M.A.A. NAFISH PEEZON. Blogger দ্বারা পরিচালিত.
বিচিত্র চিত্র ও তথ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিচিত্র চিত্র ও তথ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সুখবর!! শুরু হচ্ছে ফেসবুক হ্যাকার কাপ প্রতিযোগিতা।


তৃতীয় বার্ষিক হ্যাকার কাপের জন্য প্রতিযোগীদের নিবন্ধন চলছে ফেসবুক ২৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে বার্ষিক প্রতিযোগিতা প্রতিযোগিতার বিজয়ী হ্যাকার পাবেন নগদ ১০ হাজার ডলার পুরস্কার খবর প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার
http://files.digitizor.com/wp-content/uploads/2010/12/facebook-h4ck3r-cup.jpg
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বছরের তুলনায় এবারের আয়োজনে পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শীর্ষ ২৫ জন হ্যাকার মেনলো পার্কে ফেসবুকের সদর দপ্তর ঘুরে দেখার সুযোগ পাবেন।
undefined
দুই রাউন্ডে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপটি হবে অনলাইনে।
নিবন্ধন করতে চাইলে এখানে কিল্ক করুন
প্রতিযোগিতা  কিভাবে সম্পূর্ন হবে এবং রাউন্ড সম্পর্কে জানতে  এখানে কিল্ক করুন।
দ্বিতীয় হ্যাকার কাপ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৫০টি দেশ থেকে ৮ হাজার প্রতিযোগী অংশ নেন।

একজন কমবয়সী সফল আইটি ব্যক্তির বক্তব্য শুনুন, অনুপ্রেরনা পাবেন


outsourcing training in BDভারতে ‘এডুকেশন সিস্টেম ইন ইন্ডিয়া’ শীর্ষক একটি সেমিনার বসে ২০০৩ সালে। ব্যাঙ্গালুরু সেমিনার শুরু হয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর একটি গাড়ি এসে ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের গেটে দাড়াঁয়। বাইরের সিকিউরিটি গার্ডরা ভেবেছিল কোনো প্রতিষ্ঠানের সিইও হয়ত এসেছেন। এজন্য এগিয়ে যেতেই দেখলেন গাড়ির ভেতর থেকে ১৭ বছর বয়সের একটি ছেলে বেড়িয়ে এল।
এ সেমিনার কক্ষে প্রবেশ করতে গেলে বাধা পায়। তাকে জানানো হয়, এ সেমিনারে অংশ নিতে হলে কোনো প্রতিষ্ঠানের সিইও হতে হবে। কোনো কলেজ পড়ুয়ার জন্য এ সেমিনার না। বিড়ম্বনায় পড়ে ছেলেটি ফোন দেয় সেমিনার উদ্যোক্তাদের। তারা এসে ছেলেটিকে স্বাগতম জানায়। আর ওদিকে সিকিউরিটি গার্ডরা হতভম্ব!
ছেলেটির নাম সুহাস গোপিনাথ। ব্যাঙ্গালোরের তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান গ্লোবালের সিইও এবং একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট। সুহাস বিশ্বে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে কম বয়সী প্রধান নির্বাহী হিসেবে উল্লেখযোগ্য একটি নাম।
কে এই সুহাশ? এত কম বয়সে কিভাবে একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করল! এমন প্রশ্ন সবার ভেতরই আসতে পারে। তার সেই গল্প সে নিজেই করেছিল এক সাক্ষাৎকারে। পরেতা একটি গল্প আকারেই অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগে প্রকাশ পেয়েছে। অনুপ্রাণিত হওয়ার মতো এ গল্প অনুবাদ করে স্বপ্নযাত্রার পাঠকদের জন্য তুলে দেওয়া হলো।
আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবা ইন্ডিয়ান আর্মিতে বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করতেন। এজন্য এয়ার ফোর্স স্কুলেই আমি পড়াশোনা শুরু করি। ছোটবেলায় থেকে এ পৃথিবীর প্রাণীকূল নিয়ে আগ্রহবোধ করতাম। কিন্তু সেই বয়সে আমার বন্ধুরা সারাদিন কম্পিউটার নিয়ে পড়ে থাকতো। তাদের কাছে গল্প শুনতাম। এই যন্ত্রটির প্রয়োজনীয়তার কথা শুনে বাবার কাছে একটা কম্পিউটার কেনার আবদার করলাম। সেই সময়টাতে কম্পিউটারের দাম অনেক বেশি ছিল। তাই কেনার সামর্থ্য বাবার ছিল না।
পরে ভাবলাম বাসার কাছে সাইবার ক্যাফে আছে, সেখানে গিয়েই কম্পিউটারের সঙ্গে পরিচিত হওয়া যাক। আমি প্রতিদিন সাইবার ক্যাফেতে যেতাম। আমি বিস্মিত হতাম। এ অদ্ভুত যন্ত্রটি দিয়ে করা যায় না এমন কিছুই যেন নেই। আমি ইন্টারনেটের সঙ্গে পরিচিত হলাম। নিজে নিজেই ব্রাউজ করা শিথলাম।
বিভিন্ন সাইটে গিয়ে ঘুরে আসতাম। তখনই হুট করেই মনে হলো, ব্রাউজ করার জন্য আমরা যে ওয়েব সাইটটি দেখতে পাই সেটা বানানোর কৌশলটা কিভাবে রপ্ত করা যায়। ব্রাউজ করেই তখন একটি ই-বুক খুঁজে পেলাম। বইটি পড়ে পড়ে হালকা কাজও করতাম।
আমি টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেখানেই কাটাতাম। কিন্তু সেই টাকার পরিমাণ অল্প ছিল বলে আরও সময় থাকতে পারতাম না। তখনই খেয়াল করলাম সাইবার ক্যাফেটি দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে। আমি  এরপর সাইবার ক্যাফের মালিককে একটি প্রস্তাব দিলাম। তাদের বললাম, আমি এ সময়ে আপনার ক্যাফেতে কাজ করবো। আপনার গ্রাহকদের খেয়াল করবো। সেজন্য কোনো টাকা নয়, আমাকে অফুরন্ত সময় ফ্রি ব্রাউজিং করতে দিতে হবে।
আমার কথা শুনে মালিক প্রথমে অবাক হয়ে গেল। তিনি আমাকে কাজ করার অনুমতি দিলেন। এটাকে আমার জীবনে প্রথম কোনো ব্যবসায়ীক ডিল বলতে পারেন। যদিও এখানে টাকাটা মূল বিষয় ছিল না। মূল বিষয় ছিল আমার আগ্রহ।
সুযোগ পেয়েই আমি কাজে নেমে পড়লাম। আমি নিজেই পরীক্ষামূলকভাবে বিভিন্ন ওয়েবসাইট তৈরি করতে শুরু করলাম। এরপর ওয়েবসাইট তৈরি করাই আমার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে গেল। শুরু করলাম ফ্রি-ল্যান্সিংয়ের কাজ। যখন আমি প্রথম কোনো ওয়েব সাইট তৈরি করার প্রস্তাব পেলাম তখনও আমি ছোট।
ফ্রিল্যান্স মার্কেটে নিবন্ধন করারও বয়স হয়নি। এজন্য ওয়েবসাইট বিল্ডার ক্যাটাগরিতে আমি নিজের নাম নিবন্ধন করলাম। খুব কম খরচে আমি প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট তৈরি করে দেই। তা বানিয়ে একশ ডলার আয়ও হয়।
কিন্তু এ বয়সে আমার কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল না। তাই বাধ্য হয়েই বাবাকে সব বিষয়ে বলতে হলো। এর আগ পর্যন্ত বাবা কিছুই জানতেন না। বাবাকে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টা বোঝালাম। আমার বাবা বিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি বিষয়টি বুঝতে পেরে কিছুই বললেন না। আমাকে খুশী মনে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দিলেন।
আমার কাছে টাকা এসে পৌছালো। কিন্তু কোনোভাবেই অর্থ আমাকে টানছিল না। কারণ আমার কাছে শেখার আগ্রহটা বড় ছিল। মনে হচ্ছিল এখনও অনেক কিছু শেখার আছে। এমনও বহু ওয়েবসাইট সেসময় আমি তৈরি করেছি একদম ফ্রিতে। অনেক প্রতিষ্ঠান আমার কাছ থেকে ফ্রি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিয়েছে।
ধীরে ধীরে মনে হলো নিজের একটা পোর্টফোলিও থাকলে ভালো হয়। তাই নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করি। যেখানে আমার স্কিল সম্পর্কে উল্লেখ ছিল। এরপরই বহু প্রতিষ্ঠান আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা শুরু করে।
আমি যখন ক্লাস নাইনে পড়ি তখন কম্পিউটার কেনার টাকা জোগাড় হয়ে যায়। কিন্তু সে সময় আবার আমার বড় ভাই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া শুরু করল। তাই বাবাই কষ্ট করে ভাইয়ার জন্য কম্পিউটার কিনে ফেলল। তাই আমার আর কিনতে হয়নি। তখন কিছু মজার ঘটনা ঘটে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান আমাকে চাকরির প্রস্তাব দেয়। তখন আমার বয়স সবে ১৪।
একটি নেটওয়ার্ক সলিউশন প্রতিষ্ঠান আমাকে বলে, তোমার পড়ার সমস্ত খরচ আমরা দেব। তুমি এখানে পার্টটাইম কাজ করবে এবং পড়াশোনা করবে। কিন্তু ততদিন আমি বিল গেটস আমার আদর্শ হয়ে উঠেছে। কারও জন্য কাজ নয়, নিজেই কিছু করার ইচ্ছা আমার ভেতর তীব্র থেকে তীব্রতর হয়। সেজন্য সেই চাকরির প্রস্তাব তখন গ্রহণ করিনি।
শুরুতে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করতে গেলেই সবাই আমার বয়স নিয়ে প্রশ্ন তুলতো। এজন্য নিজের প্রতিষ্ঠান শুরু করি। তারপর সবাইকে বোঝাতে চাই, কাজটাই আসল। বয়স আর শিক্ষাগতযোগ্যতা এখানে মূখ্য নয়। এমনকি আমার প্রতিষ্ঠানে নীতিতেই আছে, কাজ জানলেই যেকোনো তরুণ এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারবে। এখানে শিক্ষাগত যোগ্যতা কিংবা বয়স কোনো মূখ্য বিষয় নয়।
ক্লাস নাইনের সামার ভ্যাকেশনেই ‘গ্লোবাল’ নাম দিয়ে নিজের প্রতিষ্ঠান শুরু করি। যুক্তরাষ্ট্রে এ প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন হয়। ভারতে নিবন্ধন করতে গেলে ন্যূনতম ১৮ বছর বয়স লাগে। অথচ যুক্তরাষ্ট্রে নিজের প্রতিষ্ঠান চালু করতে লাগে ১৫ মিনিট। আমার এক বন্ধুকে দিয়ে নিবন্ধন করাই। সে গ্লোবালের একজন বোর্ড মেম্বার।
অবাক কান্ড! আমি একটি প্রতিষ্ঠানের সিইও! আমি নিজেই অবাক হয়ে যাই। প্রথমদিন থেকেই আমি স্বপ্ন দেখি একদিন আমার প্রতিষ্ঠান হবে মাক্রোসফটের মতো বিখ্যাত।
বাবা-মাকে কিছুই জানাইনি। পুরো বিষয়টি আমি গোপন রাখলাম। কারণ তারা শুনলেই বলবেন, পড়াশোনার ক্ষতি হবে। আমি কাজ শুরু করলাম। প্রথমে ওয়েবসাইট তৈরি, অনলাইন শপিং এবং ই-কমার্স সলিউশন দিয়ে শুরু করি। আমরা অনেক প্রোগ্রামারকে পার্টটাইম জব দিয়েছিলাম। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রচুর কাজ পেতাম তখন। মজার বিষয় ছিল, আমাদের তখনও কোনো অফিস ছিল না।
আমি খেয়াল করলাম ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অনেক বড় আইটি মার্কেট। যেটা একদমই ফাঁকা। আমি সুযোগ নিলাম। বেশ কয়েকটা স্প্যানিশ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করলাম। তারা আমাকে লিখে পাঠালো, ভারতীয়রা স্প্যানিশ ভ‍াষায় একদম কাঁচা। তাই আমাদের কাজ দেওয়া যাবে না। কথাটা প্রচণ্ড গায়ে লাগলো। তখন আমার বয়স ১৭। এতো কম বয়সী একজন মানুষকে হারানো কঠিন। যতই শক্তিশালী হন না কেন আপনি।
আমি সঙ্গে সঙ্গে স্পেনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্র জোগাড় করলাম অনলাইনে যোগাযোগ করে। তাদের বললাম, তোমরা আমার জন্য কাজ করো। তোমাদের সফলতার ওপরই সম্মানি নির্ধারণ হবে। তারপর আমাদের আজ পেছনে তাকাতে হয়নি। একই পদ্ধতিতে আমরা ইতালির মার্কেটও ধরে ফেলি।
আমার জন্ম ৪ নভেম্বর, ১৯৮৬। আর আমার প্রতিষ্ঠান শুরু হলো যখন বয়স ১৭। আমি প্রযুক্তিকে শেখার চেষ্টা করি। আমি কখনই মনে করি না আইটি কোনো টেকনোলজি। আমি মনে করি আইটি হলো বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের টুলস। এ স্লোগান নিয়েই গ্লোবাল ধারণার জন্ম।
বলতে গেলে একটি সাইবার ক্যাফে থেকে গ্লোবাল তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলাম। তখনও টাকাটা আমার কাছে মূখ্য ছিল না। আমি কাজ করতে চাইতাম। শিখতে চাইতাম। আগ্রহ মানুষকে বদলে দিতে পারে। জানার আগ্রহটাই বড়। টাকার পেছনে ছুটলে সারাজীবন শুধু এর পেছনেই ছুটে যেতে হয়। তাই কাজটাই আসল। নিত্যনতুন বিষয় শেখাটাই জীবনের সেরা অর্জন।

হুমায়ূন আহমেদ সমগ্র – পিডিএফ ই-বুক

হুমায়ুন আহমেদ আমাদের সাহিত্যে যা কিছু সৃষ্টি করে গেছেন তা অবিনশ্বর।ভাবতেই পারিনি মানুষটি এভাবে চলে যাবেন। কিন্তু এটাই সৃষ্টির কঠিন নিয়ম। তাঁর লেখার মাধ্যমে তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন। তাই তাঁর লেখাগুলো সবার মাঝে পৌঁছে দেয়ার ক্ষুদ্র চেষ্টা করেছি মাত্র।মিসির আলি আর হিমু সিরিজ এ আমি চেষ্টা করেছি সিরিয়ালটা বজায় রাখতে। যাতে সবাই গল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত থাকতে পারেন। আমি নিজে সবগুলো বই পড়ি নি। তাই সিরিয়াল গুলো সঠিক কিনা বলতে পারবো না। কোনও জায়গায় ভুল হলে আমাদের জানাবেন।

কোনও বই বাদ পরে গেলে এবং বইটি যদি আপনার কাছে থেকে থাকে তাহলে প্লিজ বইটি আমাদের সাথে শেয়ার করবেন।

List Of Books

================================
Humayun Ahmed Somogro [ DownloaDnCollectioN ]
================================

Himu
Misir Ali
Other Books
Shuvro

====
Himu
====

1 Moyurakkhi By Humayun Ahmed [1990].pdf
2 Dorjar Opashe By Humayun Ahmed [1992].pdf
3 Himu By Humayun Ahmed [1993].pdf
4 Parapar By Humayun Ahmed [1993].PDF
5 Ebong Himu By Humayun Ahmed [1995].pdf
6 Himur Hate Koyekti Neel Poddo By Humayun Ahmed [1996].pdf
7 Himur Ditiyo Prohor By Humayun Ahmed [1997].pdf
8 Himur Rupali Ratri By Humayun Ahmed [1998].pdf
9 Ekjon Himu Koekti Jhin Jhin Poka By Humayun Ahmed [1999].pdf
10 Tomader Ei Nogore By Humayun Ahmed [2000].pdf
11 Chole Jay Bosonter Din By Humayun Ahmed [2002].pdf
12 Se Ashe Dhire By Humayun Ahmed [2003].pdf
13 Himu Mama By Humayun Ahmed [2004].pdf
14 Angul Kata Jaglu By Humayun Ahmed [2005].pdf
15 Holud Himu Kalo RAB By Humayun Ahmed [2006].pdf
16 Aaj Himur Biye By Humayun Ahmed [2007].pdf
17 Himu Remand-E By Humayun Ahmed [2008].pdf
18 Himur Ekanto Sakkhatkar By Humayun Ahmed [2008].pdf
19 Himur Madhyadupur By Humayun Ahmed [2009].pdf
20 Himur Babar Kothamala By Humayun Ahmed [2009].pdf
21 Himur Neel Jochna By HumayunAhmed [2010].pdf
22 Himur Ache Jol By Humayun Ahmed [2011].pdf
23 Himu Ebong Ekti Russian Pori By Humayun Ahmed [2011].pdf
24 Himu Ebong Harvard Ph.D. Boltu Bhai By Humayun Ahmed [2011].pdf
Moyurakkhir Tire.pdf

=========
Misir Ali
=========

1 Devi (The Goddess) By Humayun Ahmed.pdf
2 Nishithini (The Night Roamer) By Humayun Ahmed.pdf
3 Nishad (Nishada - An indigenous tribe inhabiting ancient India, according to sources in Hindu mythology) By Humayun Ahmed.pdf
4 Anyobhubon (The Other World) By Humayun Ahmed.pdf
5 Brihonnola (The Eunuch) By Humayun Ahmed.pdf
6 Bhoy (Fear) By Humayun Ahmed.pdf
7 Bipod (Danger) By Humayun Ahmed.pdf
8 Onish By Humayun Ahmed.pdf
9 Misir Alir Amimangsito Rahasya (The Unsolved Mystery of Misir Ali) By Humayun Ahmed.pdf
10 Ami Ebong Amra (I and We) By Humayun Ahmed.pdf
11 Tondrabilash (Tondra = Slumber; Bilash= Luxury) By Humayun Ahmed.pdf
12 Ami-ee Misir Ali (I am Misir Ali) By Humayun Ahmed.pdf
13 Bagh-Bondi Misir Ali (Tiger Trapped Misir Ali) By Humayum Ahmed.pdf
14 Kohen Kobi Kalidash (So Says the poet Kalidas) By Humayun Ahmed.pdf
15 Hartan Ishkapon (Hearts-Spades) By Humayun Ahmed.pdf
16 Misir Ali'r Choshma (Misir Ali's Glasses) By Humayun Ahmed.pdf
17 Misir Ali! Apni Kothai (Misir Ali! Where Are You) By Humayun Ahmed.pdf
18 Misir Ali Unsolved By Humayun Ahmed.pdf
19 Poofi By Humayun Ahmed.pdf
20 Misir Ali Bishoyok Rochona Jokhon Namibe Adhar By Humayun Ahmed.pdf

===========
Other Books
===========

1971 By Humayun Ahmed.pdf
Aaj Ami Kothao Jabo Naa By Humayun Ahmed.pdf
Aaj Chitrar Biye By Humayun Ahmed.pdf
Aaj Dupure Tomar Nimantron By Humayun Ahmed [2009].pdf
Achinpur By Humayun Ahmed.pdf
Adbhut Sob Golpo By Humayun Ahmed.pdf
Ahok by Humayun Ahmed [Science Fiction].pdf
Akash Jora Megh By Humayun Ahmed.pdf
Amar Ache Jol By Humayun Ahmed.pdf
Amar Priyo Voutik Golpo By Humayun Ahmed.pdf
Ami Ebong Koyekti Projapoti By Humayun Ahmed.pdf
Amra Keu Basay Nei By Humayun Ahmed.pdf
Ananto Nakkhatro Bithi By Humayun Ahmed [Science Fiction And Birth Day Special].pdf
Andhokarer Gaan By Humayun Ahmed.pdf
Anyodin By Humayun Ahmed.pdf
Aporahnyo By Humayun Ahmed.pdf
Ashabori By Humayun Ahmed.pdf
Asmanira Tin Bon By Humayun Ahmed.pdf
Ayna Ghor By Humayun Ahmed.pdf
Badol Diner Dwitiyo Kodom Phul By Humayun Ahmed [2009].pdf
Badshah Namdar By Humayun Ahmed.pdf
Ballpoint By Humayun Ahmed.pdf
Basor By Humayun Ahmed.pdf
Bohubrihi By Humayun Ahmed.pdf
Botol Vut By Humayun Ahmed.pdf
Brikkhakatha By Humayun Ahmed.pdf
Brishti Bilash By Humayun Ahmed.pdf
Brishti O Meghomala By Humayun Ahmed.pdf
Chander Aloy Koyekjon Jubok By Humayun Ahmed.pdf
Chayabithi By Humayun Ahmed [Eid Release].pdf
Cheleta By Humayun Ahmed.pdf
Chokkhe Amar Trishna By Humayun Ahmed [2009].pdf
Choto Golpo By Humayun Ahmed.pdf
Dar Kaker Songsar Kingba Maje Maje Tobo Dekha Pai By Humayun Ahmed .pdf
Dekha Na Dekha By Humayun Ahmed.pdf
Deyal - Humayun Ahmed.pdf
Dighir Jola Kaar Chayago By Humayun Ahmed [2009].pdf
Diner Shese By Humayun Ahmed.pdf
Ditiyo Manob By Humayun Ahmed [Science Fiction].pdf
Dui Duari By Humayun Ahmed.pdf
Ei Ami By Humayun Ahmed.pdf
Ei Megh Rodro Chaya By Humayun Ahmed.pdf
Eki Kando! By Humayun Ahmed.pdf
Ekjon Mayaboti By Humayun Ahmed.pdf
Ekti Cycle Ebong Koyekti Dahuk Pakhi By Humayun Ahmed.pdf
Ele-Bele.1 By Humayun Ahmed.pdf
Ele-Bele.2 By Humayun Ahmed.pdf
Elebele By Humayun Ahmed.pdf
Ema By Humayun Ahmed.pdf
Fiha Somikoron By Humayun Ahmed.pdf
Fountain Pen By Humayun Ahmed.pdf
Gouripur Jongshon (Junction) By Humayun Ahmed.pdf
Ireena By Humayun Ahmed.pdf
Jadukar By Humayun Ahmed.pdf
Jalil Shaheber Petition By Humayun Ahmed.pdf
Jibonkrishno Memorial High School By Humayun Ahmed.pdf
Jochna O Jononir Golpo By Humayun Ahmed.pdf
Jodiyo Sandhya By Humayun Ahmed.pdf
Jol Jochna By Humayun Ahmed.pdf
Jol Poddo By Humayun Ahmed.pdf
Kalo Jadukor by Humayun Ahmed.PDF
Kathpencil By Humayun Ahmed.pdf
Ke Kotha Koi By Humayun Ahmed.pdf
Kichu Shoishob By Hymayun Ahmed.pdf
Kichukkhan By Humayun Ahmed.pdf
Kobi 1, 2 & 3 By Humayun Ahmed.pdf
Kothau Keu Nei By Humayun Ahmed.pdf
Krishno Pokkho By Humayun Ahmed.pdf
Kudduser Ekdin By Humayun Ahmed.pdf
Kuhok By Humayun Ahmed.pdf
Kuhurani By Humayun Ahmed.pdf
Kutu Mia By Humayun Ahmed.pdf
Lilaboti By Humayun Ahmed [Part.1].pdf
Lilaboti By Humayun Ahmed [Part.2].pdf
Lilaboti By Humayun Ahmed [Part.3].pdf
Lilaboti By Humayun Ahmed.pdf
Lilua Batash By Humayun Ahmed.pdf
Maddhanya By Humayun Ahmed [Part.1].pdf
Maddhanya By Humayun Ahmed [Part.2].pdf
Maddhanya.2 By Humayun Ahmed [Part.1].pdf
Maddhanya.2 By Humayun Ahmed [Part.2].pdf
Magic Munshi By Humayun Ahmed.pdf
Manobi By Humayun Ahmed [2009].pdf
Matal Haowa By Humayun Ahmed.pdf
Megh Boleche Jabo Jabo By Humayun Ahmed.pdf
Megher Opor Bari By Humayun Ahmed.pdf
Mirar Gramer Bari By Humayun Ahmed.pdf
Mojar Bhoot By Humayun Ahmed.pdf
Mrinmoyee By Humayun Ahmed.pdf
Mrinmoyir Mon Bhalo Nei By Humayun Ahmed.pdf
Nabani By Humayun Ahmed.pdf
Nalini Babu B. Sc By Humayun Ahmed.pdf
Nandito Noroke By Humayun Ahmed.pdf
Nee By Humayun Ahmed.pdf
Neel Aporajita By Humayun Ahmed.pdf
Neel Hati By Humayun Ahmed.pdf
Neel Manush By Humayun Ahmed.pdf
New York Er Nil Akashe Jhokjhoke Rod - Humayun Ahmed.pdf
Nirbachito Bhooter Golpo By Humayun Ahmed.pdf
Nirbason By Humayun Ahmed.pdf
OhoK By Humayun Ahmed.pdf
Omanush By Humayun Ahmed [Eid Release].pdf
Omega Point By Humayun Ahmed.pdf
Onil Bagchir Ekdin by Humayun Ahmed.pdf
Onnodin By Humayun Ahmed.pdf
Opekkha By Humayun Ahmed.pdf
Oyomoy By Humayun Ahmed.pdf
Paap By Humayun Ahmed.pdf
Pakhi Amar Ekla Pakhi By Humayun Ahmed.pdf
Parul O Tinti Kukur By Humayun Ahmed.pdf
Payer Tolay Khrom - Humayun Ahmed.pdf
Poka By Humayun Ahmed.pdf
Premer Golpo By Humayun Ahmed [Valentine's Special].pdf
Priyotomeshu By Humayun Ahmed.pdf
Putro Nishad.pdf
Putul By Humayun Ahmed.pdf
Raboner Deshe Ami Ebong Amra By Humayun Ahmed.pdf
Rodon Vora E Bosonto By Humayun Ahmed.pdf
Rong Pencil By Humayun Ahmed.pdf
Rupa by Humayun Ahmed.pdf
Rupar Palanko By Humayun Ahmed.pdf
Sajghor By Humayun Ahmed.pdf
Sanaullar Mohabipod By Humayun Ahmed [2009].pdf
Se O Nortoki By Humayun Ahmed.pdf
Sedin Choitramas By Humayun Ahmed.pdf
Shankhoneel Karagar By Humayun Ahmed.pdf
Shob Jatra By Humayun Ahmed.pdf
Shunya by Humayun Ahmed.PDF
Shyamol Chaya By Humayun Ahmed [Independence Day Release].pdf
Sobai Gechhe Bone By Humayun Ahmed.pdf
Sokol Kata Dhonno Kore By Humayun Ahmed.pdf
Sourov By Humayun Ahmed.pdf
Tara Tin Jon By Humayun Ahmed.pdf
Tetul Bone Jochna By Humayun Ahmed.pdf
The Exorcist By Humayun Ahmed.pdf
Tithir Neel Toyale By Humayun Ahmed.pdf
Tomader Jonno Valobasha By Humayun Ahmed.pdf
Tomake By Humayun Ahmed.pdf
Tumi Amay Dekechile Chutir Nimontrone By Humayun Ahmed.pdf
Uralpankhi By Humayun Ahmed.pdf
Uthon Periye Dui Paa By Humayun Ahmed.pdf

======
Shuvro
======

Daruchini Dip By Humayun Ahmed.pdf
Ei Shuvro Ei! By Humayun Ahmed.pdf
Megher Chaya By Humayun Ahmed.pdf
Rupali Dip By Humayun Ahmed.pdf
Shuvro By Humayun Ahmed.pdf
Shuvro Geche Bone By Humayun Ahmed.pdf

ডাউনলোড লিঙ্ক -

এখানে ৭টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১মঃ http://www.mediafire.com/download.php?ob4mo1u7xgbfk75
২য়ঃ http://www.mediafire.com/download.php?pzw97qb4m7mb6mf
৩য়ঃ http://www.mediafire.com/download.php?kevu5n3cxhpcvbs
৪র্থঃ http://www.mediafire.com/download.php?4wtfxmx0mob0xgp
৫মঃ http://www.mediafire.com/download.php?tr0q1ydz10meclv
৬ষ্ঠঃ http://www.mediafire.com/download.php?3uxmy446oxb9g7h
৭মঃ http://www.mediafire.com/download.php?f6d80jfp0w613c2

ফাইল গুলো Password Protected.তাই ডাউনলোড করতে Password চাইবে।
Password টি হলো - peezon    .

আবারও ভালোবাসার অপেক্ষায় ......।।



এই আমার বউ, শুভ সকাল। হইসে তো আর কত ঘুমাবা ? ওঠো না এইবার। কিরে জান, আজ কি খুব বেশি টায়ার্ড ছিলে যে আমাকে গুড নাইট না বলে আদর না দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে ? সেই কখন থেকে অপেক্ষা করতেছিলাম যে কখন তুমি আমাকে গুড নাইট বলবে, আদর দিবে কই কিছুই তো করলে না। তুমি আমার পচা ১টা বউ। তারপরও আমি আমার এই পচা বউটাকে অনেক ভালোবাসি।

জানো পাখি, আজ সারাটা দিন আমার না ১টা কথা খুব মনে পড়ছে। কি জানো সেটা ? লাস্ট টাইম যখন তুমি বাড়ি ছিলে তখন থেকেই তোমার সাথে আমার পরিচয় হইছে। আমাকে পছন্দ করা শুরু করলে, আমাকে অফার করলে, তারপর আমি তোমাকে ১টা মেসেজ দেয়ার পর সে কি কান্না তোমার। তখন না পারতেছিলাম তোমাকে মানা করতে না পারতেছিলাম হা বলতে। তারপর যাই হোক, আল্লাহর অশেষ রহমতে তুমি এখন আমার হইস, একদম আমার বউ হয়ে।

এই কথাগুলো বলার কারন কি জানো পাখি ? ঠিক সেই রকম অনুভুতি টা আজ আমার হচ্ছে। আজ সারাদিন আমি ফ্রি ছিলাম, সারাটা দিন বাসায় ছিলাম, তোমাকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে মনে খুব আনন্দ নিয়ে ছিলাম এমনটা মনে করে যে, যখন আমি জব এ বিজি থাকব তখন তুমি আর একা থেকে বোরড হবে না। আমার জন্য মন খারাপ হবে না, ফামিল্যর সবার সাথে থাকলে সময়টা কিভাবে যে কেটে যাবে সেটা টেরও পাবে না। কিন্তু মনের সব আনন্দ যে সব সময় সঠিক হয় না জান। কেন জানো সেটা ?

আজ আমি সত্যিই অনুভব করতে পারতেছি কতোটা একা লাগছে আমার কাছে তোমার সঙ্গ ছাড়া। ইচ্ছে করলেও ফোন করতে পারছিনা, দেখতে পারছিনা, জগরা করতে পারছি না, ৩০ মিনিটে কম করে হলেও ১০ বার ফোন করতে পারছিনা, গায়ে পড়ে জগরা করতে পারছিনা এই বলে যে, এই এত রাতে তোমার ফোন ওয়েটিং কেন ? জানো পাখি, তোমাকে ক্ষেপাতে অনেক ভালো লাগে কিন্তু যখন তুমি আমার এইসব ফানগুলো না বুঝে কান্না করে দাও তখন খুব বেশিই কষ্ট লাগে যতটা না ফান করেছি।

বাসায় গেলে মাত্র ১ সপ্তাহের জন্য, আজ ১টা রাতও পার হয়নি এখনও অথচ কতটা মিস করছি তোমাকে সেটা বলে বুঝাতে পারবো না। বাকি ৬ টা রাত আমার কি করে কাটবে বল ??? সত্যিই ভালো লাগার মুহূর্তগুলো যখন ভালোবাসার মানুষের সাথে কিছুক্ষনের জন্য আড়াল হয়ে যায়, মন বলতে যেই বস্তুটা আছে সেটাও সাথে সাথে অচল হয়ে যায়।

তুমি হাসার পর গালে টোল পরাটা আজ খুব বেশি দেখতে ইচ্ছে হচ্ছে পাখি। সেটা দেখার পর আরও বলতে ইচ্ছে হচ্ছে, ইসসস... আমার বউয়ের গাবলুস গাল ২টা ধরে একটু টান দিতে পারতাম ? আর তখন তুমি বলতে, তুমি আমার চুল টেনে দিবে যদি তোমার গালে হাত দেই। কারন তুমি জানো যে, চুলে হাত দেয়াটা আমার জন্য কতোটা বিরক্তিকর। থাক বাবা, তোমারও আমার চুলে হাত দিতে হবে না আর আমিও গাবলুস গাল ২টা ধরে টান দিমু না।

জানি বউ, তুমি এখন অঘোরে ঘুমাচ্ছ। হয়ত ঘুম থেকে ওঠে দেখবে সকাল হয়ে গেছে (সব সময়ই সেটা হয়)। আমাকে ফোন না দিতে পারলেও ফেসবুক এ তো ডেফিনেটলি মেসেজ দিবে সেটা আমি জানি। হয়ত তখন আমি ঘুমিয়ে পরবো কিন্তু যখন আমার ঘুম ভাঙবে, হোক মাঝ রাতে হোক সকালে, সব সময়ের মতো ঘুম চোখে ১টা চোখ একটু খুলে মেসেজটা পড়ে আবার ঘুমিয়ে পরবো। রিপ্লাই দেয়ার কথা মনে না থাকলে রাগ করতে পারবে না কইলাম আগেই বলে দিছি।

যখন তুমি মেসেজটা পড়বে আমি জানি তোমার একটু মন খারাপ হবে, হয়ত চোখ দিয়ে ২-১ ফোঁটা পানি পড়বে (যদি ইমোশনাল হও আর কি গ্যারান্টি নাই) আর মনে মনে বলবে, জোর করে বাসায় পাঠাইছো এখন বুঝো কেমন লাগে। জানি পাখি, আমি জিজ্ঞাসা করলে বলবে, ইসসস আমার চোখের পানি এত সস্থা না, যেই কারো জন্য সেটা নষ্ট করবো, ফুটানি ...।। কি জান, ঠিক বলছি না আমি ??? হি হি হি ......।।

সত্যি বলতে কি জানো পাখি, ভালোবাসাটা এমনই। প্রকাশ করতে একটু দ্বিধা থাকে কিন্তু চোখের পানি নিজের অজান্তেই পরে, হোক সেটা কষ্টের হোক সেটা আনন্দের। অনেক বেশি ভালোবাসি তোমায় পাখি।

নিয়ে নিন আপনার জন্য একটি ভিন্ন ধরনের ই-মেইল এড্রেস


undefinedআজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি দারুন মজার একটা জিনিস। সেটা হচ্ছে একটি ভিন্ন ধরনের ই-মেইল সেবা। আমরা সবাই জিমেইল, ইয়াহু, হটমেইল ইত্যাদি কোম্পানীর ইমেইল সেবা ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আমরা সবাই মনে মনে ভাবি যে যদি ভিন্ন ধরনের ইমেইল ডোমেইন সেবা ব্যবহার করা যেত তাহলে অন্যের কাছে ঈর্শার একটা ব্যাপার হতে পারত। ঠিক সেই জন্যই আমার আজকের এই পোস্ট। তাহলে চলুন চলে যাই
এবার মনে করুন আপনি একজন আইনজীবি। তাহলে আপনি আপনার ইমেইল এড্রেস myname@lawyer.com এভাবে দিতে চাচ্ছেন। তাহলে এই সাইটে Sign up now এ ক্লিক করে পরের স্টেপে Personal Information অংশে প্রয়োজনীয় ডাটা টাইপ করুন। এবার Check availability অংশে আপনার ইমেইল এর প্রথম অংশটি টাইপ করে @ এর পরের অংশে ক্লিক করে যে কোন একটি ডোমেইন সিলেক্ট করুন। তারপর Check availability তে ক্লিক করে দেখুন আপনার ইমেইল এড্রেসটি এভেইলেভল কিনা। এখন Define your password অংশে আপনার পাসওয়ার্ড ও In case you forget your password অংশে আপনার অন্য ইমেইল ও সিকিউরিটি কোয়েশ্চেন এবং আন্সার ঠিক করে দিন। তারপর Verify your Registration অংশে ক্যাপচাটি টাইপ করে I accept, create my account এ ক্লিক করলেই আপনার একাউন্টটি তৈরি হয়ে যাবে।

জনপ্রিয় সব বাংলা কমিকসের রাজ্য (ফেলুদা কমিকস, বেসিক আলী ,নন্টে ফন্টে , রস আলো + বোনাস) {{মেগা post}}


2009 01 25 11 8 b

:x । বাংলা কমিকসের রাজ্যে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম ! কমিকস পড়তে এখন আর বয়স হিসেব করতে হবেনা , সব বয়সীদের নির্মল আনন্দ বিনোদনের খোরাক হল কমিকস। বিশ্বাস হচ্ছে না ? নিচের কমিক্সগুলো পড়েই দেখুন :cool: !

নন্টে ফন্টে

9183
9184
9185
9187
9188
দারুন মজা, না ? এখানে মাত্র একটি পর্ব দিলাম ,এর আরও পর্ব পড়ুন www.comicz.co.cc এই সাইটটি থেকে।

হাঁদা ভোঁদা

1136
1137
1138
1139
1140
1141
দারুন মজা, না ? এখানে মাত্র একটি পর্ব দিলাম ,এর আরও পর্ব পড়ুন www.comicz.co.cc এই সাইটটি থেকে।


ঊন্মাদ

16
18
এখানে মাত্র একটি পর্ব দিলাম ,এর আরও পর্ব পড়ুন www.comicz.co.cc এই সাইটটি থেকে।


বেসিক আলী


2009 01 29 11 6 b
2009 02 02 11 7 b
এর আরও পর্ব পড়ুন www.comicz.co.cc এই সাইটটি থেকে।


রস+আলো


9
এখানে মাত্র একটি পর্ব দিলাম ,এর আরও পর্ব পড়ুন www.comicz.co.cc এই সাইটটি থেকে।


ফেলুদা কমিকস

Gosaipur Sargaram0013
এর পুরো পর্ব পড়ুন www.comicz.co.cc এই সাইটটি থেকে।

।। বিচিত্র বিল্ডিং ।।

Wooden Gagster House [Archangelsk , Russia]। এটি একটি ১৩ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এবং এটির উচ্চতা ১৪৪ ফিট। এটিকে পৃথিবীর সর্বোচ্চ কাঠের বিল্ডিং মনে করা হয়। এটি Mr. Sutyagin এবং তার পরিবার তৈরী করেন। এটি তৈরী করতে ১৫ বৎসর লেগেছিল।

~~ সাইবার যুদ্ধটি বিপুল সম্ভাবনার~~




আনোয়ার ফরহাদ, নিজস্ব প্রতিনিধি ও মাসুদ জাকারিয়া, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, প্রবাসীপত্র.কম

বাংলাদেশ বনাম ভারতের হ্যাকারদের মধ্যে সাইবার যুদ্ধ অনেকদূর গড়িয়েছে। সর্বশেষ ১২ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত বিএসএফ এর ওয়েবসাইট দ্বিতীয়বার হ্যাকসহ ১৫ হাজারের বেশি ভারতীয় সরকারী-বেসরকারী সাইট হ্যাক করেছে বাংলাদেশী হ্যাকাররা। আর বাংলাদেশী ১৫০টি সরকারী সাইট হ্যাক করেছে ভারতীয় হ্যাকাররা।

~~ সাইবার যুদ্ধ নতুন ঘটনা না

সাইবার যু্দ্ধ বাংলাদেশে নতুন হলেও বিশ্বের ইতিহাসে কয়েকশবার সংগঠিত হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত হচ্ছে। টেকনিক্যাল বিবেচনায় সাইবার যুদ্ধ বিষয়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং এটিই এর সম্ভাবনার দিক। যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া, ইসরাঈল-ইরান, ভারত-চীন, ভারত-পাকিস্তান, চীন-জাপান, প্যালেস্টাইন-ইসরাঈল ইত্যাদি দেশের সাইবার যুদ্ধগুলি অনেক পরিচিত ঘটনা।

~~ বাংলাদেশ ভারত সাইবার যুদ্ধ কেন?

বিএসএফ ২০১১ সালের প্রথম দিকে বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে কাঁটাতারের উপর ঝুলিয়ে দেয়। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মিডিয়ায় এ ঘটনা প্রচারিত হয় এবং ভারতের এ আগ্রাসী ও নির্মম হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে নিন্দা জানায় বিশ্ববাসী।শুধু এ ঘটনাই নয়, প্রতিনিয়তই ভারত সীমান্তে বাংলাদেশীদের গুলি করে হ্ত্যা করে। কিছুদিন, আগে আবার বিএসএফ এর এক নিঃলজ্জ কর্মকান্ড বিশ্ববাসী দেখল খোদ তাদেরই মিডিয়া এনডিটিভিতে এবং এর প্রতিবাদে এবার বাংলাদেশের হ্যাকাররা বিএসএফ এর সাইট হ্যাক করে ফেলানীর ছবি তুলে দেয়। বাংলাদেশের হ্যাকারদের বিভিন্ন প্রচারনা পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় ফেলানীর এ ঘটনা এবং সীমান্তে বিএসএফ এর প্রতিদিনকার হত্যা নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ভারতীয় কতৃপক্ষকে সতর্ক করতে তাদের এ উদ্যোগ। কিন্তু, বাংলাদেশ-ভারত হ্যাকিং যুদ্ধ প্রথম শুরু করে বাংলাদেশ নয়, ভারত। বছর খানেক আগে অনেকটা ফ্যাশনস্বরূপ ভারতীয় হ্যাকাররা বাংলাদেশ সরকারের কিছু সাইট হ্যাক করে ’জয় হিন্দ’ লিখে দেয়।

~~ নৈতিক বিবেচনা

বর্তমান বিশ্বে হ্যাকিংকে অনৈতিক বা অবৈধ কাজ হিসেবে না দেখে বরং টেকনিক্যাল দিক থেকে দেখা হয়। হ্যাকিং এর মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক একাউন্ট হ্যাক করা ইত্যাদি গর্হিত কাজ। কিন্তু হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সিকিউরিটি দুর্বলতা ধরিয়ে দেয়া একটি টেকনিক্যাল যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে, রাষ্ট্রীয় কোন সাইট হ্যাক করা এবং ‘জয় হিন্দ’ জাতীয় শব্দ প্রজোযনা করার সাথে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব জড়িত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার আইনে বিষয়টি এভাবেই দেখা হয়। ভারত সে কাজটিই করেছে বাংলাদেশের সাথে।

অপরদিকে বাংলাদেশী হ্যাকারদের হ্যাকিং কেবল প্রতিবাদের অংশমাত্র। সীমান্ত বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও কার্যকলাপ প্রতিনিয়তই উস্কানিমূলক এবং এ হ্যাকিং সেগুলোই বিরোধীতামাত্র।

~~ ভারতের করণীয়

আমাদের বিবেচনা, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের উচিৎ এখনি সীমান্ত বিষয়ে সঠিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগ্রহণ। শুধুমাত্র সীমান্ত হত্যা নয়, টিপাইমুখ বাঁধ, গঙ্গার পানি, ট্রানজিট ইস্যু ও অপরাপর সব বিষয়ে অগনতান্ত্রিক আচরণ থেকে সরে আসা। প্রতিনিয়ত কূটনৈতিক অসৌজন্যতামূলক বক্তব্য পরিহার করা। কারণ, আমাদেরকে মনে রাখতে হবে বাংলাদেশী হ্যাকার নিজ হাতে হ্যাকিংয়ের কাজটি করলেও বাংলাদেশের জনগন মানসিকভাবে এ প্রতিবাদে শামিল আছে।

~~ এ ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক

একটি বিষয় এখন অত্যন্ত পরিস্কার টেকনিক্যালি সাউন্ড স্কিল না থাকলে ভারতের মত আইটি জায়ান্ট দেশের হাজার হাজার ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি ডোর ভেঙ্গে বাংলাদেশের হ্যাকার-প্রোগ্রামাররা এ কাজটা করতে পারত না। ভবিষ্যতে আমাদের সরকারী-বেসরকারী সাইট ও সার্ভারগুলির নিরাপত্তার কাজে তাদেকে কাজে লাগান যেতে পারে। ‍দ্বিতীয়ত, সারা বিশ্বের আইটি এম্লয়াররা এখন নিশ্চয় দেখছেন, বাংলাদেশের প্রোগ্রামারদের একটি বিশাল অংশ সিকিউরিটি বিষয়ে অনেক বেশি দক্ষ হয়ে উঠেছে যা তাদের কাজগুলি বাংলাদেশে আউটসোর্স করতে তাদেরকে বিপুলভাবে উৎসাহিত করবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত আইটি ব্যবসায়ের সাথে জড়িত বাংলাদেশীরা যদি এ বিষয়টি সেসব দেশে তুলে ধরেন তাহলে ভবিষ্যতে লক্ষ লক্ষ ডলারের আইটি প্রজেক্ট বাংলাদেশে আসতে পারে। এভাবে দেখলে এ ঘটনা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুইভাবেই বাংলাদেশের জন্য সুদূর প্রসারী ভূমিকা রাখতে পারে। নির্ভর করছে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ও তাদেরকে সঠিকভাবে ইউটিলাইজ করতে পারার উপর।

বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করা ১টি রহস্যময় ঘটনা

পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া থেকে তিনজন যাত্রী নিয়ে ২০০৭সালের ১৫ই এপ্রিল রবিবার Katz II নামের একটি ছোট ইয়র্ট সমুদ্রের উদ্দেশ্যো যাত্রা শুরু করে। ঠিক তিনদিন পর অর্থাৎ বুধবার এই ইয়র্টটিকে সমুদ্রের মাঝে সেই জায়গা থেকে বেশ দূরে Townsville নামক একটি জায়গার প্রায় ১৫০কি:মি: দূরে শেষ এর অস্ত্বিত্ত দেখা যায়। শুক্রবারে এটি বন্দরে এসে ভিড়ে। বিস্ময়ের পালা তখন মাত্র শুরু হলো। সেই ইয়র্টটিতে গিয়ে দেখা যায় ইন্জিন তখনো চলছে, একটি ল্যাপটপ তখনো অন হয়ে আছে , রেডিও ও জিপিএস ঠিক আছে এবং তিনজনের খাবার সাজানো টেবিলে। কিন্তু সেই যাত্রী তিনজনের কোন অস্ত্বিত্তই নেই আর। একেবারে যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে সবাই। এমনকি লাইফ জ্যাকেটসহ সব ইয়র্টেই আছে!! তদন্তকারীরা একটি ভিডিও ক্যামেরা আবিষ্কার করে যেখানে ইয়র্টটি আবিষ্কার হবার কিছুক্ষণ আগের একটি ভিডিও আছে। সেবি ভিডিও সেই যাত্রী তিনজন ছিলো। কিন্তু ভিডিওতে তাদের কারো মাঝে কোন প্রকার সমস্যা বা চিন্তা করার মতো কিছু দেখা যায়নি। সাধারণ মানুষের মতোই তাদের আচরণ। সেই যাত্রীদের খোজ আর পাওয়া যায়নি কখনো। যেন একেবারেই হাওয়ার সাথে মিলিয়ে গেছে তারা। অনেক তদন্ত ও সার্চ পাটি লাগানো হয়েছিলো। কিন্তু সেই তিনজন আজো গায়েব। কোন ব্যাখ্যা নেই।

দীর্ঘতম প্রাইভেট কার

মজার তথ্য!

একটা প্রাইভেট কার লম্বায় আর কতোই বা বড় হতে পারে? বড়জোড় একটা মাইক্রোবাসের সমান! নাকি? কিন্তু আপনার চোখ কপালে উঠতেই পারে এটা শুনে যে বিলাসবহুল প্রাইভেট কার, লিমুজিন এক্ষেত্রে প্রায় অসম্ভব একটা রেকর্ডই করে বসে আছে। ক্যালিফোর্ণিয়ার যে ওহরবার্গ তার ব্যক্তিগত লিমুজিনটিকে লম্বায় ১০০ ফুট বানিয়ে ফেলেছেন। এতে চাকা আছে ২৬টি। বাঁক নেবার সুবিধার্থে গাড়ির মাঝ বরাবর বাঁকবার ব্যবস্থা আছে। রয়েছে সামনে কিংবা পেছনে দুইদিকের ড্রাইভার কম্পার্টমেন্ট। নইলে এতো বড়ো গাড়ী কোথায় মোড় ঘুরবে আপনিই বলুন!

প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করে বাড়ি !!!

বাংলাদেশে আমরা যখন যত্রতত্র ফেলা প্লাস্টিকের বোতল নিয়ে উদ্বিগ্ন, তখন নাইজেরিয়ার ইয়েলওয়া গ্রামে প্লাস্টিকের বোতল আশার দীপ জ্বালছে!
ঘরের দেয়াল হিসেবে প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করছে সেখানকার অধিবাসীরা। ২০টি ঘর দাঁড়িয়ে গেছে এরই মধ্যে। খালি বোতলের ভেতর শুকনো মাটি পুরে একের পর এক সাজিয়ে দেয়াল গড়ছে ইয়েলওয়াবাসীরা।
এর প্রচলন শুরু হয়েছিল মূলত বছর নয় আগে; ভারত, দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকায়। সস্তা ও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বোতলের দেয়াল। তিনটি কক্ষ দাঁড় করাতে দরকার হয় সাত হাজার ৮০০টি বোতল।


বৈচিত্রে ভরপুর মাউন্ট ওগলা ন্যাশনাল পার্ক

আমরা অনেকেই জানি যে প্রাণিজগতে গিরগিটি রং বদলাতে পারে যখন খুশি তখন, রং নিয়ে তামাশা করতে পারে সাগর জলের স্কুইডও।যদি বলা যায় যে স্বয়ং পাহাড়ও রং বদলায় এ কথা শুনে অনেকেই আঁতকে উঠতে পারেন।বিশ্ময়ের সীমারেখা কোথায় যেতে পারে! ‘রাইয়ারস রক’ নামের এই পাহাড়টির রয়েছে অদ্ভুত রং বদলানো বৈশিষ্ঠ্য। এর অবস্হান অস্ট্রেলিয়ায়। বৈচিত্র বৈশিষ্ঠের জন্য অনেকেই একে ম্যাজিক পাহাড়ও বলে থাকেন। দেখতে ডিমের মত আকৃতির এ পাহাড়টির উচ্চতা ৩৪৮ মিটার, দৈর্ঘ ৭ কিলোমিটার এবং প্রস্হ ২.৪ কিলোমিটার। পাহাড়টির স্বাভাবিক রং লাল তবে সুর্যোদয় ও সুর্যাস্তের সময় ঘটে অদ্ভুত যত ঘটনা।সকালে সুর্যের আলোর বিচ্ছুরন পাহাড়ের উপর পড়লেই মনে হয় যেন আগুন ধরেছে এর গায়ে। বেগুনী ও গাঢ় লাল রংয়ের শিখা বের হয়ে আসে পাহাড় থেকে। কেবল সুর্যোদয় কিংবা সুর্যাস্ত নয় সারাদিন জুড়ে চলে রঙ বদলের খেলা।

প্রথমে হলুদ থেকে কমলা. পরে লাল ও মাঝে মাঝে বেগুনী কখনওবা গুমোট কালো। অসম্ভব রহস্যের আনাগোনা পাহাড়টি জুড়ে। রং রহস্যের রাইয়ারস রক এর মাধুর্য মুগ্ধ করে যেকোন মানুষকেই।অদ্ভুদ এ পাহাড়টির সম্পূর্নই একটি প্রস্তর খন্ড। এর গঠনটাই অদ্ভুদ সুর্যরশ্মির আপতন কোণের পরিবর্তনের সাথে পাল্লা দিয়ে এর রঙ পরিবর্তন হয়।

সুর্যোদয় কিংবা সুর্যাস্তের সময় সুর্যরশ্মিতে লাল ও কমলা রঙের আধিক্য থাকে। ফলে এ সময় পাহাড়টিকে লাল কিংবা কমলা মনে হয়। দুপুরের দিকে সুর্যরশ্মিতে অন্যান্য রঙের প্রাধান্য থাকে তাই ক্ষনে ক্ষনে পাহাড় রঙ বদলায়। অস্ট্রেলিয়ান সরকার পাহাড়তি পর্যটকদের অবলোকনের সুবিদার্থে এর কাছাকাছি গড়ে তুলেছে ৪৮৭ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে গড়ে তুলেছে মাউন্ট ওগলা ন্যাশনাল পার্ক।


সর্বোচ্চ স্টেচু বা মূর্তি

সর্বোচ্চ স্টেচু বা মূর্তি হচ্ছে Christ The Redeemer Statue, এটি ব্রাজিলে আবস্থিত পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু মূর্তি।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় থার্মোমিটার

ক্যালিফোর্নিয়া'র বেকার কাউন্টিতে অবস্থিত রাস্তার পাশের অন্যতম দৃষ্টি-নন্দনীয় আকর্ষণ হলো এই বিগ জায়ান্ট থার্মোমিটার রেপ্লিকা। ১৩৪ ফুট লম্বা এই থার্মোমিটার শুধু মাত্র ক্যালিফোর্নিয়ারই নয় পুরো যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সর্বাধিক গরম জায়গা ড্যথ ভ্যলীতে (যেখানে ১৯১৩ সালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিলো ১৩৪ ডিগ্রী) ঢুকার পথে অবস্থিত।


ভয়ঙ্কর সুন্দর রেস্টুরেন্ট

এই ভয়ঙ্কর সুন্দর রেস্টুরেন্টটি চীনের হুবেই প্রদেশে ছাং জিয়াং নদীর উপর সান্যইউ গুহার পাশে অবস্থিত।


Facebook Twitter RSS