M.A.A. NAFISH PEEZON. Blogger দ্বারা পরিচালিত.
ই-বুক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ই-বুক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

কোন সফটওয়ার ছাড়াই আপনার ফোল্ডারটিতে Password দিন।

সকলকে শুভ সন্ধ্যা ।আজ আমি আপনার দেখাব কিভাবে আপনি আপনার ফোল্ডার রে কোন সফটওয়্যার ছাড়া পাসওয়ার্ড দিবেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
১।প্রথমে নিম্নে দেওয়া টেক্সট ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন ।
secret text

২।এরপর টেক্সট ফাইলটি ওপেন করুন
৩। ওপেন করার পর যেখানে যেখানে theotonius নামটি লেখা আছে সেখানে আপনার নিজস্ব ফোল্ডার এর নাম দিন।


৪।এরপর আপনার নিজস্ব পাসওয়ার্ড সেট করবেন যেভাবে!! type your password এর জায়গায় আপনার পছন্দের  পাসওয়ার্ডটি টাইপ করুন।


৫। এবার ফাইল টিকে আপনার পছন্দের নাম দিয়ে নামের শেষে .bat দিয়ে এবং All file এ সিলেক্ট করুন।আমি এখানে বুঝানোর জন্য দিয়েছি “secret.bat”

৬।এবার তৈরি ক্রিত ফাইল টি ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন দেখবেন একটি ফোল্ডার তৈরি হয়েছে সেখানে আপনার ডকুমেন্ট রেখে দিয়ে আবার  .bat ফাইল টির ডাবল ক্লিক করুন দেখবেন যে লেখা উঠেছে “Are you sure to lock this folder”y/n
যদি ফোল্ডার টিকে লক করতে চান তবে “Y” চাপুন। দেখবেন যে আপনার তৈরি ক্রিত ফোল্ডার টি হাইড হয়ে গেছে।
৭।পুনরায় ফোল্ডার টির লক খুলতে  .bat file টির উপর ডাবল ক্লিক করুন এরপর আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড টি টাইপ করুন দেখবেন ফোল্ডার টি ওপেন হয়েছে।
ধন্যবাদ সবাইকে ভাল থাকবেন।
আমার পোষ্টটি ভাল লাগলে কমেন্ট করুন। ভুল হলে ক্ষমা করবেন কারন এটি আমার প্রথম পোষ্ট

পিডিএফ ফাইলে মিউজিক কিংবা এনিমেশন যুক্ত করবেন যেভাবে

কোনো কিছু প্রেজেন্টেশনের  জন্য আমরা সাধারনত  এমএস পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহার করি ।। পাওয়ার পয়েন্টের রয়েছে অনেক সুযোগ সুবিধা ।যেমন-  প্রতি পেজ পাল্টানোর সময় অ্যানিমেশন দেয়া যায় , মিউজিক দেয়া যায় ফাইলে । ইত্যাদি কাজগুলা  যদি পিডিএফে দেওয়া যেত তাহলে কেমন হয় ? :D
হ্যা আজকে তাই দেখাবো আপনাদের । ‘পিডিএফরিজাটর’ সফটওয়্যার দ্বারা আপনি পিডিএফ ফাইল মনের মত করে এডিট করতে পারবেন । প্রথমে সফটটির ফিচারগুলো দেখে নিন :
undefined

Key Features

  • Create PDF presentations, setting up the page transition effect, automatic page advance time and the presentation background music.
  • Convert multiple file type formats (e.g. .gif, .jpg, .png, .tif, .cbr, .cbz,…) to PDF.
  • Add supported file types to the project using the command line, Shell drag and drop, Internet search, or paste from the Windows clipboard.
  • Powerful Resource Explorer, able to browse local files and online ones using Internet services such as: Bing images, Google images, Picasa, Flickr and Twitpic.
  • Advanced Sound Explorer, with embedded player, to easily select local music files, or found in the Internet, searching in sites such as SoundCloud.
  • Easily view and convert .cbr and .cbz Comic Books to PDF.
  • Acquire from TWAIN sources, with timed acquire function.
  • Auto deskew pages, even from already existing PDF’s.
  • Visually merge, delete, rotate, rearrange and set result PDF pages size.
  • Advanced GUI, with docking functionality.
  • Possibility to install in portable mode.

অ্যানিমেশন যুক্ত পিডিএফ বানানোর জন্য সফটওয়্যারটি চালু করে ইচ্ছামতো ছবি বা পিডিএফ ফাইল খুলুন। এরপরে ডান পাশে  Document ট্যাবে গিয়ে Presentation Mode-এর ড্রপ-ডাউন থেকে Yes করুন। এখন আপনি পিডিএফ ফাইলটি চলার সময় মনের মত যেকোনো মিউজিক শুনতে চাইলে Background Music-এ মিউজিক আনতে পারেন। এখন আপনি বিভিন্ন পেজে অ্যানিমেশন দিতে পেজটি নির্বাচন করে Page ট্যাব থেকে Transition effect-এ পছন্দের ইফেক্টস দিন। এইভাবে প্রতিটি পেজে ইচ্ছেমত কিংবা আলাদা আলদা সব পেজ নির্বাচন করে পছন্দের ইফেক্টস দিতে পারেন। সবশেষে Convert to PDF অপশনে ক্লিক করে পিডিএফ ফাইল তৈরি করুন।
ফ্রিওয়্যার  এই সফটওয়্যারটি নামাতে চাইলে নিচের লিংকে ক্লীক করুন :
” সরাসরি ডাওনলোড করতে এখানে ক্লীক করুন ”

ভাল থাকুন ।সুস্থ থাকুন ।
নিজে জানুন , অন্যকে জানান ।
আল্লাহ হাফেজ ।

প্রয়োজনীয় সাইট এর লিঙ্ক

আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম বিশাল এক ডিরেক্টরি, অর্থাৎ এক সাথে অনেক প্রয়োজনীয় সাইট এর লিঙ্কঃ
পেচাল না পাইরা লিঙ্ক গুলা দিয়া দিলাম :p

অনলাইন সংবাদপত্রঃ

বাংলা অনলাইন রেডিওসমূহঃ

শিক্ষাসেবাসমূহ:

জরুরী স্বাস্থ্য/রোগ বিষয়ক সাইট:

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাইট:

দেশী চাকরীর (বিজ্ঞাপন) সাইট

বাংলাবই ডাউনলোড

Download Audio-Video/Movie/Drama

জরুরী প্রতিষ্ঠান/ওয়েবসাইট/ঠিকানা/লিঙ্কসমূহ

শেয়ার বাজার

বাংলা টিভিচ্যানেল সাইট


বাংলাফন্ট/কনভার্রটার//টুলবার ও ইমেইল-ফ্যাক্স

বাংলাদেশ সংবিধান

**রহস্যঘেরা টাইটানিক, (পড়ে দেখুন)**

549249 375905562454926 456489525 n **রহস্যঘেরা টাইটানিক, (পড়ে দেখুন)**

ইতিহাসের সবচেয়ে বিশাল এবং বিলাসবহুল জাহাজ হিসেবে টাইটানিকের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। ১৯১২ সালে জাহাজটি আশ্চর্যজনকভাবে ডুবে গেলেও আজ পর্যন্ত একে ঘিরে মানুষের আগ্রহ এতটুকু কমেনি।
টাইটানিক জাহাজের পূর্ণনাম RMS TITANIC (RMS-Royel Mail Ship)। এটি ছিল ব্রিটিশ শিপিং কোম্পানি হোয়াইট স্টার লাইনের মালিকানাধীন। এটি তৈরি করা হয় ইউনাইটেড কিংডম-এর বেলফাস্টের হারল্যান্ড ওলফ্ শিপইয়ার্ডে। জন পিয়ারপন্ট মরগান নামক একজন আমেরিকান ধনকুবের এবং ইন্টারন্যাশনাল মার্কেন্টাইল মেরিন কোং-এর অর্থায়নে ১৯০৯ সালের ৩১ মার্চ সর্বপ্রথম টাইটানিকের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং তখনকার প্রায় ৭.৫ মিলিয়ন (বর্তমান প্রায় ১৬৫ মিলিয়ন) ডলার ব্যয়ে এর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয় ৩১ মার্চ ১৯১২ সালে। এর দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ৮৮২ ফুট দুই ইঞ্চি (প্রায় ২৬৯.১ মিটার) এবং প্রস্থ ছিল প্রায় ৯২ ফিট (২৮ মিটার)। এ জাহাজটির ওজন ছিল প্রায় ৪৬ হাজার ৩২৮ লং টন। পানি থেকে জাহাজটির ডেকের উচ্চতা ছিল ৫৯ ফুট (১৮ মিটার)।
এ জাহাজটি একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫৪৭ জন প্যাসেঞ্জার ও ক্রু বহন করতে পারত। ব্যয়বহুল এবং চাকচিক্যের দিক থেকে তখনকার সব জাহাজকেই ছাড়িয়ে গিয়েছিল। টাইটানিকের ফার্স্ট ক্লাস যাত্রীদের জন্য বিলাসবহুল ডাইনিংয়ের ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একই সঙ্গে ৫৫০ জন খাবার খেতে পারত। এছাড়াও এর অভ্যন্তরে ছিল সুদৃশ্য সুইমিং পুল, জিমনেসিয়াম, স্কোয়াস খেলার কোট, ব্যয়বহুল তুর্কিস বাথ, ব্যয়বহুল ক্যাফে এবং ফার্স্ট ক্লাস ও সেকেন্ড ক্লাস উভয় যাত্রীদের জন্য আলাদা বিশাল লাইব্রেরি। তখনকার সব আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটেছিল এ জাহাজটিতে। এর বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাও ছিল খুবই উন্নত ধরনের। এ জাহাজের ফার্স্ট ক্লাসের জন্য তিনটি এবং সেকেন্ড ক্লাসের জন্য একটিসহ মোট চারটি লিফটের ব্যবস্থা ছিল।
জাহাজের ফার্স্ট ক্লাস যাত্রীদের জন্য সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্যাকেজটিতে আটলান্টিক একবার অতিক্রম করতেই ব্যয় করতে হতো তখনকার প্রায় ৪ হাজার ৩৫০ ডলার (যার বর্তমান মূল্য প্রায় ৯৫ হাজার ৮৬০ ডলার বা বর্তমান বাংলাদেশি টাকায় ৬৭ লাখ টাকারও বেশি)।
টাইটানিক প্রায় ৬৪টি লাইফবোট বহন করতে সক্ষম ছিল, যা প্রায় ৪০০০ লোক বহন করতে পারত। কিন্তু টাইটানিক আইনগতভাবে যত লাইফবোট নেওয়া দরকার তার চেয়ে বেশি ২০টি লাইফবোট নিয়ে যাত্রা করেছিল যা টাইটানিকের মোট যাত্রীর ৩৩% বা মাত্র ১ হাজার ১৭৮ জন যাত্রী বহন করতে পারত।
টাইটানিকের ক্যাপ্টেন ছিলেন বিশ্বজুড়ে ‘নিরাপদ ক্যাপ্টেন’, ‘মিলিয়নিয়ার ক্যাপ্টেন’ ইত্যাদি বিভিন্ন নামে খ্যাত এবং ১৫ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ইংল্যান্ডের রাজকীয় কমান্ডার এডওয়ার্ড জন স্মিথ। তার নেতৃত্বে টাইটানিক ১৯১২ সালের ১০ এপ্রিল ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
১৪ এপ্রিল ১৯১২ তারিখ রাতে নিস্তব্ধ সমুদ্রের তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রিরও কাছাকাছি নেমে যায়। আকাশ পরিষ্কার থাকলেও চাঁদ দেখা যাচ্ছিল না। সামনে আইসবার্গ (বিশাল ভাসমান বরফখণ্ড) আছে এ সংকেত পেয়ে জাহাজের ক্যাপ্টেন জাহাজের গতি সামান্য দক্ষিণ দিকে ফিরিয়ে দেন। সেদিনই দুপুর এবং বিকেলের দিকে দুটি ভিন্ন ভিন্ন জাহাজ থেকে রেডিওর মাধ্যমে যোগাযোগ করে টাইটানিকের সামনে বড় একটি আইসবার্গ আছে বলে সতর্ক করে দেয় টাইটানিককে। কিন্তু টাইটানিকের রেডিও অপারেটরদের অবহেলার কারণে এই তথ্য টাইটানিকের মূল যোগাযোগ কেন্দ্রে পেঁৗছায়নি। সেদিনই রাত ১১:৪০-এর সময় টাইটানিকের পথ পর্যবেক্ষণকারীরা সরাসরি টাইটানিকের সামনে সেই আইসবার্গটি দেখতে পায় কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। টাইটানিকের ফার্স্ট অফিসার মুর্ডক আকস্মিকভাবে বামে মোড় নেওয়ার অর্ডার দেন এবং জাহাজটিকে সম্পূর্ণ উল্টাদিকে চালনা করতে বা বন্ধ করে দিতে বলেন। তবুও টাইটানিককে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। মোড় নিতেই ডানদিকের আইসবার্গের সঙ্গে প্রচণ্ড ঘষা খেয়ে চলতে থাকে টাইটানিক। ফলে টাইটানিকের প্রায় ৯০ মিটার অংশ জুড়ে চিড় দেখা দেয়।
জাহাজটি সর্বোচ্চ চারটি পানিপূর্ণ কম্পার্টমেন্ট নিয়ে ভেসে থাকতে পারত। কিন্তু ৫টি কম্পর্টমেন্ট পানিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় এর ওজনের কারণে জাহাজটি আস্তে আস্তে ডুবতে থাকে। ঘটনার আকস্মিকতায় ক্যাপ্টেন স্মিথ মূল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে আসেন এবং জাহাজটি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেন। ১৫ তারিখ মধ্যরাতের দিকে টাইটানিকের লাইফবোটগুলো নামানো শুরু হয়। টাইটানিক বিভিন্ন দিকে জরুরি বিপদ সংকেত পাঠিয়েছিল। যেসব শিপ সাড়া দিয়েছিল তারমধ্যে অন্যতম হলো মাউন্ট ট্যাম্পল, ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং টাইটানিকের সহোদর অলিম্পিক। টাইটানিকের নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র হতে দূরবর্তী একটি জাহজের আলো দেখা যাচ্ছিল যার পরিচয় এখনো রহস্যে ঘেরা।
রাত ০২:০৫-এর দিকে জাহাজের সম্পূর্ণ মাথাই পানির প্রায় কাছাকাছি চলে আসে। ০২:১০-এর দিকে প্রপেলারকে দৃশ্যমান করে দিয়ে জাহাজের পেছনের দিক উপরে উঠতে থাকে। ০২:১৭-এর দিকে জাহাজের সামনের দিকের ডেক পর্যন্ত পানি উঠে যায়। ওই মুহূর্তেই শেষ দুটি লাইফবোট টাইটানিক ছেড়ে যায় বলে এত বিস্তারিত জানা গেছে। জাহাজের পেছনের দিক ধীরে ধীরে আরো উপরের দিকে উঠতে থাকে। এসময় জাহাজের বিদ্যুতিক সিস্টেম বন্ধ হয়ে যায় এবং চারদিকে অন্ধকার হয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরেই ভারের কারণে টাইটানিকের পেছনের অংশ সামনের অংশ থেকে ভেঙে যায় এবং জাহাজের সম্মুখভাগ সম্পূর্ণরূপে পানির নিচে চলে যায়। বায়ুজনিত কারণে এ অংশটি কিছুক্ষণ ভেসে থাকার পর রাত ০২:২০-এর দিকে ধীরে ধীরে জাহাজের বাকি অংশটিও সমুদ্রের অতল গহ্বরে হারিয়ে যায়। টাইটানিক ত্যাগ করা লাইফবোটগুলোর মধ্যে মাত্র দুটি লাইফবোট আবার উদ্ধার কাজে ফিরে এসেছিল। দুটি লাইফবোট ৮-৯ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে। ভোর ০৪:১০-এর দিকে কার্পেথিয়া জাহাজটি এসে পৌঁছয় এবং বেঁচে থাকাদের উদ্ধার করা শুরু করে। সকাল ০৮:৩০ মিনিটে জাহাজটি নিউইয়র্কের দিকে রওনা দেয়। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে খুব অল্পসংখ্যক মানুষই জীবিত ফিরে আসতে পেরেছে। টাইটানিক দুর্ঘটনায় অসংখ্য পরিবার তাদের একমাত্র উপার্জনকারীকে হারিয়েছিল। কেবলমাত্র সাউদাম্পটনের প্রায় ১০০০ পরিবার সরাসরিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া এ জাহাজটি সাইড স্ক্যান সোনার পদ্ধতিতে ১৯৮৫ সালে পুনরায় আবিষ্কার করা হয়। এর আগে টাইটানিককে পুনরাবিষ্কারের সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হয়। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে প্রায় ১২৪৬৭ ফুট বা ৩৮০০ মিটার নিচে নীরবে সমাহিত হয়ে আছে টাইটানিক, হয়ত থাকবেও চিরদিন। বিজ্ঞানীরা নানা গবেষণার জন্য এখনো এ বিষয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। পানি আর বরফের প্রকোপে ডুবন্ত টাইটানিক আস্তে আস্তে ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ৫০ বছরের মধ্যেই টাইটানিক সাগরবক্ষে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন।
টাইটানিক সারা বিশ্বে এতটাই পরিচিতি পেয়েছিল যে, এর উপর ভিত্তি করে অসংখ্য প্রতিবেদন চিত্র এবং ছায়াছবি তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে জেমস ক্যামেরুনের ( JAMES CAMERON) ‘টাইটানিক’ ছবিটি রেকর্ড ২০০ মিলিয়নেরও অধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়। সবাইকে অবাক করে দিয়ে সারা বিশ্বে টাইটানিক প্রায় ১ হাজার ৮৩৫ মিলিয়ন (১৮৩৫ মিলিয়ন) ডলার আয় করে এবং আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়ে ১১টি অস্কারসহ আরো অন্যান্য ৭৬টি পুরস্কার জিতে নেয়। টাইটানিক ডোবার ৮৫ বছর পরও এর প্রতি মানুষের আগ্রহ একটুও কমেনি ববং বহুগুণে বেড়েছে।
অনেকেরই ধারণা ছিল টাইটানিক জাহাজে কোনো অভিশাপ ছিল। এছাড়াও টাইটানিককে ঘিরে আরো অনেক গল্পের প্রচলন রয়েছে। যুগ যুগ ধরে অসংখ্য বিশেষজ্ঞ টাইটানিককে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন কিন্তু এরপরও টাইটানিক চিরকালই রহস্যের আড়ালে রয়ে গেছে।

জেনে নিন ৩২ বিট আর ৬৪ বিট এর পার্থক্যসমূহ :)

1 300x270 জেনে নিন ৩২ বিট আর ৬৪ বিট এর পার্থক্যসমূহ
কম্পিউটার যারা ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় ৩২ বিট আর ৬৪ বিটের নাম শুনেছেন। ৩২ বিট আর ৬৪ বিট এর জন্য আলাদা আলাদা প্রসেসর, অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়ার, আর ড্রাইভার আছে। তবে নতুনদের মধ্যে অনেকেই জানেন না এই ৩২ বিট আর ৬৪ বিট কি। এদের মধ্যে পার্থক্য কি, কি জন্য ব্যবহার করা হয় বা নিজের কম্পিউটারটি কত বিটের তা কিভাবে চেক করবেন তাও অনেকের অজানা। এটি নিয়েই আমার পোষ্টটি লেখা। এখানে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়ার চেস্টা করছি।
৩২ বিট আর ৬৪ বিট এ পার্থক্য কিঃ
১। ৩২ বিট এর চেয়ে ৬৪ বিটে উইন্ডোজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশি, বিশেষ করে Kernel Patch Protectionঅনেক বেশি শক্তিশালী হয় ৬৪ বিটে। Kernel হল প্রসেসর, হার্ডওযার, ডিভাইস ড্রাইভার এর সাথে অন্যান্য সফটওয়ারের সমন্বয় রক্ষা করে চলার একটি পদ্ধতি যার উপর ভিত্তি করে অপারেটিংস সিস্টেম তৈরি হয়। একেক অপারেটিং সিস্টেমে একেক ধরনের Kernel ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।
 ২। ৬৪ বিট উইন্ডোজে ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল করা যায় না। ডিজিটাল সাইনটা এক প্রকার কোম্পানির সীলের মত। যখন ঐ সফটওয়ারটাকে ভাইরাস আক্রমন করে বা এর মধ্যে কোন পরিবর্তন হয় তখন ডিজিটাল সাইনটি পরিবর্তিত হয়ে যায় যাকে হিসেবে উইন্ডোজ ধরে নেয়। ৩২ বিটেও ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল না করার অপশন আছে তবে এটি ডিফল্ট সেটিংস নয়। কিন্তু ৬৪বিটে উইন্ডোজ Digital Sign Broken কে অনুমোদন করে না।
৩। ৬৪ বিট প্রসেসরে ৬৪ বিট এবং ৩২ বিট দুই ধরনের উন্ডোজই (অপারেটিং সিস্টেম) ব্যবহার করা যায়। তবে ৩২ বিট প্রসেসরে শুধু মাত্র ৩২ বিট উন্ডোজই ব্যবহার করা যায়। সুতরাং ৬৪বিট উইন্ডোজ ব্যবহার করতে চায়লে ৬৪বিট প্রসেসরই লাগবে।
 ৪। ৬৪বিট উইন্ডোজে কিছু কিছু ৩২বিটের সফওয়ার, আর ড্রাইভার রান করা গেলেও অনেক সময় সমস্যা দেখা দেয়, সঠিকভাবে কাজ করে না। তবে ৩২বিট উইন্ডোজে ৬৪বিট সফটওয়ার বা ড্রাইভার কোনটাই কাজ করে না। অর্থাৎ সঠিকভাবে কাজ করার জন্য ৬৪বিটের জন্য ৬৪বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার যেমন দরকার তেমন ৩২ বিটের জন্যও ৩২বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার দরকার। আবার ১৬বিট প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটে কাজ করলেও ৬৪বিটে কাজ করে না। ৬৪ বিটের প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটের চেয়ে পারফরমেন্স ভাল দেখায়। যেমন ক্রাশ করা বা এরকম অন্যান্য সমস্যাগুলো থেকে ৬৪বিট প্রোগ্রামগুলো মুক্ত বললেই চলে।
 ৫। ৬৪বিট প্রসেসর সাধারণত x64 এবং ৩২বিট প্রসেসর সাধারণত x86 গতিতে চলে।
 ৬। ৩২ বিটের জন্য সাধারণত 512MB থেকে 4 GB পর্যন্ত RAM Recommend করা হয় যেখানে ৬৪বিটের জন্য 4 GB recommend করা হয়। এর চেয়ে কম হলেও চলে। RAM
সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করতে চায়লে অবশ্যই ৬৪বিট প্রসেসর আর উইন্ডোজ ব্যবহার করতে হবে। কারণ ৩২ বিটে 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করা হলেও তা ব্যবহৃত হয় না। এমনকি অনেক সময় সর্বোচ্চ 3 GB পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়ে বাকিগুলো RAM অব্যবহৃত থেকে যায় কারণ হার্ডওয়ার সাপোর্ট করে না। অন্যদিকে ৬৪বিটে 1GB থেকে 128GB এর চেয়ে বেশি RAM সাপোর্ট করে। যদিও এখনো 128GB RAM ব্যবহারের রেকর্ড শুনা যায়নি। তবে ব্যবস্থাটা রাখা হয়েছে।
যে সব কাজের জন্য বেশি RAM প্রয়োজন তার জন্য ৬৪বিটের বিকল্প নেই। যেমন হলিউডের যে ফিল্মগুলো তৈরি করা হয় তাতে সব ৬৪বিটের প্রোগ্রামগুলোই ব্যবহার করা হয়। তেমনি 3D, High powerful Graphics আর Multimedia’র জন্য ৬৪বিট একমাত্র সমাধান।
আশাকরি কারো মনে আর এই প্রশ্ন থাকবে না যে -৩২বিট আর ৬৪বিটে পার্থক্য কি বা ৩২বিট নাকি ৬৪বিট কোনটা ভাল।
আপনার পিসিটি ৩২ বিট নাকি ৬৪ বিট?
আগেই বলেছি ৬৪বিট অপারেটিং সিস্টেম আর প্রোগ্রাম ব্যবহার করার জন্য ৬৪বিট প্রসেসরই ব্যবহার করতে হয়। তবে ৬৪বিট প্রসেসর থাকলেও আপনি ৩২বিট অপারেটিং সিস্টেম আর প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে পারেন। তাই প্রশ্ন জাগে নিজের অপারেটিং সিস্টেমটি ৩২ বিট নাকি ৬৪ বিট। এটা বলা যায় আমরা সাধারণত ৩২বিটই ব্যবহার করে থাকি। কারণ আমরা মনেকরি ৬৪বিট আর ৩২বিট একই। তাই আমাদের বাজারে যা পাওয়া যায় তার বেশির ভাগই ৩২বিট।আপনারটি চেক করার জন্য My Computer>Properties>General এ যান যাকে আমরা My Computer Properties বা System Properties বলে থাকি। ওখানে আপনি দেখবেন আপনি কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন, কত ভার্সন এবং তা কত বিটের। আপনর পিসি কত র‍্যাম ব্যবহার করছে তাও ওখানে দেখতে পাবেন। যদি বিট দেখতে না পান তাহলে বুঝে নেবেন আপনি ৩২বিটই ব্যবহার করছেন। ৬৪ হলে তা অবশ্যই প্রদর্শিত হবে। কিন্তু ৩২বিট হলে তা ভার্সনভেধে প্রদর্শিত নাও হতে পারে।

এবার ইয়াহুকে হ্যাক করে ইচ্ছামত আইডি তৈরি করুন সহজেই (প্রতিটি মাত্র ৫ সেকেন্ডে)

hack yahoo password t1 এবার ইয়াহুকে হ্যাক করে ইচ্ছামত আইডি তৈরি করুন সহজেই (প্রতিটি মাত্র ৫ সেকেন্ডে)
ইয়াহু নি:সন্দেহে একটি ভাল ইমেইল সেবা দাতা প্রতিষ্ঠান। যদিও আমি পার্সনালি ইয়াহুর বিরুদ্ধে। কিন্তু অনেকের মতে বিশেষ করে যারা ইয়াহু মেসেঞ্জার ব্যবহার করে তাদের কাছে ইয়াহুর গুনগান অনেক শুনতে পাওয়া যায়। অনেকেই অনেক কাজে বিভিন্ন ইয়াহু আইডি ব্যবহার করে থাকে। কেনইবা নয়, এ সেবাটি যে ফ্রিতে। তবে আইডি তৈরি করা একটা খুবই বোরিং কাজ। তাই আপনাদের জন্য আজ এমন একটি হ্যাকিং সফটওয়্যার দিচ্ছি যেটির মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই (সাধারণত প্রতিটি আইডি তৈরি হতে সময় নেয় ৫ সেকেন্ড!!!) ইয়াহু আইডি তৈরি করতে পারবেন, তাও আবার যত খুশি তত। এজন্য নিচের লিঙ্ক হতে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
তারপর ফাইলটি আনজিপ করে Register.bat ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করে রেজিষ্টার করে নিন। IR ID maker.exe নামক সফটওয়্যারটি রান করে প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে দিন। এবার কোনায় থাকা Start বাটনে ক্লিক করে ক্যাপচা এন্ট্রি করে Create বাটনে ক্লিক করলেই আপনার ইয়াহু আইডি তৈরি হয়ে যাবে এবং Created Bots নামক বক্সে দেখা যাবে। চাইলে আপনি Random Bot ও Random Information এ টিক চিহ্ন দিয়ে এলোমেলো তথ্য ব্যবহার করে ইয়াহু আইডি তৈরি করতে পারবেন। যতবার ক্যাপচা এন্ট্রি করে Create বাটনে ক্লিক করবেন ততগুলো ইয়াহু আইডি তৈরি হবে। ভয় নেই আপনার তৈরিকৃত ইয়াহু আইডিগুলো পাসওয়ার্ড সহকারে মূল ফোল্ডারের Created Bots নামক ফাইলের মধ্যে পাবেন।
operation :
  • Decide which type of name you would like to cerate. The choices are Random, Sequential, None or Dictionary.
    1. Random – This creates a username from completely random characters.The character set is lower, upper, and numbers. An option is given for the minimum and maximum length for the username.
    2. Sequential – This method takes a base username and then adds an incremented number to the end of it. The Sequential Start is the number that will initially be added to the end of the chosen username. The Sequential Increment is how much the number will be increased between names.
    3. None – Only the username typed will be created.
    4. Dictionary – This is a method that I created myself. It polls a website and asks for two random dictionary words. It then mixes them with random numbers and a few other variables. I use this when signing up for third party websites that notice sequential names. This is the least reliable method and produces many more name collisions.
  • Decide if you want random passwords. The default is random and can be found at the bottom of the Name Options.
  • Decide if you want random user information. The default is random and can be found at the bottom of the Sign-Up Information.
  • Select your server. The default is India but you can also choose the UK or US server. You will only get 10-20 names per server.
  • Decide if you want to have a batch creation. The default is yes. This tells YCC Bot Maker to go ahead and process the next name automatically.
  • Click Process and wait for the CAPTCHA to appear.
  • Type the CAPTCHA into the Submit field and then click Submit.
  • Wait for the next name if batch processing is enabled.
  • Repeat steps 6 through 8. If you get Protocol Error then you have hit the limit for the server. Select another server and continue.
ব্যবহার করে দেখুন কি মজার ও কাজের সফটওয়্যার এটি।

হাতের লেখা দিয়ে ফন্ট বানাতে চান?




















অনেকের হাতে লেখা এত সুন্দর যেন কম্পিউটারের ফন্ট কে ও হার মানায়। আপনার হাতের লেখা ও কি সেইরকম? আপনি কি আপনার হাতের লেখার মত করে ফন্ট বানাতে চান? চিন্তা করে দেখুন আপনি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কিছু টাইপ করছেন টাইপগুলো এমনভাবে দেখাচ্ছে যেন আপনি হাতেই লিখেছেন! খুব মজার না? হ্যাঁ, একটা ওয়েবসাইটের কথা বলব যেখানে গিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনার হাতের লেখা দিয়ে ফন্ট বানাতে পারবেন।
সাইটটি হল
http://www.yourfonts.com/
এই সাইটে গিয়ে একটা ফন্ট টেমপ্লেট ডাউনলোড করে প্রিন্ট করুন। প্রত্যেকটা ঘরে আপনি আপনার মত করে লিখুন। এবার স্ক্যান করে আপলোড করুন। প্রিভিউ দেখুন ফন্ট দেখতে কি রকম হবে। এবার এপ্রুভ করে ডাউনলোড করে নিন। এই ফন্টটি উইন্ডোজে ইনস্টল করলেই ব্যবহার করতে পারবেন আপনার হাতের লেখার মত ফন্ট। তবে সাইটটি এখনো শুধুমাত্র ইংরজেজী লেখা সাপোর্ট করে তাই বাংলা ফন্ট করতে পারবেন না। একটু দমে গেলেন?? আচ্ছা ঠিক আছে, আরেকটা বুদ্ধি দিই। আপনি যদি ফটোশপের কাজ জানেন তাহলে টেমপ্লেটটি প্রিন্ট না করে ফটোশপে ওপেন করুন এবার প্রত্যেকটা অক্ষরের বক্সে একটা করে ছবি দিয়ে সেভ করুন এবার আগের নিয়মে আপলোড করে ফন্ট ডাউনলোড করে নিন। দেখবেন টাইপ করলে একেকটা অক্ষরের জন্য একেকটা ছবি টাইপ হচ্ছে। ব্যাপারটা অনেকটা উইন্ডোজের Wingdings ফন্টগুলোর মতl

জনপ্রিয় সব বাংলা কমিকসের রাজ্য (ফেলুদা কমিকস, বেসিক আলী ,নন্টে ফন্টে , রস আলো + বোনাস) {{মেগা post}}


2009 01 25 11 8 b

:x । বাংলা কমিকসের রাজ্যে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম ! কমিকস পড়তে এখন আর বয়স হিসেব করতে হবেনা , সব বয়সীদের নির্মল আনন্দ বিনোদনের খোরাক হল কমিকস। বিশ্বাস হচ্ছে না ? নিচের কমিক্সগুলো পড়েই দেখুন :cool: !

নন্টে ফন্টে

9183
9184
9185
9187
9188
দারুন মজা, না ? এখানে মাত্র একটি পর্ব দিলাম ,এর আরও পর্ব পড়ুন www.comicz.co.cc এই সাইটটি থেকে।

হাঁদা ভোঁদা

1136
1137
1138
1139
1140
1141
দারুন মজা, না ? এখানে মাত্র একটি পর্ব দিলাম ,এর আরও পর্ব পড়ুন www.comicz.co.cc এই সাইটটি থেকে।


ঊন্মাদ

16
18
এখানে মাত্র একটি পর্ব দিলাম ,এর আরও পর্ব পড়ুন www.comicz.co.cc এই সাইটটি থেকে।


বেসিক আলী


2009 01 29 11 6 b
2009 02 02 11 7 b
এর আরও পর্ব পড়ুন www.comicz.co.cc এই সাইটটি থেকে।


রস+আলো


9
এখানে মাত্র একটি পর্ব দিলাম ,এর আরও পর্ব পড়ুন www.comicz.co.cc এই সাইটটি থেকে।


ফেলুদা কমিকস

Gosaipur Sargaram0013
এর পুরো পর্ব পড়ুন www.comicz.co.cc এই সাইটটি থেকে।

~~ সাইবার যুদ্ধটি বিপুল সম্ভাবনার~~




আনোয়ার ফরহাদ, নিজস্ব প্রতিনিধি ও মাসুদ জাকারিয়া, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, প্রবাসীপত্র.কম

বাংলাদেশ বনাম ভারতের হ্যাকারদের মধ্যে সাইবার যুদ্ধ অনেকদূর গড়িয়েছে। সর্বশেষ ১২ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত বিএসএফ এর ওয়েবসাইট দ্বিতীয়বার হ্যাকসহ ১৫ হাজারের বেশি ভারতীয় সরকারী-বেসরকারী সাইট হ্যাক করেছে বাংলাদেশী হ্যাকাররা। আর বাংলাদেশী ১৫০টি সরকারী সাইট হ্যাক করেছে ভারতীয় হ্যাকাররা।

~~ সাইবার যুদ্ধ নতুন ঘটনা না

সাইবার যু্দ্ধ বাংলাদেশে নতুন হলেও বিশ্বের ইতিহাসে কয়েকশবার সংগঠিত হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত হচ্ছে। টেকনিক্যাল বিবেচনায় সাইবার যুদ্ধ বিষয়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং এটিই এর সম্ভাবনার দিক। যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া, ইসরাঈল-ইরান, ভারত-চীন, ভারত-পাকিস্তান, চীন-জাপান, প্যালেস্টাইন-ইসরাঈল ইত্যাদি দেশের সাইবার যুদ্ধগুলি অনেক পরিচিত ঘটনা।

~~ বাংলাদেশ ভারত সাইবার যুদ্ধ কেন?

বিএসএফ ২০১১ সালের প্রথম দিকে বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে কাঁটাতারের উপর ঝুলিয়ে দেয়। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মিডিয়ায় এ ঘটনা প্রচারিত হয় এবং ভারতের এ আগ্রাসী ও নির্মম হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে নিন্দা জানায় বিশ্ববাসী।শুধু এ ঘটনাই নয়, প্রতিনিয়তই ভারত সীমান্তে বাংলাদেশীদের গুলি করে হ্ত্যা করে। কিছুদিন, আগে আবার বিএসএফ এর এক নিঃলজ্জ কর্মকান্ড বিশ্ববাসী দেখল খোদ তাদেরই মিডিয়া এনডিটিভিতে এবং এর প্রতিবাদে এবার বাংলাদেশের হ্যাকাররা বিএসএফ এর সাইট হ্যাক করে ফেলানীর ছবি তুলে দেয়। বাংলাদেশের হ্যাকারদের বিভিন্ন প্রচারনা পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় ফেলানীর এ ঘটনা এবং সীমান্তে বিএসএফ এর প্রতিদিনকার হত্যা নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ভারতীয় কতৃপক্ষকে সতর্ক করতে তাদের এ উদ্যোগ। কিন্তু, বাংলাদেশ-ভারত হ্যাকিং যুদ্ধ প্রথম শুরু করে বাংলাদেশ নয়, ভারত। বছর খানেক আগে অনেকটা ফ্যাশনস্বরূপ ভারতীয় হ্যাকাররা বাংলাদেশ সরকারের কিছু সাইট হ্যাক করে ’জয় হিন্দ’ লিখে দেয়।

~~ নৈতিক বিবেচনা

বর্তমান বিশ্বে হ্যাকিংকে অনৈতিক বা অবৈধ কাজ হিসেবে না দেখে বরং টেকনিক্যাল দিক থেকে দেখা হয়। হ্যাকিং এর মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক একাউন্ট হ্যাক করা ইত্যাদি গর্হিত কাজ। কিন্তু হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সিকিউরিটি দুর্বলতা ধরিয়ে দেয়া একটি টেকনিক্যাল যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে, রাষ্ট্রীয় কোন সাইট হ্যাক করা এবং ‘জয় হিন্দ’ জাতীয় শব্দ প্রজোযনা করার সাথে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব জড়িত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার আইনে বিষয়টি এভাবেই দেখা হয়। ভারত সে কাজটিই করেছে বাংলাদেশের সাথে।

অপরদিকে বাংলাদেশী হ্যাকারদের হ্যাকিং কেবল প্রতিবাদের অংশমাত্র। সীমান্ত বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও কার্যকলাপ প্রতিনিয়তই উস্কানিমূলক এবং এ হ্যাকিং সেগুলোই বিরোধীতামাত্র।

~~ ভারতের করণীয়

আমাদের বিবেচনা, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের উচিৎ এখনি সীমান্ত বিষয়ে সঠিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগ্রহণ। শুধুমাত্র সীমান্ত হত্যা নয়, টিপাইমুখ বাঁধ, গঙ্গার পানি, ট্রানজিট ইস্যু ও অপরাপর সব বিষয়ে অগনতান্ত্রিক আচরণ থেকে সরে আসা। প্রতিনিয়ত কূটনৈতিক অসৌজন্যতামূলক বক্তব্য পরিহার করা। কারণ, আমাদেরকে মনে রাখতে হবে বাংলাদেশী হ্যাকার নিজ হাতে হ্যাকিংয়ের কাজটি করলেও বাংলাদেশের জনগন মানসিকভাবে এ প্রতিবাদে শামিল আছে।

~~ এ ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক

একটি বিষয় এখন অত্যন্ত পরিস্কার টেকনিক্যালি সাউন্ড স্কিল না থাকলে ভারতের মত আইটি জায়ান্ট দেশের হাজার হাজার ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি ডোর ভেঙ্গে বাংলাদেশের হ্যাকার-প্রোগ্রামাররা এ কাজটা করতে পারত না। ভবিষ্যতে আমাদের সরকারী-বেসরকারী সাইট ও সার্ভারগুলির নিরাপত্তার কাজে তাদেকে কাজে লাগান যেতে পারে। ‍দ্বিতীয়ত, সারা বিশ্বের আইটি এম্লয়াররা এখন নিশ্চয় দেখছেন, বাংলাদেশের প্রোগ্রামারদের একটি বিশাল অংশ সিকিউরিটি বিষয়ে অনেক বেশি দক্ষ হয়ে উঠেছে যা তাদের কাজগুলি বাংলাদেশে আউটসোর্স করতে তাদেরকে বিপুলভাবে উৎসাহিত করবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত আইটি ব্যবসায়ের সাথে জড়িত বাংলাদেশীরা যদি এ বিষয়টি সেসব দেশে তুলে ধরেন তাহলে ভবিষ্যতে লক্ষ লক্ষ ডলারের আইটি প্রজেক্ট বাংলাদেশে আসতে পারে। এভাবে দেখলে এ ঘটনা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুইভাবেই বাংলাদেশের জন্য সুদূর প্রসারী ভূমিকা রাখতে পারে। নির্ভর করছে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ও তাদেরকে সঠিকভাবে ইউটিলাইজ করতে পারার উপর।

ফায়ারফক্স ক্যাম্পাস

ছাত্র-ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে বিশ্বের জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার মোজিলা ফায়ারফক্সের রয়েছে একটি বিশেষ সংষ্করণ-ফায়ারফক্স ক্যাম্পাস সংষ্করণমূলত স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা বিবেচনা করেই এই সংষ্করণটি ছাড়া হয়েছেগবেষনা সহায়ক টুলের পাশাপাশি এতে গান শোনার জন্যও প্রয়োজনীয় টুল আছে
Foxytunes
বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রীই কম্পিউটারে কাজ করা বা ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের সময় গান শুনতে পছন্দ করেনতাদের জন্য মোজিলা ফায়ারফক্সের ক্যাম্পাস সংষ্করনে রয়েছে foxytunesfoxytunes এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া প্লেয়ার নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি আপনাকে গানের লিরিক, অ্যালবামের প্রচ্ছদ, ভিডিও ইত্যাদি খুঁজে পেতে সাহায্য করবেfoxytunes এর মাধ্যমে উইন্ডোজ, ম্যাক এবং লিনাক্সের প্রায় চল্লিশটির বেশি মিডিয়া প্লেয়ার নিয়ন্ত্রন করা যাবে এর মাঝে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে- উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার, আইটিউনস, রিয়েল প্লেয়ার, মিউজিক জুকবক্স, উইন্যাম্প, ইয়াহু মিউজিক জুকবক্স, জেট আডিও ইত্যাদি
ফায়ারফক্সের পাশাপাশি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারেও ফক্সিটিউনস ব্যবহার করা যাবেfoxytunes এর ডাউনলোড এবং সম্পর্কে আরোও বিস্তারিত জানতে চাইলে ক্লিক করুনঃ http://www.foxytunes.com
Zotero
ছাত্র-ছাত্রীদের অনেকেই তাদের গবেষনা সম্পর্কিত কোন তথ্য খুঁজে পেতে ইন্টারনেট ব্যবহার করেনতাই ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষনায় সহায়তা করার জন্য ফায়ারফক্সের ক্যাম্পাস সংষ্করনে রয়েছে zoterozotero ইন্টারনেটের দুনিয়ায় ভবিষ্যত প্রজন্মের গবেষনা সহায়ক টুল হিসেবেই বেশি পরিচিত গবেষনা সহায়ক তথ্য খুঁজে পেতে এই সফটওয়্যারটি টুলটি এক কথায় অসাধারনএর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি ইন্টারনেট থেকে গবেষনা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য (লেখা, ওয়েব পেইজ কিংবা ছবি) খুঁজে বের করে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য তা zotero লাইব্রেরিতে সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখতে পারবেন zotero-এর নির্মাতা হচ্ছে জর্জ ম্যাসন ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর হিস্টোরি এন্ড নিউ মিডিয়াএটি তৈরিতে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ইনস্টিটিউট অব মিউজিয়াম এন্ড লাইব্রেরি সার্ভিসেস সহ আরোও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জোটিরো ইনস্টল করতে আপনার কম্পিউটারে নূন্যতম ফায়ারফক্স সংষ্করণ থাকতে হবেএর আগের সংষ্করণগুলোতে zotero ব্যবহার করা যাবে নাজোটিরো ডাউনলোড এবং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ
http://www.zotero.org

Stumbleupon
সাধারনত আমরা আমাদের আগ্রহের বিষইয়বস্তুর উপর কোন ওয়েব সাইট খুঁজে পেতে ইন্টারনেটের বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্য নেইকিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে মানসম্পন্ন ওয়েব সাইট খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয় নাতাই ফায়ারফক্স ক্যাম্পাস সংষ্করণে রয়েছে দরকারী ওয়েব সাইট খুঁজে পেতে একটি অসাধারন টুলএই টুলটির নাম stumbleuponএই টুলটির মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি আবিষ্কার করতে পারবেন আপনার আগ্রহের বিষয়বস্তুর উপর অসাধারন সব ওয়েবসাইটstumbleupon অনেকটা কমিউনিটির মতোতাই বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তাদের শেয়ার করতে পারবেন আপনার আবিষ্কৃত ওয়েব সাইটের খবর আপনার কোন ওয়েব সাইট পছন্দ হলে stumbleupon এর মাধ্যমে আপনি সাইটটি ভিজিটের জন্য পরামর্শ দিতে পারবেনএতে অন্য কেউ এই ওয়েব সাইটের খবর জানতে পারবেনকোন সাইট ভালো না লাগলে আপনি সেই সাইট ভিজিট না করার জন্য অন্যদেরকে উৎসাহিত করতে পারবেন stumbleupon আপনি মোজিলা ফায়ারফক্সের পাশাপাশি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারেও ব্যবহার করতে পারবেনstumbleupon ব্যবহার করতে চাইলে ডাউনলোড করে নিতে পারেনstumbleupon ডাউনলোড এবং সম্পর্কে আরোও বিস্তারিত জানতে চাইলে ক্লিক করুনঃ http://www.stumbleupon.com/
যাদের কম্পিউটারে মোজিলা ফায়ারফক্স ইনস্টল করা আছে তারা শুধু অ্যাড-অনগুলো ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিলেই ক্যাম্পাস সংষ্করণের যাবতীয় সুবিধা ভোগ করতে পারবেনআর যাদের কম্পিউটারে মোজিলা ফায়ারফক্স ইনস্টল করা নেই তারা ফায়ারফক্সের পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাস সংষ্করণ ডাউনলোড করে নিতে পারেন
ওয়েব সাইটঃ
http://en-us.www.mozilla.com/en-US/add-ons/campus

ল্যাপটপ সম্পর্কিত টিপস

বাংলাদেশের বাজারে এ সময়ের সবচেয়ে আলোচিত প্রযুক্তি পন্যের নাম ল্যাপটপ বহনের সুবিধা থাকায় এই পন্যটি একজন প্রযুক্তি মনস্ক মানুষের জীবনযাপন অনেকটাই সহজ করে দেয়তাই আজকাল একজন আধুনিক মানুষের একটি ল্যাপটপ না থাকলেই নয়কয়েক বছর আগেও ল্যাপটপ ছিল সাধারনের নাগালের একেবারে বাইরে সম্প্রতি বাংলাদেশের বাজারে কম মূল্যে বেশ কিছু ভালো ব্র্যন্ডের ল্যাপটপ এসেছেফলে ব্যবসায়ী এবং আইটি বিশেষজ্ঞদের গন্ডি পেরিয়ে ল্যাপটপ এখন প্রায় সবর্স্তরের মানুষের হাতের কাছেইআর পুরো টাকা একসাথে যোগাড় না করতে পারলে রয়েছে কিস্তির ব্যবস্থাচলুন দেখে নেয়া যাক ল্যাপটপ সম্পর্কিত এমন কিছু টিপস যেগুলো ল্যাপটপ কেনার আগে ও পরে আপনাদের কাজে লাগবে
ল্যাপটপ কেনার আগে-
ল্যাপটপের দাম সাধারনত ডেস্কটপের চেয়ে অনেক বেশিতাই একটু ভেবে চিন্তেই ল্যাপটপ কেনা উচিতল্যাপটপ কেনার আগে যেসব বিষয় ভেবে নেয়া প্রয়োজনঃ
>
আপনি কি কাজে ল্যাপটপ কিনবেন সেটা একটি বড় বিষয়আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী ল্যাপটপের কনফিগারেশন ঠিক করুনযেমনঃ বেশি মেমোরি প্রয়োজন এমন কোন সফটওয়্যার ব্যবহার না করলে সাধারন কাজের জন্য কম বাজেটের সেলেরন প্রসেসরের ল্যাপটপ কেনাই যথেষ্ঠকিন্তু আপনি যদি গেম খেলা বা গ্রাফিক্সের কাজ করতে চান তাহলে উচ্চ গতি সম্পন্ন হাই কনফিগারেশনের ল্যাপটপই কেনা উচিতকনফিগারেশন নির্ধারনের ব্যাপারে প্রসেসরের ক্লক স্পিডের দিকে বেশি লক্ষ্য রাখুন
>
ল্যাপটপ যেহেতু কিছুটা দামী পণ্য তাই এক্ষেত্রে বাজেট বড় একটি বিষয় এছাড়া বাজারে ল্যাপটপেরর প্রায় সব ব্র্যান্ডই ভালোতাই ব্র্যান্ডের নামের চেয়ে ল্যাপটপ কেনার আগে দেখুন সাধ্যের মধ্যে কোন মডেলের ল্যাপটপে আপনি ভালো সবচেয়ে কনফিগারেশন পাচ্ছেন
>
ল্যাপটপ কেনার আগে দেখে নেয়া দরকার এর ব্যাটারি কতটুকু সময় ব্যাকআপ দিতে পারেআপনার যদি আউটডোরে ল্যাপটপ বেশি ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় তাহলে লক্ষ্য রাখুন ব্যাটারির ব্যাকআপ যেন একটু বেশি হয়
>
এখন অনেক জায়গাতেই স্বল্প মূল্যে ব্যবহৃত (সেকেন্ড হ্যান্ড) ল্যাপটপ পাওয়া যায়এ ধরনের ব্যবহৃত ল্যাপটপ কেনার আগে ভালোভাবে ভাবুনকারন, সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ বিক্রির সময় বিক্রেতারা অনেক ত্রুটির কথা চেপে যানআর ওয়ারেন্টি না থাকায় এসব ল্যাপটপ কিনে আপনি নিশ্চিন্তে থাকতেও পারবেন না
>
ল্যাপটপের প্রধান সুবিধা হচ্ছে এটি খুব সহজেই বহন করা যায়তাই যে ল্যাপটপ কিনবেন তার ওজন কেমন সেটা জেনে নিনছোট স্ক্রিনের ল্যাপটপের ওজন সাধারনত কম হয় বলে বহন করা সুবিধাজনক; এসব ল্যাপটপের দামও তূলনামূলকভাবে বেশিতবে গ্রাফিক্সের কাজ যারা করবেন তাদের জন্য একটু বড় স্কিনের ল্যাপটপ কেনাই ভালোতবে আউটডোরে বেশি ব্যবহারের প্রয়োজন হলে কম ওজনের ল্যাপটপ কেনাই ভালোতবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কথা হলো-আপনি কেমন স্ক্রিনের ল্যাপটপ ব্যবহারে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন
ল্যাপটপ কেনার পরে-
ল্যাপটপ কেনার পর ল্যাপটপ ব্যবহারে বেশ কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরীএগুলো হলো-
>
ল্যাপটপ বেশিক্ষণ কোলের উপর রেখে ব্যবহার করা উচিত নয়বেশ কিছুদিন আগে একদল গবেষক ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের মাঝে এক জরিপ চালিয়ে দেখেছেন, যারা কোলের উপর রেখে টানা অনেকক্ষণ ল্যাপটপ ব্যবহার করেন তাদের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে
>
দাম একটু বেশি হলেও ল্যাপটপ বহনে ল্যাপটপের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করুনএসব ব্যাগ ল্যাপটপকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করতে পারে এছাড়া ভ্রমণে ল্যাপটপ বহন করার জন্য কাঁধে ঝুলানোর সুবিধা যুক্ত (অনেকটা স্কুল ব্যাগের মতো) ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেনএক্ষেত্রে বহনে সুবিধার পাশাপাশি আরেকটি সুবিধা হলো বাইরে থেকে বোঝাই যাবে না যে আপনি ল্যাপটপ বহন করছেনতাই ছিনতাইকারীর দৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে পারেন
>
ল্যাপটপে বিল্ট-ইন কিছু ডিভাইস আছে যেমনঃ ব্লু-টুথ, ওয়াই-ফাই, ইনফ্রারেড ইত্যাদিপ্রয়োজন না থাকলে ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় এসব ডিভাইস বন্ধ করে রাখুনএতে ব্যাটারির শক্তি খরচ কম হবে
>
ডিসপ্লে সেটিংস থেকে বিভিন্ন অতিরিক্ত ফিচার যেমনঃ ClearType fonts , fade effects ইত্যাদি বন্ধ করে রাখুনফলে শক্তি খরচ কিছুটা কম হবে
>
ল্যাপটপে গেম খেলা বা কোন কিছু টাইপ করার জন্য এক্সটার্নাল কী-বোর্ড এবং মাউস ব্যবহার করুনকারন, এসব ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহারে ল্যাপটপের টাচ প্যাড এবং কি-বোর্ডের আয়ু কমে যাবে
>
ঘরে বা বিদ্যুত ব্যবহারের সুবিধা আছে এমন স্থানে সরাসরি বিদ্যুত ব্যবহারের মাধ্যমে ল্যাপটপ চালানপ্রত্যেকটি ল্যাপটপের ব্যাটারির একটি আয়ু আছেএকটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বার চার্জ হবার পর এই ব্যাটারিটি নষ্ট অর্থা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায়
>
ল্যাপটপ ডেস্কটপের মতো একটানা ব্যবহার করা ঠিক নয়বেশ কয়েক ঘন্টা ব্যবহার করার পর ল্যাপটপ কিছু সময় বন্ধ রাখা উচিত
>
ল্যাপটপের এয়ার ভেন্টটি নিয়মিত পরিষ্কার করুনকারন এয়ার ভেন্ট বন্ধ হয়ে গেলে প্রচুর তাপ উপন্ন হবে যা ল্যাপটপের জন্য ক্ষতিকর
>
খাবার ও পানীয় থেকে ল্যাপটপ দূরে রাখুননাহলে অসাবধানতা বশত ল্যাপটপের উপর পানি পড়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে
>
ল্যাপটপ শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুনকারন, হাত থেকে একবার পড়ে গেলেই ল্যাপটপের আয়ু শেষ!

Facebook Twitter RSS