M.A.A. NAFISH PEEZON. Blogger দ্বারা পরিচালিত.
কম্পিউটার টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কম্পিউটার টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

পেনড্রাইভ রাখুন সম্পুর্ন নিজের নিয়ন্ত্রনে

আমরা প্রায় সবাই কম বেশী পেনড্রাইভ ব্যাবহার করি ডাটা ব্যাকআপ এর জন্য।কিন্তু অনেক সময় অনেক বন্ধু অথবা অফিস কলিগ এটা কে ব্যাবহার করতে চাইবে। আর তখন -ই ঘটবে বিপত্তি,অনেক সময় তাদের কম্পিউটার এ ভাইরাস গুলি অনাকাংক্ষিত ভাবে আপনার পেনড্রাইভ এ চলে আসতে পারে।তাই পেনড্রাইভ নিয়ন্ত্রনে রাখা টা জরুরী।
আসুন আমরা এবার দেখি কি করে পেনড্রাইভ সম্পুর্ন নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়-
১।প্রথমে notepad ওপেন করে নিচের কোড টি লিখুন
Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Control\StorageDevicePolicies]
“WriteProtect”=dword:00000001
সেভ করুন romel_soft.reg নামে
এরপর এটি কে ডাবল ক্লিক করুন ,yes বাটনে ক্লিক করুন ,এবং OK করুন
ব্যস, এবার কোন ফাইল আপনার pendrive এ সেন্ড করুন।
নাহ কিছুতেই সেটি pendrive এ যাবে না। কি মজা !! আপনার পেনড্রাইভ নষ্ট করছি !!
নাহ্‌ ,আর আপ্নাদের কান্না সহ্য হচ্ছে না। ঠিক করে দিচ্ছি পেনড্রাইভ
২। আবার notepad ওপেন করে নিচের কোড টি লিখুনঃ
Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Control\StorageDevicePolicies]
“WriteProtect”=dword:00000000
সেভ করুন romel_soft2.reg নামে
এরপর এটি কে ডাবল ক্লিক করুন ,yes বাটনে ক্লিক করুন ,এবং OK করুন.
এবং পেনড্রাইভ খুলে আবার লাগান
এরপর যে কোন ফাইল সেন্ড করুন পেন্ড্রাইভ এ , এবার পেন্ড্রাইভ এ গিয়ে দেখুন,আপনার পাঠানো ফাইল ঘুমাচ্ছে।
ধন্যবাদ ।ভালো থাকবেন

কম্পিউটার হ্যাং ছাড়ান এক ক্লিকে (কোন সফটওয়ার ছাড়া)

সবাইকে সালাম জানিয়ে শুরু করতেছি আমার আজকের টিউন । কেমন আছেন সবাই । আশা করি সবাই ভালো আছেন ।
অনেক দিন পর আবারো নতুন কিছু নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে । শিরোনাম দেখেই হয়ত বুঝতেই পারছেন কি নিয়ে আলোচনা করব ।
১/ প্রথমে আপনি Task Manager এ ক্লিক করেন ।
২/ এবার Task Manager গিয়ে More Details এ ক্লিক করুন ।
৩/ Task Manager এর ওপরের দিকে দেখুন (File Options View) এ্ই ৩টি অপশন পাবেন ।
৪/ ওখান থেকে Options এ ক্লিক করে ওখান থেকে Always On Top এ ক্লিক করুন ।
আপনার কাজ শেষ ।
এবার কম্পিউটার হ্যাং করুন বা হ্যাং হলে Task Manager অপেন করুন এবং অনাকাংখিত Application গুলো Close করুন । এখন প্রশ্ন হচ্ছে কম্পিউটার হ্যাং হলে Task Manager Hang Application এর নিচে থাকে বলে কাজ করা যায় না । কিন্তু আপনি যখন ওপরের কাজগুলো করে আসবেন তখন Task Manager সব Application এর ওপরে পাবেন এবং আপনার কাজ করতে পারবেন ।
হ্যাং হলে Task Manager এ যাওয়ার নিয়ম হলো :- Ctrl + Shift + Esc Key এক সাথে চেপে ধরুন ।

কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর ৫ উপায়

undefined
কম্পিউটারটির কাজের গতি কমে গেলে সেটি মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু সহজেই এড়ানো যায় এই সমস্যা।
গতি বাড়িয়ে নিন স্টার্টআপের
বেশিরভাগ সময় কম্পিউটারের গতি কমে আসার কারণ, কম্পিউটারটি চালু হবার সঙ্গে সঙ্গে একাধিক সফটওয়্যার বা টাস্ক চালু হয়ে যাওয়া। Autoruns-এর মতো টুল ডাউনলোড করে সফটওয়্যারগুলো স্টার্টআপের সময় চালু হয়ে যায়। তবে সবসময় প্রয়োজন পড়েনা এমন সফটওয়্যারগুলো ডিসএবল করে রাখতে পারেন। অথবা ব্যবহার করা যেতে পারে উইন্ডোজের বিল্ট ইন ইউটিলিটি MSConfig। স্টার্টআপ ট্যাবে গিয়ে সার্চ বা রানে টাইপ করুন MSConfig। এরপর আইটিউনস, অব্যবহৃত মেসেঞ্জার বা প্রিন্টারের মতো যে সফটওয়্যারগুলো পিসি চালু হবার সঙ্গে সঙ্গেই প্রয়োজন হয়না, টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিন সেগুলোর ওপর থেকে। এরপর পিসি রিস্টার্ট করলে সেগুলো নিজে নিজে চালু হবে না। ফলে কিছুটা বাড়বে এর গতি।
বেছে নিন প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার
ইন্টারনেট সার্ফিং যদি খুব ধীরগতির হয়, কয়েকটি সহজ পরিবর্তন এ সমস্যার সমাধান করতে পারে। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করলে তার বদলে গুগল ক্রোম ব্যবহার করুন। দ্রুত গতির সার্ফিং সুবিধার কারণে জনপ্রিয়তা পেয়েছে গুগলের ব্রাউজারটি। ক্রোম সেটিংস থেকে ‘ক্লিয়ার ব্রাউজিং ডেটা’য় যান এবং কুকি, ক্যাশ, ব্রাউজিং হিস্ট্রি এবং ডাউনলোড হিস্ট্রির মতো টেম্পোরারি ইন্টারনেট ফাইলগুলোর ওপর টিক দিন।
এছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন পিরিফর্মের সফটওয়্যার CCleaner। সফটওয়্যারটি ব্রাউজার, উইন্ডোজ এবং রেজিস্ট্রির সব টেম্পোরারি ফাইল মুছে ফেলে গতি বাড়িয়ে দেবে আপনার কম্পিউটারের।
আনইনস্টল করুন অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার
অব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলো আনইনস্টল করলে চাপ কমবে আপনার পিসির ওপর। উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারের মতো সফটওয়্যারগুলো চালাতে প্রয়োজন হয় অনেক বেশি কম্পিউটিং ক্ষমতার। এ ধরনের সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার না করলে আনইনস্টল করে দিতে পারেন। বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন বিভিন্ন ওপেন সোর্স ফ্রি অ্যাপ্লিকেশন, যা কম্পিউটারের র‌্যামের ওপর কম চাপ সৃষ্টি করে।
ব্যবহার করা যেতে পারে ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার। ওপেন সোর্স মিডিয়া প্লেয়ারটি ডিভিডি রিপ করে এবং প্রায় সব ফরম্যাটের মিডিয়া ফাইল চালাতে পারে। অ্যাডোবি রিডারের বদলে ব্যবহার করতে পারেন FoxIt Reader যা অ্যাডোবি রিডারের তুলনায় কম র‌্যাম ব্যবহার করে। মাইক্রোসফট অফিসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন ওপর সোর্স ওয়ার্ড প্রসেসর AbiWord এবং অ্যাপাচির Open Office।
চালু করে দিন অটোম্যাটিক আপডেট
সফটওয়্যার আপডেট নোটিফিকেশন সামনে আসলেই আলসেমি করে ‘রিমাইন্ড মি লেটার’ ক্লিক করা যেনো একরকম অভ্যাসেই পরিণত হয়েছে আমাদের। রিমাইন্ড মি লেটারে চাপতে চাপতে কম্পিউটারের গতি এতোটাই কমে আসে যে, শেষ পর্যন্ত পুরো একটি দিনই পার করতে হয় সফটওয়্যার আপডেট করতে গিয়ে। পুরো একদিন সফটওয়্যার আপডেট করে কাটানো এড়াবার সহজ উপায় হচ্ছে সফটওয়্যার আপডেটগুলো অটোম্যাটিক করে দেয়া।
মাই কম্পিউটারের প্রপার্টিজ থেকে চলে যান অটোম্যাটিক আপডেট অপশনে। নিশ্চিত করুন প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারের আপডেটগুলো যেনো অটোম্যাটিক ডাউনলোড হয়ে ইনস্টল হয়ে যায়। কোনো সফটওয়্যার ম্যানুয়ালি আপডেট করার প্রয়োজন আছে কিনা তা জানতে FileHippo.com থেকে Update Checker সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। সফটওয়্যারটি আপনার কম্পিউটার স্ক্যান করে কোনো সফটওয়্যারের আপডেট অনলাইনে আছে কিনা তা জানিয়ে দেবে মুহ‚র্তের মধ্যে।
প্রয়োজনে আপগ্রেড করুন হার্ডওয়্যার
কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর কার্যকর উপায়গুলোর একটি হচ্ছে গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার। আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড কিনে মাদারবোর্ডে ব্যবহার একটু জটিল হলেও গতি বাড়ানোর উপায়গুলোর একটি এটি। কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর আরেকটি কার্যকর উপায় হচ্ছে র‌্যাম বাড়িয়ে নেয়া। র‌্যান্ডম অ্যাকসেস মেমোরি বা র‌্যামের ক্ষমতা বাড়ালে গতি বাড়বে আপনার কম্পিউটারের।
সফটওয়্যার ডাউনলোডের জন্য সবসময় ডাউনলোড ডটকমhttp://download.cnet.com বা এ ধরনের নির্ভরযোগ্য সাইট ব্যবহার করুন।
তবে, যারা সফটওয়্যার ইনস্টলসহ কম্পিউটারের বিভিন্ন অপশন নিয়ে কাজ করেছেন তেমন অভিজ্ঞতা থাকলেই কেবল আলোচিত পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন। নইলে যে কোনো ভুল আপনার ঝামেলাই কেবল বাড়াবে।

কম্পিউটার Slow হয়ে গেছে? No Tension!!!Speed নিয়ে যান।

আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে শুভেচ্ছা।আজ আমি আপনাদের কিছু টিপস দেব (হয়ত আপনি আগে থেকেই জানতেন) যা আপনার PC কে আরও Speed দিতে পারে। কথা না বাড়িয়ে কাজে আসি ।নিম্নের কাজগুলো করে দেখুন :
  • Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে Right Button ক্লিক করে Task Manager খুলুন। তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো Program- তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে যেগুলো এখন কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দিন। যদি কিছু ভুল করে বন্ধ করে ফেলেন এবং অপারেটিং সিস্টেমের যদি কোন সমস্যা হয় তবে PC রিস্টার্ট করুন।
  • কিছু সময় পরপর Start এ গিয়ে Run লিখে এনটার দিয়ে tree লিখে ok করুন।
  • Control Panel এ যান। Add or Remove এ দুই ক্লিক করুন।  Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বামপাশে অদরকারি program গুলোর পাশের টিক চিহ্নগুলি তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে program গুলো আপনার কাজে না সেগুলোর টিক চিহ্নগুলো তুলে OK করুন। এখন next এ ক্লিক করুন। Successful message আসলে Finish এ ক্লিক করুন।
  • অনেক সময় PC’র র‍্যাম কম থাকলে PC slow হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কিছুতা গতি বাড়ানো যায়। এর জন্য- My Computer এ মাউস রেখে right button ক্লিক করে properties-e যান। এখন advance এ ক্লিক করে performance এর settings এ ক্লিক করুন। আবার advance -এ ক্লিক করুন। এখন change এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size এ আপনার PC’র র‍্যামের দ্বিগুণ এবং Maximum size এ র‍্যামের চারগুন দিলে ভাল হয়।

কোন সফটওয়ার ছাড়াই আপনার ফোল্ডারটিতে Password দিন।

সকলকে শুভ সন্ধ্যা ।আজ আমি আপনার দেখাব কিভাবে আপনি আপনার ফোল্ডার রে কোন সফটওয়্যার ছাড়া পাসওয়ার্ড দিবেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
১।প্রথমে নিম্নে দেওয়া টেক্সট ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন ।
secret text

২।এরপর টেক্সট ফাইলটি ওপেন করুন
৩। ওপেন করার পর যেখানে যেখানে theotonius নামটি লেখা আছে সেখানে আপনার নিজস্ব ফোল্ডার এর নাম দিন।


৪।এরপর আপনার নিজস্ব পাসওয়ার্ড সেট করবেন যেভাবে!! type your password এর জায়গায় আপনার পছন্দের  পাসওয়ার্ডটি টাইপ করুন।


৫। এবার ফাইল টিকে আপনার পছন্দের নাম দিয়ে নামের শেষে .bat দিয়ে এবং All file এ সিলেক্ট করুন।আমি এখানে বুঝানোর জন্য দিয়েছি “secret.bat”

৬।এবার তৈরি ক্রিত ফাইল টি ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন দেখবেন একটি ফোল্ডার তৈরি হয়েছে সেখানে আপনার ডকুমেন্ট রেখে দিয়ে আবার  .bat ফাইল টির ডাবল ক্লিক করুন দেখবেন যে লেখা উঠেছে “Are you sure to lock this folder”y/n
যদি ফোল্ডার টিকে লক করতে চান তবে “Y” চাপুন। দেখবেন যে আপনার তৈরি ক্রিত ফোল্ডার টি হাইড হয়ে গেছে।
৭।পুনরায় ফোল্ডার টির লক খুলতে  .bat file টির উপর ডাবল ক্লিক করুন এরপর আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড টি টাইপ করুন দেখবেন ফোল্ডার টি ওপেন হয়েছে।
ধন্যবাদ সবাইকে ভাল থাকবেন।
আমার পোষ্টটি ভাল লাগলে কমেন্ট করুন। ভুল হলে ক্ষমা করবেন কারন এটি আমার প্রথম পোষ্ট

ল্যাপটপের সাউন্ড বাড়িয়ে নিন ২০০% পর্যন্ত !!!

ল্যাপটপের কম সাউন্ড নিয়ে চিন্তিত ???
নিচের পদ্ধতির মাধ্যমে অনায়াসেই আপনার ল্যাপটপের সাউন্ড ২০০% পর্যন্ত বাড়িয়ে নিন :
>> প্রথমে আপনার ভলিউম বা স্পিকার আইকনের উপর মাউসের কার্সর নিয়ে গিয়ে রাইট বাটনে ক্লিক করুন ।
>> Playback devices লেখার উপর ক্লিক করুন ।
>> এরপর Speakers এর উপর ডাবল ক্লিক করেন ।

>> এবার Enhancement ট্যাবের উপর ক্লিক করুন ।

>> এবার Loudness Equalization এর Check বক্স মার্ক করে দিন ।


>> এবার Apply বাটনে ক্লিক করে OK চাপুন,  ব্যাস কাজ শেষ ।
এখন থেকে দেখুন আপনার  ল্যাপটপের সাউন্ড আগের থেকে প্রায় দ্বিগুন বেড়ে গেছে ।
*** যারা VLC Player ব্যবহার করেন তাদের জন্য এই পদ্ধতি ফলদায়ক নয় ।
*** এটি কেবলমাত্র উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারকারীদের জন্য প্রযোজ্য ।

আপনার ওয়েবক্যাম এর জন্য নিয়ে নিন চরম একটি সফটওয়্যার Webcam Max

ওয়েব ক্যাম চালানোর জন্য খুব ভালো একটি সফটওয়্যার Webcam Max। ছবি তোলার পাশাপাশি ছবিতে অনেক ধরনের ইফেক্ট ছবিতে দিতে পারবেন। এটির ফুল ভার্সন পাওয়া কষ্টকর। আমি আপনাদের Crack সহ ফুল ভার্সন এর লিংক দিচ্ছি। সফটওয়্যার সম্পর্কে আর বিস্তারিত কিছু বললাম না। ব্যবহার করলেই বুঝবেন কি চরম একটা সফটওয়্যার আপনাদের দিলাম
Crack করার নিয়মাবলীঃ
জিপ ফাইল আনজিপ করুন। সাধারন নিয়মে ইন্সটল এর সবার শেষের ধাপে Run WebcamMax এর পাশের বক্স থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Finish করুন। সফটওয়্যার টি রান করাবেন না, তাহলে ক্র্যাক কাজ করবে না। এবার WebcamMax activator ফোল্ডার( আনজিপ করা ফোল্ডারের ভিতর পাবেন) থেকে activator ফাইলটি চালু করে Activate করুন। এরপর crack ফোল্ডারের ভিতর দেয়া wcmhelper.dll, WebcamMax ফাইল দুটি Copy করে C drive> program files> WebcamMax এ পেস্ট করুন( পেস্ট করার সময় Copy and replace দিবেন, এরপর Continue দিবেন)। এবার সফটওয়্যার টি আপনার ডেক্সটপ থেকে চালু করে দেখুন… ফুল ভার্সন হয়ে গেছে।
(দুইটি ডাউনলোড অপশন পাবেন। দ্বিতীয় ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করলেই ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে)
সফটওয়্যার টির  Screen Shot দিলাম। দেখুন…
পোস্টটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছে এখানে

কম্পিউটার কে কথা বলে কমান্ড দেওয়া সম্ভব কোন সফটওয়্যার ছাড়া

আসসালামুয়ালাইকুম। কেমন আছেন আপনারা সবাই? আশা করি ভালো আছেন। আজকে আমার বিষয়  কম্পিউটার কে কথা বলে কমান্ড দেওয়া সম্ভব।  প্রথমে আপনার এর জন্য যা লাগবে তা হল একটা মাইক্রোফোন । ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার মদ্ধে একটা কিনতে পাবেন । এই ফিচার টি শুধু উইন্ডোজ ৭ ও ৮ বাবহারকারি রা উপভগ করতে পারবেন ।এবার আপনার কম্পিউটার এ স্টার্ট মেনু তে সার্চ দিন speech recognition দেখবেনঃspeech recognition  এরকম লেখা একটি অপশন আছে ।ওটা সিলেক্ট করুন । এবার এরকম কিছু আশবে:

এবার আপনি setup microphone অপশন টি সিলেক্ট করুন । এবার নিচের মত ছবি আশবেঃ

যদি আপনি ১ নম্বরের মত মাইক্রোফোন ব্যবহার করেন তাহলে এটা সিলেক্ট করুন
যদি আপনি ২ নম্বরের মত মাইক্রোফোন ব্যবহার করেন তাহলে এটা সিলেক্ট করুন
যদি আপনি ল্যাপটপ ব্যবহার করেন জার মদ্ধে মাইক্রোফোন আগে থেকে আছে তাহলে শেষের তা সিলেক্ট করুন
এরপরে নেক্সট সিলেক্ট করুন।
তারপর এরকম একটা ছবি আশবেঃ

এবার নিছের জিনিশ গুল খেয়াল রেখে নেক্সট দিন -
  1. আপনার মাইক্রোফোন আপনার মুখ থেকে ১ ইঞ্চি দূরে থাকবে
  2. মাইক্রোফোন এর দিকে মুখ করে নিঃশ্বাস নিবেন না
  3. খেয়াল করবেন mute বাটান যেনও অন না থাকে
এবার আপনি নেক্সট দিতে পারেন ।
নেক্সট দাওয়ার পর এমন এক্তি ছবি আশবেঃ

হলুদ বক্স এর কথা গুল আপনি যেভাবে কথা বলেন সেভাবে বলুন । ভুল করবেন না কিন্তু।
তারপর নেক্সট দিন ।
এবার এরকম একটি ছবি আশবেঃ

finish সিলেক্ট করুন
এরপর আবার দ্বিতীয় ছবি থেকে ৩ নম্বর অপশন টি সিলেক্ট করুন। এর সাহায্যে আপনি একে কিভাবে ব্যবহার করতে হয় তা জানতে পারবেন (tutorial এ কমান্ড আশলে  accept হয় না । আপনি জাই বলেন ওটি থিক বলবে)
এবার আপনি দ্বিতীয় ছবি থেকে ১ নম্বর অপশন তি সিলেক্ট করুন । আপনার সফটওয়্যার শুরু হয়ে গেছে । আপনি ভালো পেরফরমান্স এর জন্য  দ্বিতীয় ছবি থেক ৪ নম্বর অপশন টি সিলেক্ট করে আপনার কম্পিউটার কে train করুন।
বানান ভুল হলে মাফ করবেন
ধন্নবাদ

হার্ডডিস্কের যেকোনো ড্রাইভ লুকিয়ে রাখুন একদম সহজে [ কোন সফটওয়্যার ছাড়া] !!

এখন আমি আপনাদের একটা মিনি টিপস শেয়ার করব ।
আমাদের কম্পিউটারে অনেক সময় অনেক ব্যক্তিগত  তথ্য থাকতেই পারে, যেগুলো আমরা অন্যদের দেখাতে চাই না।
সে ক্ষেত্রে আপনি চাইলে হার্ডডিস্কের যেকোনো ড্রাইভ সব বাক্তিগত তথ্য রেখে ড্রাইভটি লুকিয়ে রাখতে পারেন।
এজন্য যা  করবেন , দেখে নিন ……
প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে Run-এ যেতে হবে বা কীবোর্ড থেকে Windows+R প্রেস করতে হবে ।
এর পর সেখানে cmd লিখে এন্টার করুন।কমান্ড প্রম্পট চালু হবে।
কমান্ড প্রম্পট চালু হলে  diskpart লিখে এন্টার করুন।
উইন্ডোজ সেভেনের ক্ষেত্রে একটি নোটিফিকেশন আসবে। সেটাতে ইয়েস করে দিলেই নতুন একটি কমান্ড প্রম্পট (নতুন উইন্ডো) চালু হবে।
সেখানে DISKPART> এর পরে লিখুন list volume এবং এন্টার করুন।সব কটি ড্রাইভের একটি তালিকা চলে আসবে।
এখন যে ড্রাইভটি আপনি লুকাতে বা হাইড করতে  চান, সেটির ভলিউম নম্বর লিখুন।
একটু খেয়েল করলে দেখতে পাবেন, প্রতিটি ড্রাইভের পাশেই এর ভলিউম নম্বর দেয়া আছে।
যেমন—আপনি যদি E:\ ড্রাইভ হাইড করতে চান, তাহলে E:\ ড্রাইভের ভলিউম নম্বর লিখে এন্টার করুন।
E:\ ড্রাইভের ভলিউম নম্বর 4 হলে লিখুন DISKPART>-এর পরে লিখুন select volume 4, তাহলে আপনার E:\ ভলিউমটি নির্বাচন করা হবে।
তারপর হাইড করার জন্য DISKPART>-এর পরে লিখুন remove letter E, তাহলে আপনার নির্বাচিত  ড্রাইভটি হাইড হবে।
এবারে মাই কম্পিউটারে গেলে ড্রাইভটি আবার দেখতে পাবেন না ।
যদি ড্রাইভটি আবার দেখতে চান, তাহলে হাইড  ড্রাইভটি একই পদ্ধতিতে নির্বাচন করে লিখুন assign letter E এবং Command Prompt বন্ধ করে দিন।
এবারে মাই কম্পিউটারে গেলে ড্রাইভটি আবার দেখতে পাবেন।
সবাই ভালো থাকুন । সুস্থ থাকুন । আমার জন্যও দোয়া করুন ।

কম্পিউটার শিখুন বাংলাই(PDF)

সবাইকে সালাম ও রমজানের মোবারাক । আসা করি সবাই ভাল আছেন । আমারা কম্পিউটার এর অনেক কিছুই জানিনা এগুলো জানতে হলে ভাল কোচিং অথবা বই পরে জানতে হয় । কিন্তু বই গুলি ইংরেজিতে হওয়ার কারনে আমরা অনেকেই বুঝতে পারিনা । এজন্য আজ আমি আপনাদের কিছু বাংলা বই দিব আসা করি বই গুলি আপনাদের অনেক কাজে দিবে ।
  • adobe illustrator
undefined

  ডাউনলোড 
Password: peezon
  • adobe photoshop
undefined
ডাউনলোড 
Password: peezon
  • computer fundamental
undefined
ডাউনলোড 
Password: peezon
  • computer performance
undefined
ডাউনলোড 
Password: peezon
  • HTML
undefined
  ডাউনলোড 
Password: peezon
  • internet & mail
undefined
ডাউনলোড 
Password: peezon
  • joolal
undefined
ডাউনলোড  
Password: peezon
আসা করি এগুলো আপনাদের অনেক কাজে দিবে । ভাল লাগলে অবশই কমেন্ট করবেন । সবাই ভাল থাকবেন ।

ডেমো কিংবা ট্রায়াল সফটওয়্যারকে সারা জীবন ব্যবহার করুন

আজকে একটি ভাল মানের সফটওয়্যার নিয়ে এসেছি সবার জন্য। কিছু সফ্টঅয়ার আছে যেগুলো ফ্রি ব্যবহার করতে দেয় আবার কিছু সফ্টঅয়ার আছে যা ৩০/৯০দিনের জন্য ট্রায়াল হিসেবে দিয়ে থাকে । যখন ৩০/৯০ দিন শেষ হয় তখন সেটি বন্ধ হয়ে হয়ে যায়। সেটি বন্ধ হলে একটা নির্ধারিত টাকার বিনিময়ে ক্রয় করে ব্যবহার করতে হবে। আপনি ইচ্ছে করলে একটি ছোট্ট সফট দিয়ে ডেমো কিংবা ট্রায়াল সফটওয়্যার সারা জীবন ব্যবহার করতে পারবেন।

সফটটির নাম টাইম স্টপার। টাইম স্টপার আপনাকে সাহায্য করবে ট্রায়াল সফট এর দিন গননা কে বন্ধ করতে যেটা সফট ইন্সটল এর দিন থেকে শুরু হয়েছিল।
undefined

এখন দেখুন সফট টি কিভাবে ব্যবহার করবেনঃ

১ম ধাপঃ সফট টি সেটাপ দিন । তারপর ওপেন করুন ।
২য় ধাপঃ ব্রাউজ করে দেখিয়ে দিন *.exe file যেই সফট এর সময় পেছাতে চান।
৩য় ধাপঃ নতুন একটা ডেট দিন যেটা হবে ট্রায়াল প্রিয়ড এর মধ্যে যেকোন দিন।
৪র্থঃ নতুন জীবন পাওয়া সফট এর আইকন এর নাম দেবার জন্য নাম লিখুন।
৫মঃ এখন থেকে নতুন তৈরী হওয়া আইকন দিয়ে ব্যবহার করতে থাকুন।
ডাউনলোড লিঙ্কঃ
http://timestopper.blinkweb.com/
মিডিয়া ফায়ার লিংক>>
ধন্যবাদ ।

মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ ও ২০০৭ এর সকল ভার্সনের সব জেনুইন সিরিয়াল কী নিন



~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

মাইক্রোসফট কর্পোরেশান তাদের যে সব পণ্যের মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়েছে, তার মধ্যে একটি হল মাইক্রোসফট অফিস। মাইক্রোসফট অফিস মাইক্রোসফটের অন্যান্য প্রোডাক্টের মতোই প্রেমিয়াম। যা আপনাকে কিনে ব্যবহার করতে হয়। যদিও আপনি তাদের সাইট থেকে ট্রায়াল ভার্সন ডাউনলোড করে কয়েকদিন ব্যবহার করতে পারবেন। যাই হোক, মূল কথা হচ্ছে আপনি মাইক্রোসফট অফিস ব্যবহার করতে হলে প্রেমিয়াম ভার্সন ডাউনলোড করতে হবে অথবা জেনুইন সিরিয়াল কী ব্যবহার করতে হবে।

না, আর সমস্যা নেই। আপনি ট্রায়াল ভার্সনটি ডাউনলোড করে বসে আছেন? চিন্তা শেষ। এবার ফুল ভার্সন করে নিন আ্পনার মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ বা অফিস ২০০৭ এর ভার্সনটি। যে কোন ভার্সনই চান না কেন, ইনশাআল্লাহ সিরিয়াল কীটি পাবেন।

সকল সিরিয়াল কী পাবেন এখানেঃ

সিরিয়াল কীঃ http://tinypaste.com/c27c1466

উপরের লিংকে গেলেই আপনি সকল সিরিয়াল কীগুলো পেয়ে যাবেন। তাহলে নিয়ে যান পছন্দের ও দরকারি সিরিয়াল কীটি।

আপনার কম্পিউটার স্ক্রিনসর্ট নিন কোন স্ফটওয়ার ছাড়া ।

আস্সালামু আলাইকুম । .. আসা করি সবাই ভাল আছেন । অনেকদিন পড়ে আবার আসলাম নতুন কিছু নিয়ে । আসকের পোস্টটি আপনার পিসি তে সহজে স্ক্রিনসর্ট নিতে পারেন তাও কোন স্ফট ছাড়া । …….
তো চলুন তাহলে কিভাবে করবেন এ কাজটি । খুব সহজ । এজন্যে শুধু আপনার পিসির একটি বোতাম টিপতে হবে আর মাইকরোস্ফট ওয়ার্ড বা পেইন্ট এ পেস্ট করুন । কিভাবে করবেন তা এবার দেখে নেই ।

প্রথমে আপনি আপনার কিবোর্ড এর ” print screen sysrq ” বোতামে ক্লিক করুন । যা পাবেন ইনসার্ট বোতামের উপরে । বিভিন্ন কিবোর্ড এ বিভিন্ন স্থানে থাকতে পারে ।

এরপর আপনি আপনার মাইকরোস্ফট ওয়ার্ড বা পেইন্ট ওপেন করে সেখানে পেস্ট করুন ঠিক সেভাবে যেভাবে আপনি আপনার ফাইল পেস্ট করেন । অথবা পেস্ট করার জন্যে আপনি  ”ctrl+V” এও ক্লিক করে পেস্ট করতে পারেন । এবার দেখুন আপনি আপনার পিসিটির স্ক্রিনসর্ট নিতে পেরেছেন ।
ভাল লাগলে জানাবেন ।
ধন্যবাদ —

ফায়ারফক্স ক্যাম্পাস

ছাত্র-ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে বিশ্বের জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার মোজিলা ফায়ারফক্সের রয়েছে একটি বিশেষ সংষ্করণ-ফায়ারফক্স ক্যাম্পাস সংষ্করণমূলত স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা বিবেচনা করেই এই সংষ্করণটি ছাড়া হয়েছেগবেষনা সহায়ক টুলের পাশাপাশি এতে গান শোনার জন্যও প্রয়োজনীয় টুল আছে
Foxytunes
বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রীই কম্পিউটারে কাজ করা বা ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের সময় গান শুনতে পছন্দ করেনতাদের জন্য মোজিলা ফায়ারফক্সের ক্যাম্পাস সংষ্করনে রয়েছে foxytunesfoxytunes এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া প্লেয়ার নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি আপনাকে গানের লিরিক, অ্যালবামের প্রচ্ছদ, ভিডিও ইত্যাদি খুঁজে পেতে সাহায্য করবেfoxytunes এর মাধ্যমে উইন্ডোজ, ম্যাক এবং লিনাক্সের প্রায় চল্লিশটির বেশি মিডিয়া প্লেয়ার নিয়ন্ত্রন করা যাবে এর মাঝে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে- উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার, আইটিউনস, রিয়েল প্লেয়ার, মিউজিক জুকবক্স, উইন্যাম্প, ইয়াহু মিউজিক জুকবক্স, জেট আডিও ইত্যাদি
ফায়ারফক্সের পাশাপাশি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারেও ফক্সিটিউনস ব্যবহার করা যাবেfoxytunes এর ডাউনলোড এবং সম্পর্কে আরোও বিস্তারিত জানতে চাইলে ক্লিক করুনঃ http://www.foxytunes.com
Zotero
ছাত্র-ছাত্রীদের অনেকেই তাদের গবেষনা সম্পর্কিত কোন তথ্য খুঁজে পেতে ইন্টারনেট ব্যবহার করেনতাই ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষনায় সহায়তা করার জন্য ফায়ারফক্সের ক্যাম্পাস সংষ্করনে রয়েছে zoterozotero ইন্টারনেটের দুনিয়ায় ভবিষ্যত প্রজন্মের গবেষনা সহায়ক টুল হিসেবেই বেশি পরিচিত গবেষনা সহায়ক তথ্য খুঁজে পেতে এই সফটওয়্যারটি টুলটি এক কথায় অসাধারনএর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি ইন্টারনেট থেকে গবেষনা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য (লেখা, ওয়েব পেইজ কিংবা ছবি) খুঁজে বের করে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য তা zotero লাইব্রেরিতে সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখতে পারবেন zotero-এর নির্মাতা হচ্ছে জর্জ ম্যাসন ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর হিস্টোরি এন্ড নিউ মিডিয়াএটি তৈরিতে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ইনস্টিটিউট অব মিউজিয়াম এন্ড লাইব্রেরি সার্ভিসেস সহ আরোও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জোটিরো ইনস্টল করতে আপনার কম্পিউটারে নূন্যতম ফায়ারফক্স সংষ্করণ থাকতে হবেএর আগের সংষ্করণগুলোতে zotero ব্যবহার করা যাবে নাজোটিরো ডাউনলোড এবং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ
http://www.zotero.org

Stumbleupon
সাধারনত আমরা আমাদের আগ্রহের বিষইয়বস্তুর উপর কোন ওয়েব সাইট খুঁজে পেতে ইন্টারনেটের বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্য নেইকিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে মানসম্পন্ন ওয়েব সাইট খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয় নাতাই ফায়ারফক্স ক্যাম্পাস সংষ্করণে রয়েছে দরকারী ওয়েব সাইট খুঁজে পেতে একটি অসাধারন টুলএই টুলটির নাম stumbleuponএই টুলটির মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি আবিষ্কার করতে পারবেন আপনার আগ্রহের বিষয়বস্তুর উপর অসাধারন সব ওয়েবসাইটstumbleupon অনেকটা কমিউনিটির মতোতাই বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তাদের শেয়ার করতে পারবেন আপনার আবিষ্কৃত ওয়েব সাইটের খবর আপনার কোন ওয়েব সাইট পছন্দ হলে stumbleupon এর মাধ্যমে আপনি সাইটটি ভিজিটের জন্য পরামর্শ দিতে পারবেনএতে অন্য কেউ এই ওয়েব সাইটের খবর জানতে পারবেনকোন সাইট ভালো না লাগলে আপনি সেই সাইট ভিজিট না করার জন্য অন্যদেরকে উৎসাহিত করতে পারবেন stumbleupon আপনি মোজিলা ফায়ারফক্সের পাশাপাশি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারেও ব্যবহার করতে পারবেনstumbleupon ব্যবহার করতে চাইলে ডাউনলোড করে নিতে পারেনstumbleupon ডাউনলোড এবং সম্পর্কে আরোও বিস্তারিত জানতে চাইলে ক্লিক করুনঃ http://www.stumbleupon.com/
যাদের কম্পিউটারে মোজিলা ফায়ারফক্স ইনস্টল করা আছে তারা শুধু অ্যাড-অনগুলো ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিলেই ক্যাম্পাস সংষ্করণের যাবতীয় সুবিধা ভোগ করতে পারবেনআর যাদের কম্পিউটারে মোজিলা ফায়ারফক্স ইনস্টল করা নেই তারা ফায়ারফক্সের পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাস সংষ্করণ ডাউনলোড করে নিতে পারেন
ওয়েব সাইটঃ
http://en-us.www.mozilla.com/en-US/add-ons/campus

ল্যাপটপ সম্পর্কিত টিপস

বাংলাদেশের বাজারে এ সময়ের সবচেয়ে আলোচিত প্রযুক্তি পন্যের নাম ল্যাপটপ বহনের সুবিধা থাকায় এই পন্যটি একজন প্রযুক্তি মনস্ক মানুষের জীবনযাপন অনেকটাই সহজ করে দেয়তাই আজকাল একজন আধুনিক মানুষের একটি ল্যাপটপ না থাকলেই নয়কয়েক বছর আগেও ল্যাপটপ ছিল সাধারনের নাগালের একেবারে বাইরে সম্প্রতি বাংলাদেশের বাজারে কম মূল্যে বেশ কিছু ভালো ব্র্যন্ডের ল্যাপটপ এসেছেফলে ব্যবসায়ী এবং আইটি বিশেষজ্ঞদের গন্ডি পেরিয়ে ল্যাপটপ এখন প্রায় সবর্স্তরের মানুষের হাতের কাছেইআর পুরো টাকা একসাথে যোগাড় না করতে পারলে রয়েছে কিস্তির ব্যবস্থাচলুন দেখে নেয়া যাক ল্যাপটপ সম্পর্কিত এমন কিছু টিপস যেগুলো ল্যাপটপ কেনার আগে ও পরে আপনাদের কাজে লাগবে
ল্যাপটপ কেনার আগে-
ল্যাপটপের দাম সাধারনত ডেস্কটপের চেয়ে অনেক বেশিতাই একটু ভেবে চিন্তেই ল্যাপটপ কেনা উচিতল্যাপটপ কেনার আগে যেসব বিষয় ভেবে নেয়া প্রয়োজনঃ
>
আপনি কি কাজে ল্যাপটপ কিনবেন সেটা একটি বড় বিষয়আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী ল্যাপটপের কনফিগারেশন ঠিক করুনযেমনঃ বেশি মেমোরি প্রয়োজন এমন কোন সফটওয়্যার ব্যবহার না করলে সাধারন কাজের জন্য কম বাজেটের সেলেরন প্রসেসরের ল্যাপটপ কেনাই যথেষ্ঠকিন্তু আপনি যদি গেম খেলা বা গ্রাফিক্সের কাজ করতে চান তাহলে উচ্চ গতি সম্পন্ন হাই কনফিগারেশনের ল্যাপটপই কেনা উচিতকনফিগারেশন নির্ধারনের ব্যাপারে প্রসেসরের ক্লক স্পিডের দিকে বেশি লক্ষ্য রাখুন
>
ল্যাপটপ যেহেতু কিছুটা দামী পণ্য তাই এক্ষেত্রে বাজেট বড় একটি বিষয় এছাড়া বাজারে ল্যাপটপেরর প্রায় সব ব্র্যান্ডই ভালোতাই ব্র্যান্ডের নামের চেয়ে ল্যাপটপ কেনার আগে দেখুন সাধ্যের মধ্যে কোন মডেলের ল্যাপটপে আপনি ভালো সবচেয়ে কনফিগারেশন পাচ্ছেন
>
ল্যাপটপ কেনার আগে দেখে নেয়া দরকার এর ব্যাটারি কতটুকু সময় ব্যাকআপ দিতে পারেআপনার যদি আউটডোরে ল্যাপটপ বেশি ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় তাহলে লক্ষ্য রাখুন ব্যাটারির ব্যাকআপ যেন একটু বেশি হয়
>
এখন অনেক জায়গাতেই স্বল্প মূল্যে ব্যবহৃত (সেকেন্ড হ্যান্ড) ল্যাপটপ পাওয়া যায়এ ধরনের ব্যবহৃত ল্যাপটপ কেনার আগে ভালোভাবে ভাবুনকারন, সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ বিক্রির সময় বিক্রেতারা অনেক ত্রুটির কথা চেপে যানআর ওয়ারেন্টি না থাকায় এসব ল্যাপটপ কিনে আপনি নিশ্চিন্তে থাকতেও পারবেন না
>
ল্যাপটপের প্রধান সুবিধা হচ্ছে এটি খুব সহজেই বহন করা যায়তাই যে ল্যাপটপ কিনবেন তার ওজন কেমন সেটা জেনে নিনছোট স্ক্রিনের ল্যাপটপের ওজন সাধারনত কম হয় বলে বহন করা সুবিধাজনক; এসব ল্যাপটপের দামও তূলনামূলকভাবে বেশিতবে গ্রাফিক্সের কাজ যারা করবেন তাদের জন্য একটু বড় স্কিনের ল্যাপটপ কেনাই ভালোতবে আউটডোরে বেশি ব্যবহারের প্রয়োজন হলে কম ওজনের ল্যাপটপ কেনাই ভালোতবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কথা হলো-আপনি কেমন স্ক্রিনের ল্যাপটপ ব্যবহারে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন
ল্যাপটপ কেনার পরে-
ল্যাপটপ কেনার পর ল্যাপটপ ব্যবহারে বেশ কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরীএগুলো হলো-
>
ল্যাপটপ বেশিক্ষণ কোলের উপর রেখে ব্যবহার করা উচিত নয়বেশ কিছুদিন আগে একদল গবেষক ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের মাঝে এক জরিপ চালিয়ে দেখেছেন, যারা কোলের উপর রেখে টানা অনেকক্ষণ ল্যাপটপ ব্যবহার করেন তাদের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে
>
দাম একটু বেশি হলেও ল্যাপটপ বহনে ল্যাপটপের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করুনএসব ব্যাগ ল্যাপটপকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করতে পারে এছাড়া ভ্রমণে ল্যাপটপ বহন করার জন্য কাঁধে ঝুলানোর সুবিধা যুক্ত (অনেকটা স্কুল ব্যাগের মতো) ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেনএক্ষেত্রে বহনে সুবিধার পাশাপাশি আরেকটি সুবিধা হলো বাইরে থেকে বোঝাই যাবে না যে আপনি ল্যাপটপ বহন করছেনতাই ছিনতাইকারীর দৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে পারেন
>
ল্যাপটপে বিল্ট-ইন কিছু ডিভাইস আছে যেমনঃ ব্লু-টুথ, ওয়াই-ফাই, ইনফ্রারেড ইত্যাদিপ্রয়োজন না থাকলে ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় এসব ডিভাইস বন্ধ করে রাখুনএতে ব্যাটারির শক্তি খরচ কম হবে
>
ডিসপ্লে সেটিংস থেকে বিভিন্ন অতিরিক্ত ফিচার যেমনঃ ClearType fonts , fade effects ইত্যাদি বন্ধ করে রাখুনফলে শক্তি খরচ কিছুটা কম হবে
>
ল্যাপটপে গেম খেলা বা কোন কিছু টাইপ করার জন্য এক্সটার্নাল কী-বোর্ড এবং মাউস ব্যবহার করুনকারন, এসব ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহারে ল্যাপটপের টাচ প্যাড এবং কি-বোর্ডের আয়ু কমে যাবে
>
ঘরে বা বিদ্যুত ব্যবহারের সুবিধা আছে এমন স্থানে সরাসরি বিদ্যুত ব্যবহারের মাধ্যমে ল্যাপটপ চালানপ্রত্যেকটি ল্যাপটপের ব্যাটারির একটি আয়ু আছেএকটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বার চার্জ হবার পর এই ব্যাটারিটি নষ্ট অর্থা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায়
>
ল্যাপটপ ডেস্কটপের মতো একটানা ব্যবহার করা ঠিক নয়বেশ কয়েক ঘন্টা ব্যবহার করার পর ল্যাপটপ কিছু সময় বন্ধ রাখা উচিত
>
ল্যাপটপের এয়ার ভেন্টটি নিয়মিত পরিষ্কার করুনকারন এয়ার ভেন্ট বন্ধ হয়ে গেলে প্রচুর তাপ উপন্ন হবে যা ল্যাপটপের জন্য ক্ষতিকর
>
খাবার ও পানীয় থেকে ল্যাপটপ দূরে রাখুননাহলে অসাবধানতা বশত ল্যাপটপের উপর পানি পড়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে
>
ল্যাপটপ শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুনকারন, হাত থেকে একবার পড়ে গেলেই ল্যাপটপের আয়ু শেষ!

ডেস্কটপ, মাই ডকুমেন্টস অন্যত্র স্থানান্তর


অনেক সময় উইন্ডোজ নতুন করে ইনষ্টল করার সময় ডেস্কটপ এবং মাই ডকুমেন্টে রাখা গুরুত্বপূর্ণ ফাইলসমূহ সরিয়ে রাখার কথা খেয়াল থাকে নাফলে মুছে যায় গুরুত্বপূর্ণ সব ডকুমেন্টতখন মাথার চুল ছেঁড়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না এ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার সব চেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে ডেস্কটপ, মাই ডকুমেন্টস অন্যত্র স্থানান্তরতবে উইন্ডোজে মাই ডকুমেন্ট সরানো সহজ হলেও ডেস্কটপ সরানো সম্ভব নয়এই অসম্ভবকে সম্ভব করতে ব্যবহার করতে পারেন TweakUi নামের সফটওয়্যার দিয়েমাত্র ১৪৭ কিলোবাইটের এই সফটওয়্যারটি খোদ মাইক্রোসফটের তৈরিবিনামুল্যে ডাউনলোড করে নিতে পারেন মাইক্রোসফটের সাইট থেকেসরাসরি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
এবার দেখা যাক কিভাবে TweakUi Powertoy দিয়ে স্থানান্তর করবেন আপনার ডেস্কটপ এবং মাই ডকুমেন্টপ্রথমে আপনার কম্পিউটারে TweakUi সফটওয়্যারটি ইনষ্টল করে নিনএবার start >All programs > PowerToys for Windows XP অনুসরন করে TweakUi প্রোগ্রামটি চালু করুনএবার My Computer > Special Folders এ যানএবার উইন্ডোজের বিশেষ ফোন্ডারসমূহের একটি লিস্ট দেখতে পাবেনযে ফাইলটি স্থানান্তর করতে চান তা সিলেক্ট করে Change Location বাটনে ক্লিক করে যে ড্রাইভে সরিয়ে ফেলতে চান তা সিলেক্ট করে Apply বাটনে ক্লিক করুন তাহলেই কাজ শেষ…এখন থেকে আর জরুরী ফাইল মুছে যাবার ভয় নেই…নাকে তেল দিয়ে ঘুমাতে পারেনকারন, এখন থেকে আপনার কাঙ্খিত ফাইলগুলো সেভ হবে নতুন লোকেশনে

টাস্কবারে ব্যক্তিগত নাম লেখা


টাস্কবারে সময়ের পাশে নিজের নাম লেখার জন্য Start “ Control Panel “ Regional and language options “ Customize “ Time ক্লিক “ এরপর AM ও PM-এর পাশে নিজের নাম লিখুন। শেষে Apply “ Ok (দুবার)। টাস্কবারে ঘড়ির পাশে নাম দেখাবে।
নাম বাতিল বা মুছে দেওয়ার জন্য একই নিয়মে গিয়ে AM ও PM-এর পাশে লেখা নাম মুছে দিয়ে Apply “ Ok (দুবার) করুন।

ভার্সিটি, কলেজের ল্যাবের ব্লক করা সাইট ভিজিট করুন এবং নিজের পিসিতেও পছন্দের সাইট ব্লক করে রাখুন

অনেক সময় বাচ্চাদের হাতে যেন বাজে কোন সাইট না পরে সে জন্য এ কাজটা আমরা করতে পারি। এদানিং বিভিন্ন ভার্সিটির ল্যাব, লাইব্রেরি ইত্যাদি জায়গায় ফেসবুক বা অন্য অনেক সাইট ব্লক করে রাখা হয়।

এছারাও অফিসিয়াল কাজে এমন করা হয়ে থাকে; বা আপনি যদি মনে করেন কোন সাইট ভুলেও আপনার পিসিতে ব্রাউস করলে ভাইরাস ঢুকতে পারে তাহলে এই কাজটা ১ মিনিটেই করে নিতে পারেন।

একিই ভাবে অফিসে বা কলেজে এভাবে ব্লক থাকা সাইট আপনে ব্রাউস করতে পারবেন। আরো মজার কথা হলো ইউসার টের ও পাবে না যে আসলে এই সাইট টি এডমিনিস্ট্রেটর ব্লক করে রেখেছে।

যেভাবে কাজটি করবেনঃ

ক) Notepad open করুন।

খ) File থেকে Open এ ক্লিক করুন।

গ) নিচে Files of type থেকে All files সিলেক্ট করুন

ঘ) এবার এই ঠিকানায় যান, C:\WINDOWS\system32\drivers\etc

ঙ) এবার HOSTS ফাইলটা অপেন করুন।

চ) নিচে দেখুন একটা লাইন আছে এমন “127.0.0.1 localhost” এটার নিচে লিখুন
127.0.0.2 www.google.com এখন সেভ করুন।

(এটা করলে তাহলে গুগল সাইট টি ব্লক হয়ে যাবে)
ছ) যদি আপনি অনেক গুলো সাইট ব্লক করতে চান তাহলে একটার পর একটা লাইন লিখুন নিচে, একই ভাবে;
শুধু 127.0.0.1 এর যায়গায় 127.0.0.2 দিন যদি আরেকটা করতে চান তাহলে 127.0.0.3 আরেকটা চাইলে 127.0.0.4 দিন সাথে যেই সাইট ব্লক করতে চান সেটার নাম। যেমন

127.0.0.3 www.yahoo.com
127.0.0.4 www.wikipedia.org
127.0.0.5 www.prothom-alo.com

জ) আনব্লক করতে চাইলে 127.0.0.2 www.google.com মুছে দিন (অর্থাৎ আপনে যেটা ব্লক করেছেন সেই লাইনটা মুছে দিন)


► ভার্সিটি বা কলেজের ল্যাবে কোন সাইট ব্লক করা থাকলে যা করবেনঃ

ভার্সিটি বা কলেজের ল্যাবে কোন সাইট ব্লক করা থাকলে; উপরের নিয়মে যাবেন, তারপর আনব্লক করতে চাইলে 127.0.0.2 www.facebook.com মুছে দিন (অর্থাৎ ল্যাবে যেটা ব্লক করেছে সেই লাইনটা মুছে দিন)

Windows XP কে জেনুইন করুন অতি সহজে

জেনুইন জিনিস ইউস করার মজাই আলাদা তাই না? এনিওয়েস প্যাচাল অফ করলাম। কোডিং আমি সাথে দিয়ে দিলাম নিজেই বানিয়ে নিতে পারবেন তাহলে। সবাই ভালো থাকুন।

টিউন কনফিগারেশন:-

|———————————————|
| ইউসার লেভেল – বিগিনার লেভেল
| ডিফিকাল্টি – ১০%
| এখান থেকে ডাউনলোড করুন (2mb)
|———————————————|

দেখুন কিভাবে কাজ করতে হবে

জেনুইন করুন এভাবে

ডাউনলোড করার পর আনজিপ করে নিলে ফোলডারে ৪টা ফাইল পাবেন নিচের ছবির মত। Run.bat নামের ফাইলে ডাবল ক্লিক করুন আপনার এক্সপি জেনুইন হয়ে যাবে। হিহি। (সার্ভিস প্যাক ২ তে আমি ইউস করেছি।)
0003 ১ মিনিটে ১টি ক্লিক করে Windows XP জেনুইন করুন সাথে জেনুইন চেক করা সোফটওয়্যার(কোডিং দিয়ে দিলাম, নিজেও বানিয়ে নিতে পারেন) | Techtunes

জেনুইন চেক করুন এভাবে

১। এখন চেক করার জন্য MGADiag.exe এই নামের ফাইল টা ওপেন করুন
chekc ১ মিনিটে ১টি ক্লিক করে Windows XP জেনুইন করুন সাথে জেনুইন চেক করা সোফটওয়্যার(কোডিং দিয়ে দিলাম, নিজেও বানিয়ে নিতে পারেন) | Techtunes
২। এখন নিচের ছবিতে মার্ক করা আছে যেখানে মানে continue লিখায় ক্লিক করুন
0001 ১ মিনিটে ১টি ক্লিক করে Windows XP জেনুইন করুন সাথে জেনুইন চেক করা সোফটওয়্যার(কোডিং দিয়ে দিলাম, নিজেও বানিয়ে নিতে পারেন) | Techtunes
৩। আপনার ইনডোস জেনুইন হলো কিনা সেটা দেখুন, নিচের ছবিতে মার্ক করা আছে। জেনুইন না হলে লিখা আসবে ইনভেলিড সিরিয়াল কি। জেনুইন থাকলে লিখা থাকবে সবুজ কালারে “জেনুইন”
00021 ১ মিনিটে ১টি ক্লিক করে Windows XP জেনুইন করুন সাথে জেনুইন চেক করা সোফটওয়্যার(কোডিং দিয়ে দিলাম, নিজেও বানিয়ে নিতে পারেন) | Techtunes

সিরিয়াল কি চেন্জ করুন এভাবে

১। Run.bat নামের ফাইলে রাইট ক্লিক করে ইডিটে ক্লিক করুন ওখানে যেই নাম্বারটা আছে সেটা বদল করে নিউ নাম্বার দিয়ে দিন তার পর সেভ করে Run.bat ফাইলটি আবার ডাবল ক্লিক করুন, হয়ে যাবে।চেক করতে চাইলে আগের মত চেক করে নিন।
আমি আপনাদের ১০০টি জেনুইন সিরিয়াল দিয়ে দিলাম। সার্ভিস প্যাক ২ এর জন্য। কয়েকটা কাজ না করলে পরের গুলো ট্রাই করুন।

নিজে যদি এই কোড বানাতে চান তাহলে এভাবে

১। নোটপেড ওপেন করে নিচের কোড গুলো ChangeKeyXP.vbs নামে সেভ করুন।
ON ERROR RESUME NEXT

if Wscript.arguments.count<1 then
Wscript.echo "Script can't run without VolumeProductKey argument"
Wscript.echo "Correct usage: Cscript ChangeKeyXP.vbs ABCDE-FGHIJ-KLMNO-PRSTU-WYQZX"
Wscript.quit
end if

Dim VOL_PROD_KEY
VOL_PROD_KEY = Wscript.arguments.Item(0)
VOL_PROD_KEY = Replace(VOL_PROD_KEY,"-","") 'remove hyphens if any

for each Obj in GetObject("winmgmts:{impersonationLevel=impersonate}").InstancesOf ("win32_WindowsProductActivation")

result = Obj.SetProductKey (VOL_PROD_KEY)

if err <> 0 then
WScript.Echo Err.Description, "0x" & Hex(Err.Number)
Err.Clear
end if

Next
২। এখন নিচের কোড গুলো নতুন একটা নোটপেড অপেন করে Run.bat নামে সেভ করুন
Cscript ChangeKeyXP.vbs BKQW7-3JYTB-D26TX-DHPDM-3MTKG
৩। জেনুইন করতে চাইলে run.bat নামের ফাইলে ডাবল ক্লিক করুন। জেনুইন চেক করতে ও সিরিয়াল কি চেন্জ করুন আগের মত করে।
সবাইকে আনেক ধন্যবাদ, সবাই ভালো থাকুন

Facebook Twitter RSS