোন একটিতে রেজিস্ট্রিশন করে আপনি শুরু করতে পারেন আপনার ভবিষ্যত্ ক্যারিয়ার । এসব ওয়েবসাইটে যারা কাজ জমা দেয় তাদেরকে বলা হয় Buyer এবং যারা এই কাজগুলো পায় এবং সম্পন্ন করে তাদেরকে বলা হয় Provider অর্থাৎ আপনাকে Provider হিসাবে কাজ করতে হবে  ।

ফ্রি ডাউনলোড করে নিন ফ্রিল্যান্সিং শেখার বাংলা বই

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন । আশা করি ভালো আছেন । ইন্টারনেট এ শুধু ইংলিশ ইবুক এর ছড়াছড়ি । বাংলা তে ইবুক এর সংখ্যা অতি নগণ্য । অবশ্য এখন অনেক গুলো বাংলা ইবুক আস্তে আস্তে পাবলিশ হচ্ছে । তাদেরকে ধন্যবাদ যারা কষ্ট করে আমাদেরকে এত সুন্দর সুন্দর বই উপহার দিচ্ছে । আমার কাছে অনেক গুলো বাংলা বই রয়েছে ।  একে একে সবগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করব ইনশাল্লাহ ।

আমরা অনেকেই ফ্রীল্যাসিং করতে আগ্রহি  । বাংলাদেশে Odesk এবং Freelanceer এর জনপ্রিয়তা বেশি । আমি নিজেও Odesk এ কাজ করি । আমি জানি সেখানে কাজ পাওয়া কতটা কঠিন । নতুন অনকেই ফ্রীল্যাসিং করতে আগ্রহি । তাদের জন্য নিয়ে এলাম ফ্রীল্যাসিং সম্পরকে ধারণা নেয়ার একটা বাংলা বই । এই বইটি পরে আপনি ফ্রীল্যাসিং সম্পরকে পুরনাঙ্গ ধারণা পাবেন । তো আর দেরি কেন আজিই ফ্রী ডাউনলোড করে নিন আর আপনার ফ্রীল্যাসিং এর যাত্রা শুরু করুন ।
নিচের  লিংক হতে ফ্রী ডাউনলোড করে নিন ।
                                            Click Here [Mediafire Download Link]
 

আর হে ভালো লাগলে মন্তব্য করতে ভুলবেন না কিন্তু ।
যদি কোন ভুল হয় তাহলে দয়া করে মন্তব্য করে জানাবেন
অনেক সময় লিঙ্ক ভুল থাকলে আমাকে মন্তব্য করে জানাবেন প্লিজ ।

দুনিয়ার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিতে ওয়েব সাইট তৈরী

নিজের একটা ওয়েবসাইট তৈরী করা আমাদের অনেকেরই স্বপ্ন। কিন্তু সে তো অনেক ঝামেলার কাজ। ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন, হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন, ডোমেইন সেটআপ, হোস্টিং সেটআপ। তার পর আবার প্রগ্রামিং, HTML শেখা। যার কারনে নিজের একটা ওয়েবসাইট তৈরীর স্বপ্ন আমাদের স্বপ্নই থেকে যায়। না, আজকে আমি আপনাদের যে পদ্ধতিতে ওয়েবসাইট বানানো শেখাব ওয়েবসাইট ডিজাইনে জিনিয়াস হবার দরকার নাই, HTML বা PHP এর নূন্যতম জ্ঞান না থাকলেও সমস্যা নাই। শুধু নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরন করলেই হবে।
তার আগে জেনে নেই
এই সাইট টি থেকে আপনি যা পাবেন।
একটি webnode এর শেয়ার্ড ডোমেইন + হোস্টিং।
১ জিবি মানথলী ব্যান্ডউইথ
১০০ মেগা বাইট ডিস্ক স্পেস।
ভাবছেন এত কম ডিস্ক স্পেস দিয়ে কি করবেন। কয়েকটা গান উঠালেই তো জায়গা শেষ। কিছু কৌশল খাটালে আপনিও পারবেন এই ১০০ মেগাবাইট দিয়ে আনলিমিটেড ডিস্ক স্পেসের কাজ করতে। আমি আমার সকল ফাইল মিডিয়া ফায়ার, wapand এ আপলোড করেছি। পিকচার এর বেশির ভাগ ফেসবুকে আপ্লোড করেছি।
তাহলে আসুন কাজ শুরু করা যাক……
প্রথমেই এই লিঙ্কে ক্লিক করেন।
এরকম একটা পেজ আসবে।
এখানে website address এ আপনার পছন্দমত একটা নাম দিন। যদি এই নামে যদি এভেইলএবল হয় তবে সবুজ কালীতে দেখাবে। যদি Available না হয় তবে লাল কালীতে নট এভেইলএবল লেখা আসবে। সে ক্ষেত্রে অন্য কোন নাম দিয়ে ট্রাই করুন।
ডোমেইনের নাম ঠিক হলে এবার ২য় বক্সে আপনার এমেইল এড্ড্রেস দিন।
তারপরের বক্সে আপনার পাসওয়ার্ড দিন। এই ইমেইল এড্ড্রেস ও পাসওয়ার্ড ভাল করে সংরক্ষন করুন। কারন প্রতিবার এডিট করার সময় এই মেইল ও পাসওয়ার্ড প্রয়োজন হবে।
সব কাজ হয়ে গেলে এবার Sign Up এ ক্লিক করুন।
কিছুক্ষন ওয়েট করুন………
এরকম একটা পেজ আসবে। এসময় আপনি আপনার মেইল এড্ড্রেসে গিয়ে মেইল এড্ড্রেসটি ভেরিফাই করে নিতে পারেন। আপনার মেইল এড্ড্রেসে গিয়ে দেখুন wenode থেকে একটা ভেরিফাই লিঙ্ক পাঠিয়েছে। ওটায় ক্লিক করুন। উপরের মত পেজ আসবে।
Personal Website সিলেক্ট করে Continue করুন।
নিচের মত পেজ আসবে……
এখানে আপনাকে ওয়েবসাইট টেমপ্লেট সিলেক্ট করতে বলা হবে। আপনি আপনার পছন্দমত টেমপ্লেট সিলেক্ট করুন। এক্ষত্রে আমি ৭ নম্বর টেমপ্লেটটা সিলেক্ট করেছি।
Continue করুন।
এরকম একটা পেজ পাবেন। Finish বাটনে ক্লিক করুন।
কিছুক্ষন ওয়েট করতে বলবে।
কিছুক্ষন পর দেখবেন এডমিন পেজ হাজির হয়ে গেছে। প্রাথমিক ভাবে আপনার ওয়েবসাইট তৈরী।
ভিজিটর আপনার সাইট দেখবে এরকম
এখন আপনাকে সাইট এডিট করতে হবে। আপনার সাইটের উপরে দেখুন সাইট এডিটের সব টুল দেওয়া আছে। এসব ব্যাবহার করে আপনি খুব সহজেই সাইট এডিট করতে পারবেন। এগুলো নিয়ে বিস্তারিত পরে আলোচনা করব।
আসুন এবার এর ব্যানারটা চেঞ্জ করি। ব্যানারের উপরে মাউস পয়েন্টার নিয়ে যান। দেখুন Edit Image নামে একটি অফশন দেখাবে। এটাতে ক্লিক করুন।
এরপর দেখবেন নতুন একটা পেজ আসবে।
Upload an Image এ ক্লিক করুন। তার আগে আপনাকে 659X185 সাইজের একটা ব্যানার ফটোশপে .jpg ফরমেটে তৈরী করে নিতে হবে। Upload an Image এ ক্লিক করলে একটি বক্স আসবে। এবার আপনি আপনার তৈরীকৃত ব্যানারটি দেখিয়ে দিন। কিছুক্ষন ওয়েট করুন। দেখুন এবার আপনার ব্যানারটি দেখা যাচ্ছে। এবার আপনি এটাকে ড্রাগ করে সাইজ মত বসিয়ে দিন।
যেকোন ফাকা জায়গায় ক্লিক করুন।
সর্বশেষ উপরের save and close বাটনে ক্লিক করুন।
কিছুক্ষন পর দেখবেন আপনার ব্যানার সেট হয়ে গেছে। সর্বশেষ সাইটটি দেখতে হবে এরকম।
আজ তাহলে এই পর্যন্তই। আগামীতে আল্লাহ বাচিয়ে রাখলে কিভাবে মেনু তৈরি করবেন, কিভাবে নতুন টপিক পেস্ট করবেন, কিভাবে ওয়েবসাইটে ছবি দিবেন, কিভাবে লিঙ্ক এড করবেন, সাইটকে প্রনবন্ত করতে বিভিন্ন উইজগেড এর পরিচিতি ও তার ব্যাবহার। SEO নিয়া কিছু সাধারন প্যাচাল, সাইটের প্রিমিয়াম ডোমেইন ইত্যাদি আলোচনা করা হবে।
তাহলে দেরি না করে তৈরী করে ফেলুন একটা সাইট। কোন সমস্যা হলে জানাতে অবশ্যই ভুলবেন না।
left

স্টিভ জবসের চলে যাওয়া এবং কিছু ছবি

আসলে এই পৃথিবীতে কারও জন্য কিছু থেমে থাকেনা। তারপরেও এই পৃথিবী থেকে কিছু মানুষের চলে যাওয়া কখনো পূরণ হবার নয়। তেমনি ভাবে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন "স্টিভ জবস"। মাউস নিয়ন্ত্রিত আইকন ভিত্তিক ব্যক্তিগত কম্পিউটার, অ্যাপল ম্যাকিন্টস, আইপড, আইপ্যাড এবং আইফোন উদ্ভাবণের মাধ্যমে স্টিভ জবস বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। অ্যাপল ই প্রথম কম্পিউটার জগতে নিয়ে আসে রঙ, রূপ, স্মার্টনেস আর ব্যবহারবান্ধব প্রযুক্তি। কম্পিউটার অ্যানিমেশন ও কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন মেশনের ব্যবহার করে পিক্সার স্টুডিওকে দেন নতুন প্রান, পরিণত করেন পৃথিবীর সেরা সিজিআই এনিমেশন স্টুডিওতে। তার অক্লান্ত পরিশ্রম আর কল্পনা-প্রযুক্তির সমন্বয়ে পিক্সার স্টুডিও থেকে মুক্তি পায় টয় স্টোরি, এ বাগস লাইফ, টয় স্টোরি-২, মনস্টার ইঙ্ক, ফাইন্ডিং নিমো, ইনক্রেডিবলস, টয় স্টোরি-৩ এর মত বিশ্ব কাপাঁনো অসাধারণ সম্পূর্ণ এনিমেশন চলচিত্র। শুধু তাই নয়, তিনি ছিলেন জীবণ সংগ্রামের এক আদর্শ দৃষ্টান্ত। পুরো বিশ্বই আজ (৬ অক্টোবর) হারালো প্রযুক্তিবিশ্বের এই অপূরণীয় মহানায়ককে। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু ছবি সবার সাথে শেয়ার করলাম।
undefined

undefined


undefined





undefined




undefined

undefined
undefined
undefined

undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined

undefined
undefined






Facebook Twitter RSS